ভিপি নুরের অভি’যোগ বি’ষয়ে মুখ খুললো ছাত্রলীগ

0
202

ডাকসু’র সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরু’দ্ধে অভি’যোগ দা’য়ের হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণ মা’মলায়। তবে এই মাম’লায় নূর প্রত্যক্ষভাবে জ’ড়িত ছিলেন না, তাকে ঐ ঘ’টনায় সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মা’মলা দা’য়ের হওয়ার পর তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। এই মা’মলা প্রস’ঙ্গে কথা বলেন বর্তমান ক্ষ’মতাসীন দল আওয়ামীলীগের অ’ঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) লেখক ভট্টাচার্য। লেখক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের ঘ’টনা সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ল’জ্জাজনক, যা আমাদের শিক্ষার্থী হিসেবে হেয় করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ’ধ’র্ষ’ণ মাম’লার আইনি প্রক্রিয়া বা’ধাগ্রস্ত করতে আন্দো’লন করছে নুর। সে নি’য়মিত বুলির অংশ হিসেবে স’রকারের নাম; ছাত্রলীগের নাম নেয়। গতকালও (সোমবার) আমি শুনেছি এক জায়গায় সে ধ’র্ষ’ণ মাম’লাকে ’ছাত্রলীগের ষ’ড়য’ন্ত্র’ বলেছে। সবকিছুই আমাদের ষ’ড়যন্ত্র! এরা কিছুই করে না?’ গতকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্রেকিংনিউজের স’ঙ্গে ফোনালাপে এ কথা বলেন লেখক ভট্টাচার্য।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ’এটা আমাদের জন্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ল’জ্জার ব্যাপার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর সাথে তারা যে অপ’কর্ম করেছে। এটার অবশ্যই বিচার হবে; বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী। বিচার বিভাগের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। আমাদের যে বোন আ’ক্রান্ত হয়েছে, সে যেন সঠিক বিচার পায়। আইনি প্রক্রিয়ার বা’ধাগ্রস্ত করতে আ’ন্দোলন করছে নুর। তার নামে একটা অভি’যোগ এসেছে; অভি’যোগ দেখেই আ’ন্দোলন শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ’কথায় কথায় কিসের আন্দোলন? ম’হামা’রির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উত্তে’জনা সৃষ্টি করা। তারা (নুরের অনুসারীরা) যেন অস্থিতিশীল করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খ’লা বাহি’নীকে আমরা আহ্বান জানাবো। স’রকারের পরিকল্পনামাফিক নুরের বিরু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণের মা’মলা হয়েছে’ বলে অভি’যোগ প্রস’ঙ্গে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ’নুরের কথা কেউ শুনে না। তাই সে বারবার স’রকারের দোষ দেয়। স’রকারের বিরু’দ্ধে বললে মানুষ শুনতে চায়; আসলে সে কী বলতে চাচ্ছে। এখানে স’রকারের দো’ষটা কোথায়? স’রকার কি তার বি’রু’দ্ধে মাম’লা করেছে? যে মেয়ের স’ঙ্গে এই অপ’কর্ম করেছে, সে মেয়ে নিজেই তো তাদের সংগঠনের। তাদের সংগঠনের মে’য়েই তো মা’মলা করেছে।’

তিনি আরো যোগ করে বলেন, ’ভিপি নুর এক এক সময় একেক ধরনের কথা বলে যান। যেটা উন্মা’দের প্র’লাপ বকার মতো বি’ষয়। সে যদি কোনো রকম কোনো অপ’রাধ করে থাকে তবে সে আইন অনুযায়ী শা’স্তি পাবে।’ তবে তার এই ধরনের কর্মকা’ন্ড আমাদের হে’য় করে দেয়। তার এটা বোঝা উচিৎ ছিল তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভিপি ছিলেন। তিনি যখন কোনো ধরনের কোনো কাজ বা মন্তব্য করেন তখন তার বোঝা উচিৎ, আমি কোন বি’ষয়ে কি বলছি। তার বিরু’দ্ধে তার সংগঠনের মে’য়ে এই ধরনের অভি’যোগ করেছে যা তার সম্মানকে ক্ষু’ন্ন করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here