যে গ্রামের সবাই অন্ধ, জ’ন্মের এক সপ্তাহ পরই দৃষ্টি হা’রিয়ে ফে’লে গৃহপালিত পশু ও শি’শুরা!

0
73

মধ্য আমেরিকার দেশ মেক্সিকোর বিচিত্র একটি গ্রাম টিলটেপেক। গ্রামটিতে জাপোটেক নামের একটি জাতির তিন শতাধিক মানুষ বাস করে, যাদের প্রত্যেকেই অন্ধ। শুধু মানুষই নয়, গ্রামের গৃহপালিত পশুগুলোও দৃষ্টিশ’ক্তিহীন।

বি’ষয়টি এমন নয় যে, গ্রামের অধিবাসীরা সবাই জ’ন্মগত অন্ধ। এই গ্রামে জ’ন্ম নেয়া ন’বজাতকরা আর পাঁচটা ন’বজাতকের মতোই সুস্থ-সবল অবস্থাতেই জ’ন্মায়। কিন্তু এক সপ্তাহ পরই দৃষ্টিশ’ক্তি হা’রিয়ে ফে’লে তারা।

এ খবর গণমাধ্যমে আসার পর ন’ড়েচ’ড়ে বসেছে মেক্সিকোর প্রশাসন ও বিজ্ঞানীরা। কারণ অনুসন্ধা’নে গঠন করা হয়েছে তদ’ন্ত কমিটি। অনুসন্ধা’নে চাঞ্চ’ল্যকর ত’থ্য এসেছে গবেষকদের হাতে।

যে ঘন অরণ্য গ্রামটিকে ঘিরে রেখেছে সেখানে বসবাস রয়েছে ‘ব্ল্যাক ফ্লা’ই’ নামের এক প্রজাতির বি’ষা’ক্ত মাছি। টিলটেপেক গ্রামে এই মাছির অবা’ধ বিচ’রণ রয়েছে। এই বি’ষা’ক্ত মাছির কা’মড়ে জীবা’ণু শ’রীরে ছড়ি’য়ে পড়ে। যার ফলেই শি’শু থেকে বুড়ো এবং পশুরাও ধীরে ধীরে দৃষ্টিশ’ক্তি হা’রিয়ে ফে’লে।

বিজ্ঞানীদের এমন ত’থ্যে কিছুটা বিচ’লিত মেক্সিকো স’রকার। অঞ্চলটিকে ইতিমধ্যে মানুষের বসবাসের অযো’গ্য জানিয়ে গ্রামবাসীকে অন্যত্র স’রিয়ে নেয়ার পদ’ক্ষেপ নিয়েছে সে দেশের স’রকার।নিজের দেওয়া উপহারেই ধরা খেলেন বান্ধবীর কাছে!

উপহার দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে এবার সাবধান হবেন। এমনও হতে পারে আপনার দেওয়া উপহারই আপনাকে বিপ’দে ফেলতে পারে। এমনটাই হল যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে।

যুক্তরাষ্ট্রের এনএফএল নেওটয়ার্কের সাংবাদিক জেন স্লাটার। এনএফএল, আমেরিকার ন্যাশনাল ফুটবল লিগের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। সাবেক বয়ফ্রেন্ড সম্প’র্কে জেন তার অ’ভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন টুইটারে। সেখানে তিনি লিখেছেন কীভাবে তার এক সাবেক বয়ফ্রেন্ডের দেওয়া ফি’টবিট ধ’রিয়ে দিয়েছিল তাকে (বয়ফ্রেন্ডকে)।

ফি’টবিট হল ঘড়ির মতো হাতে পরার এক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র। যার মাধ্যমে শরী’রিক কস’রত বা অ্যাক্টি’ভিটি ট্র্যা’ক করা যায়। মোবাইলের স’ঙ্গে কানেক্ট করা যায় ফি’টবিটকে। আবার দু’টি ফি’টবিটকেও একে অপরের স’ঙ্গে ওয়্যারলেস পদ্ধতিতে যু’ক্ত করা যায়। এর ফলে, কেউ একজন কতটা শা’রীরিক কস’রত, পরিশ্রম করছেন, তা অন্যের ফি’টবিট থেকে বোঝা যাবে।

জেন লিখেছেন, এক ক্রিসমাসে একটি ফি’টবিট উপহার দিয়েছিলেন সেই বয়ফ্রেন্ড। তার ফি’টবিটের স’ঙ্গে নিজের ফি’টবিটও কানেক্ট করে নিয়েছিলেন ওই প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড। এমন একটি উপহার পেয়ে জেন বেশ খুশি হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

সেই খুশি একদিন দুঃ’খে পরিণত হয়ে যায়। জেন লিখেছেন, একদিন ভোর চারটার সময় ওই প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ডের শা’রীরিক সক্রিয়তা লক্ষ্য করেন। সেই স’ঙ্গে জেন পাঠকদের জানান, ভোর চারটার সময় জিমেও যাননি তার বয়ফ্রেন্ড।

এই ঘ’টনার পর, বয়ফ্রেন্ডের কাছে জেন জানতে চান গোটা বি’ষয়টি। ভোর চারটার সময় তার ওই প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড কী করছিলেন সেটা জানতে পেরেই সম্প’র্ক ভে’ঙে দেন জেন। টুইটারে নিজের অভি’জ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন জেন স্লটার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here