অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীও রেহাই পায়নি প্রদীপের হাত থেকে

0
351

প্রদীপ’ আলো দিলেও নিচে থাকে অন্ধকার। টে’কনাফ থা’নার ওসি প্রদীপ কুমার দাশও ঠিক তেমন। যার অ’ত্যাচা’রে অ’তিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। প্রদীপের বি’রুদ্ধে কথা বললেই ফাঁ’সানো হতো মা’দক কিংবা বিভিন্ন মা’ম’লায়। আবার কাউকে ক্র’সফায়া’রের ভ’য় দেখিয়ে আদায় করতেন মো’টা অংকের টাকা।

প্রদীপ কুমার দাশের এসব অ’ত্যাচা’র থেকে রেহাই পায়নি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীও। বাবার ও’পর নি’র্যাত’নের প্র’তিবাদ করেছিল মে’য়েটি। তাই কি’শোরীকে থা’নায় তুলে নিয়ে করা হয় যৌ’ন হ’য়রা’নি। এখানেই ক্ষা’ন্ত হননি ওসি প্রদীপ। তার দেয়া মা’মলায় এক বছর ধরে কা’রাব’ন্দি বাবা-মে’য়ে। নি’র্যাত’নের শি’কার কি’শোরী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হলেও পু’লিশের কাগজপত্রে দেখানো হয় ১৯ বছর।

জানা গেছে, বাবার ও’পর নি’র্যাত’ন করে পু’লিশ। আর সেই নির্যা’ত’নের প্র’তিবাদ করে মে’য়ে। এতে ক্ষি’প্ত হয়ে তাকে থা’নায় তুলে নিয়ে নি’র্যাত’ন করা হয়। পরে মে’য়েকে ছাড়াতে পাঁচ লাখ আর বাবার জন্য ৪০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ১৫ লাখ টাকা দেয়ার পর কি’শোরীর মাকেও গ্রে’ফতার করা হয়।

এছাড়া পুরো পরিবারের নামে ১০টি মা’মলা দেয়া হয়। বাবাকে গ্রে’ফতারের পর থেকে আ’দালতে পাঠানোর মাঝখানের ১৮ দিনের কোনো রেকর্ড নেই। এতদিনেও পু’লিশের চার্জশিট না দেয়া আর কিশোরীর ব’য়স অনুযায়ীই জা’মিন পাওয়া উচিত বলে মনে করছেন মা’নবাধিকার কর্মীরা।মা’নবাধিকার কর্মী সালমা আলী বলেন, ১২০ দিনের ভে’তরে যখন চার্জশিট হচ্ছে না, তখন আ’দালত চাইলে জা’মিন দিতে পারেন। কক্সবাজার আ’দালতের পিপি ফরিদুর আলম বলেন, এসব মা’মলাগুলো নজরে আনা হবে। যেভাবে ন্যায়বিচার দেয়া যায় তা দেখছি আমরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here