নূরের বি’রুদ্ধে যেসব অ’ভিযোগ এনেছে সেই ভু’ক্তভোগী

0
66

প্রেমের সম্প’র্ক গড়িয়ে রূপ নেয় ধ’র্ষণে। যেই ধ’র্ষণের ঘ’টনার সূত্র ধরে মূ’ল অ’ভিযুক্ত মামুনের বন্ধু নাজমুলের স’ঙ্গে হোটেলে দেখা ও খাওয়া দাওয়া, পরবর্তীতে লঞ্চের কেবিনে গিয়ে ধ’র্ষণ। এরপরেই সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ডেকে নিয়ে হু’মকি ধামকি ইত্যাদি। যেখানে ভিপি নূরের বি’রুদ্ধেও এই ধ’র্ষণের সহযোগী হিসেবে অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। একটি বেস’রকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে এ ত’থ্য উঠে এসেছে।

ওই ছাত্রীর ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই’র সাথে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্প’র্ক। ম্যাসেঞ্জার, ইমো আর ওয়াটর্স অ্যাপে শা’রীরিক সম্প’র্কের ইঙ্গিত, অতপর ডাকে সাড়া দিয়ে ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি আনুমানিক দুপুর ২ টায় অ’ভিযুক্ত মামুনের লালবাগের নবাবগঞ্জ বড় মসজিদ রোডের ১০৪ বাসায় গিয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধ’র্ষণ।

এমন সব অ’ভিযোগ নিয়েই প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানা, পরবর্তীতে কোতয়ালী থানাসহ মোট দুইটি মা’মলা দা’য়ের করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের ২২ বছর ব’য়সী এক ছাত্রী। তিনি বঙ্গমতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে থাকেন। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টা ৫ মিনিটে লালবাগ থানায় দা’য়ের করা মা’মলার বিবা’দী করা হয়েছে ১, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮)। বিবা’দী-২, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮)। বিবা’দী-৩, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর (২৫)।

বিবা’দী-৪, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম (২৮)। বিবা’দী-৫, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) এবং বিবা’দী-৬, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল বাকিকে (২৩)।

ওই ছাত্রী তার অ’ভিযোগে উল্লেখ করেন, ১ নম্বর বিবা’দী হাসান আল মামুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ৭ম ব্যাচের ছাত্র, তার সাথে ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সুবাদে আমার পরিচয় হয় ২৯/০৭/২০১৮ তারিখে। নিজ বিভাগের সিনিয়র হওয়ায় ব্যক্তিগত সম্প’র্কের এক পর্যায়ে আমার সাথে প্রেমের সম্প’র্ক হয়। এর ধারাবাহিকতায় আমার সাথে বিবা’দী-১ এর সাথে বিভিন্ন সময় ম্যাসেঞ্জারে, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথোপকথোন হয়, যেখানে শা’রীরিক সম্প’র্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়।

ফলশ্রুতিতে গত ০৩/০১/২০২০ তারিখে আনুমানিক দুপুর ২ টার সময় বিবা’দী-১ তার লালবাগের নবাবগঞ্জ বড় মসজিদ রোড়ের ১০৪ নম্বর বাসায় আমাকে যেতে বলে এবং আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ধ’র্ষণ করে।

উক্ত ঘ’টনার পর ০৪/০১/২০২০ তারিখে আমি অ’সুস্থ হয়ে পড়ি। অতঃপর ১২/০১/২০১০ তারিখে মামুনের বন্ধু ২নং বিবা’দী সোহাগের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আমাকে ভর্তি করানো হয়। উল্লেখ্য, এই হাসপাতালে অবস্থানকালে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার আমার ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটরদের সাথে আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মামুনের নির্দেশে সোহাগ তা সফল হতে দেয়নি। বরং আমি যাতে হাসপাতালে অবস্থান না করতে পারি সেজন্য নানাভাবে অ’পচেষ্টা চা’লায়, যা আমার প্রা’ণনা’শের কারণ হতে পারতো বলে আমি মনে করি। এর মধ্যে হাসান আল মামুনকে বিয়ের জন্য চা’প দিলে সে বিয়ে করতে সম্মত হয়।

কিন্তু আমি সুস্থ হওয়ার পর টালবাহা’না শুরু করে। কোনো উপায় না দেখে এই বি’ষয়ে ২০/০৬/২০১০ তারিখে আমি ৩নং বিবা’দী ভিপি নুরুল হক নুরকে মৌখিকভাবে জানালে তিনি বলেন, অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি (মামুন) আমার পরিষদের, আমার সহযোদ্ধা। তার সাথে বসে একটা সুব্যবস্থা করে দিব।

এরপর তিনি ২৪/০৬/২০২০ তারিখে মিমাংসার আশ্বাস দিয়ে আমার সাথে নীলক্ষেত দেখা করতে আসেন। কিন্তু তখন তিনি মিমাংসার আশ্বাস এড়িয়ে আমাকে এ বি’ষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নি’ষেধ করেন। আর আমি যদি বাড়াবাড়ি করি তাহলে তাদের ভক্তদের দিয়ে আমার নামে ‍উল্টাপাল্টা পোস্ট করাবে এবং আমাকে প’তিতা বলে তারা প্রচার করবে তাদের ছাত্র অধিকার পরিষদের ১.২ মিলিয়ন মেম্বার সম্পন্ন গ্রুপে। তিনি (নুর) আরও বলেন, তার একটি লাইভে আমার সব সম্মান চলে যাবে।

ইতোমধ্যে মা’মলার ৪নং বিবা’দী সাইফুল ইসলাম আমার নামে কুৎসা রটাতে ৫ ও ৬ নং বিবা’দীকে লাগিয়ে দেয় এবং তারা চ্যাট গ্রুপ (ম্যাসেঞ্জার) আমার চরিত্র নিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে মা’নসিকভাবে বি’পর্যস্ত করার মত সম্মি’লিতভাবে চেষ্টা করে। ছাত্র অধিকার এ ঘ’টনা সম্প’র্কে জানে। তাদের মধ্যে কয়েকজন বি’ষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করতে চাইলেও বিবা’দীরা তাদেরকে বিভিন্ন ষ’ড়যন্ত্রকারী বলে আখ্যা দেয় বলে আমি জানতে পারি। এরপর আমি শা’রীরিক-মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ থাকায় এবং আত্মীয় স্বজনের সাথে আলোচনা করতে দেরি হওয়ায় থানায় এসে এজহার দিতে দেরি হয়।

লালবাগ থানায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টা ৫ মিনিটে দা’য়ের করা এজাহার অনুযায়ী- মা’মলা নং-২৮। মা’মলাটি ২০০০ সালের সংশোধ’নী ২০০৩ সালের না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনের ৯(১)/৩০ ধারা এবং পেনাল কোডের ৫০৬ ধারায় দা’য়ের করা হয়। মা’মলাটিতে অ’ভিযোগ করা হয়েছে- বিয়ের প্রলোভন দেখাইয়া ধ’র্ষণ, সহায়তা ও হু’মকি প্রদানের অ’পরাধ। গতকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টায় কোতয়ালী থানায় দা’য়ের করা মা’মলায় একই ভূক্তভোগী ছাত্রী অ’ভিযোগ করেন- বিবা’দী-১, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮)। বিবা’দী-২, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮)।

বিবা’দী-৩, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর (২৫)। বিবা’দী-৪, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম (২৮)। বিবা’দী-৫, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) এবং বিবা’দী-৬, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল বাকি (২৩)।

২ নম্বর বিবা’দী হাসান আল মামুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামীক স্টাডিজ বিভাগের ৭ম ব্যাচের ছাত্র, তার সাথে ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই ও বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সুবাদে আমার পরিচয় হয় ২৯/০৭/২০১৮ তারিখে। নিজ বিভাগের সিনিয়র হওয়ায় ব্যক্তিগত সম্প’র্কের এক পর্যায়ে আমার সাথে প্রেমের সম্প’র্ক হয়।

এর ধারাবাহিকতায় আমার সাথে বিবা’দী-২ এর সাথে বিভিন্ন সময় ম্যাসেঞ্জারে, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথোপকথোন হয়, যেখানে শা’রীরিক সম্প’র্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে গত ০৩/০১/২০২০ তারিখে আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকার সময় বিবা’দী-১ তার লালবাগের নবাবগঞ্জ বড় মসজিদ রোড়ের ১০৪ নম্বর বাসায় আমাকে যেতে বলে এবং আমি সেখানে যাই। বিবা’দী আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ধ’র্ষণ করে। উক্ত ঘ’টনার পর ০৪/০১/২০২০ তারিখে আমি অ’সুস্থ হয়ে পড়ি। অতঃপর ১২/০১/২০১০ তারিখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমাকে ২নং বিবা’দীর বন্ধু ১নং বিবা’দী নাজমুল হাসান সোহাগের (২৮) মাধ্যমে ভর্তি করায়।

উল্লেখ্য যে, হাসপাতালে অবস্থানকালে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় আমার ক্যাম্পাস কো-অর্ডিনেটরদের সাথে আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ২নং বিবা’দী মামুনের নির্দেশে ১নং বিবা’দী তা সফল হতে দেয়নি। বরং আমি যাতে হাসপাতালে অবস্থান না করতে পারি সেজন্য নানাভাবে অ’পচেষ্টা চা’লায়, যা আমার প্রা’ণনা’শের কারণ হতে পারতো বলে আমি মনে করি।

এর মধ্যে ২ নং বিবা’দীকে বিয়ের জন্য চা’প দিলে সে বিয়ে করতে সম্মত হয়, কিন্তু আমি সুস্থ হওয়ার পর টালবাহা’না শুরু করে। এমতাবস্থায়, ২ নং বিবা’দী হাসান আল মামুনের (২৮) সাথে আমার কোন যোগাযোগ না থাকায় ০৯/০২/২০২০ তারিখে ১নং বিবা’দী নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮) আমাকে ২নং বিবা’দীর সাথে দেখা করতে বলে এবং বি’ষয়টি সমাধান করে দেওয়ার মি’থ্যা আশ্বাস দিয়ে কোতয়ালী থানাধীন সদরঘাটের কাছাকাছি ৫৬৩/৫৬৬ মিউনিসিপ্যাল হকার্স মার্কে’টের সদরঘাট হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে সকাল আনুমানিক ৭ টা ৪০ মিনিটে নিয়ে আসে এবং সেখানে আমাকে নাস্তা করায়।

নাস্তা শেষে ১ নং বিবা’দী নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮) আমাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে লঞ্চযোগে চাঁদপুরে নিয়ে যায়। চাঁদপুরে পৌঁছার পর ২নং বিবা’দীকে দেখতে না পেয়ে আমার স’ন্দে’হ হয় এবং আমি ১নং বিবা’দী নাজমুল হাসান সোহাগকে (২৮) তাড়াতাড়ি ঢাকায় ফেরার জন্য বলি। আমরা ঐ দিন বিকালে ঢাকায় ফেরার জন্য লঞ্চের কেবিনে অবস্থানকালে ১ নং বিবা’দী আমাকে জো’রপূর্বক ধ’র্ষণ করে। আমি কা’ন্নাকাটি করলে ১নং বিবা’দী আমাকে ন’ষ্টা মে’য়ে হিসেবে উপস্থাপন করতে চায় এবং বলে যে, লঞ্চে তার আরও লোকজন আছে।

সে আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকী দেয় এবং বলে যে, কা’ন্না করে কোনো লাভ হবে না। সেই সাথে আরো বলে যে, ২নং বিবা’দীর বি’ষয়টা কাউকে কিছু না জানাতে। তারপর আমরা রাত্র অনুমান সাড়ে ৮ টায় সদরঘাট নামি। ২৯/০৫/২০২০ তারিখে ১ নং বিবা’দী নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮) আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য Arohi sima, Baishaki Das নামক ফেইক আইডি খুলে বিভিন্ন সে’ক্সুয়াল গ্রুপে আমার মোবাইল নম্বর ছাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে উক্ত ঘ’টনার উপায়ন্তর না পেয়ে আমি এই বি’ষয়ে ২০/০৬/২০২০ তারিখে ৩নং বিবা’দী ভিপি নুরুল হক নুরকে (২৫) মৌখিকভাবে জানালে সে বলে অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি (মামুন) আমার পরিষদের।

আমি তার স’ঙ্গে কথা বলে একটা সু-ব্যবস্থা করে দিব। এরপর তিনি ২৪/০৬/২০২০ তারিখে মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে নীলক্ষেতে দেখা করতে আসেন। কিন্তু তখন তিনি মীমাংসার আশ্বাস এড়িয়ে আমাকে এ বি’ষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নি’ষেধ করে। এও বলে আমি যদি বাড়াবাড়ি করি তাহলে তাদের ভক্তদের দিয়ে আমার নামে ‍উল্টাপাল্টা পোস্ট করাবে এবং আমাকে প’তিতা বলে তারা প্রচার করবে।

তাদের ছাত্র অধিকার পরিষদের ১.২ মিলিয়ন মেম্বার সদস্য আছে। তিনি আরও বলেন, তার একটি লাইভে আমার সব সম্মান চলে যাবে। ইতোমধ্যে মা’মলার ৪ নং বি’বাদি সাইফুল ইসলাম (২৮) আমার নামে কুৎসা রটাতে বিবা’দী-৫ নাজমুল হুদা (২৫) ও বিবা’দী-৬ আব্দুল্লাহিল বাকি (২৩) দ্বয়কে লাগিয়ে দেয়। তারা ম্যাসেঞ্জার চ্যাট গ্রুপে (ম্যাসেঞ্জার) আমার চরিত্র নিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে মা’নসিকভাবে বি’পর্যস্ত করার মত সম্মি’লিতভাবে হীন কাজ করে। ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্ব স্থানীয় সকল নেতাকর্মী এই সব ঘ’টনা সম্প’র্কে জানেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বি’ষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করতে চাইলেও বিবা’দীরা তাদেরকে বিভিন্ন ষ’ড়যন্ত্রকারী বলে আখ্যা দেয় বলে আমি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি।

উপরোক্ত বিবা’দীগণ প’রস্পর যোগসাজশে মি’থ্যা আশ্বাস দিয়ে আমাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদপুর নিয়ে গিয়ে ধ’র্ষণ করে এবং ধ’র্ষণে সহায়ত করে। আমি শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ থাকায় এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় হাজির হয়ে অ’ভিযোগ দা’য়ের করতে দেরি হলো।

কোতয়ালী থানায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টায় দা’য়ের করা এজহার অনুযায়ী- মা’মলা নং-৩৪। মা’মলাটি ২০০০ সালের সংশোধ’নী ২০০৩ সালের না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনের ৯(১)/৭/৩০ ধারা এবং ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী দা’য়ের করা হয়। মা’মলাটিতে অ’ভিযোগ করা হয়- প’রস্পর যোগসাজশে অ’পহরণ করতঃ ধ’র্ষণ ও ধ’র্ষণের সহায়তা এবং হেয় প্রতিপন্ন করিবার নিমিত্তে ডিজিটাল মাধ্যমে অ’পপ্রচার করার অ’পরাধ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here