যুবলীগ নেতার হাতের চারটি আঙুল কে’টে নিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা

0
27

সাতক্ষীরায় চায়ের দোকানে ছাত্রলীগ নেতাদের খাওয়ার বিল পরিশোধ করা নিয়ে দ্ব’ন্দ্বের জেরে মুজাহিদুর রহমান অন্তু নামের এক যুবলীগ নেতার হাতের চারটি আঙুল কে’টে নিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা। গু’রুতর আ’হত অবস্থায় ওই যুবলীগ নেতাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘ’টনা ঘটে। এ ঘ’টনায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অ’ভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাদের বি’রুদ্ধে সদর থানায় মা’মলা করেছেন যুবলীগ নেতার বাবা।

আ’হত যুবলীগ নেতা মুজাহিদুর রহমান অন্তু সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইটাগাছা এলাকার আবুল হাসানের ছেলে।

অ’ভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হোসেন শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃ’ত. গিয়াজউদ্দীনের ছেলে ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি, জাহিদ হোসেন একই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সোহেল রানা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বাবু তালুকদারের ছেলে।

অন্তুর বাবা আবুল হাসান জানান, বুধবার সকালে শহরের বাকাঁল এলাকায় রোজ মার্কে’টের এক চায়ের দোকানের বিল পরিশোধের জন্য আমার ছেলে মুজাহিদুর রহমান অন্তুর কাছ থেকে ২০ টাকা দাবি করে ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হোসেন, জাহিদ হোসেন ও সোহেল রানা। তাদের দাবিকৃত ২০ টাকা দেয়ার পরও তাদের স’ঙ্গে আমার ছেলের মনোমালিন্য হয়। ঘ’টনার দিন দুপুরে অন্তু প্রয়োজনীয় কাজে শহরের উদ্দেশে রওনা দিলে রাস্তায় নাহিদ, জাহিদ, রানাসহ অ’জ্ঞাত ৪-৫ জন ধা’রালো অ’স্ত্রহাতে পথরোধ করে এলোপাতাড়ি মা’রপিট শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, তাদের ধা’রালো অ’স্ত্রের আ’ঘাতে অন্তুর বাম হাতের চারটি আঙুল কে’টে চামড়ার স’ঙ্গে ঝুলে থাকে। তার চি’ৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা পা’লিয়ে যায়। স্থানীয়রা গু’রুতর আ’হত অবস্থায় অন্তুকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হাত থেকে আঙুল বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) মো. আছাদুজ্জামান বলেন, যুবলীগ নেতার বাম হাতের আঙুল কে’টে নেয়ার ঘ’টনায় আ’হতের বাবা আবুল হাসান বা’দী হয়ে থানায় মা’মলা দা’য়ের করেছেন। মা’মলায় তিনজন এজাহারনামীয় ও অ’জ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আ’সামি করা হয়েছে। আ’সামিদের গ্রে’ফতারে অ’ভিযান শুরু করেছে পু’লিশ। তবে এখনো কাউকে গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here