এক লোক খুব সুন্দরী এক মেয়েকে বিয়ে করেছিল। সে তার বউকে প্রচন্ড ভালবাসতো হঠাৎ একদিন

0
131

এক লোক খুব সুন্দরী এক মেয়েকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর ঐ ব্যক্তি তার বউকে প্রচন্ড ভালবাসতো।তাদের সংসার খুব সু’খের ছিল। দু’জন দু’জনকে প্রচন্ড ভালবাসতো।

কিন্তু হঠাৎ এলাকায় এক ধরনের “চামড়ার রো’গ” ম’হামা’রী আঁকার ধারণ করলো। হঠাৎ একদিন সুন্দরী মেয়েটার শ’রীরে ঐ রো’গের লক্ষণ দেখা দিল। মেয়েটা বুঝতে পারলো এই রো’গ তার পুরো শ’রীরের চামড়ায় ছড়িয়ে পড়বে এবং সে তার সৌন্দর্য হারাবে।

যেদিন মেয়েটার শ’রীরে এই লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। সেই দিন মেয়েটার স্বা’মী অফিস থাকে বাড়ি ফেরার পথে এক্সিডেন্ট করলো। এই এক্সিডেন্টের পর লোকটা তার দু’চোখের দৃষ্টিশ’ক্তি হারায়। দৃষ্টিশ’ক্তি না থাকা সত্যেও লোকটার সাথে মেয়েটার সংসার সুন্দর ভাবে চলতে থাকে।

এদিকে রো’গের কারণে দিনের পর দিন মেয়েটার চেহারা কুৎসিত হতে থাকে। কিন্তু অন্ধ স্বা’মী বুঝতে পারে না, তার স্ত্রী দেখতে কতটা বিশ্রী হয়েছে।

এভাবে চল্লিশ বছর তাদের সংসার সু’খে শান্তিতে চলতে থাকে। তাদের চল্লিশ বছরের সংসারে ভালবাসা, সু’খ, প’রস্পরের নির্ভরশীলতা একই রকম রকম ছিল, যেন তারা সদ্য বিবা’হিত দম্পতি।

এভাবে চলতে চলতে, একদিন বৃদ্বা ম’হিলা মা’রা গেল। স্ত্রীর মৃ’ত্যুতে অন্ধ লোকটা খুবই দুঃখ পেল, ভেঙ্গে পড়লো। কিন্তু দুনিয়াবী জীবনে কোন কিছুই চিরস্থায়ী না।

সবাইকেই একদিন না একদিন ইহকালের জীবন ছেড়ে আখিরাতের জীবনে চলে যেতে হবে। অন্ধ লোকটা যখন তার প্রিয়তমা স্ত্রী’কে কবরে শায়িত করে ফিরে আসছিল।

তখন পিছন থেকে একজন ব্যক্তি অন্ধ লোকটাকে প্রশ্ন করলো, “কোথায় যাচ্ছ?” অন্ধ লোকটি উত্তর দিল, “সে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে যে বাড়িতে তার স্ত্রী এতো বছর তারসাথে সংসার করেছে।” এই কথা শুনে, প্রশ্নকারী লোকটি অন্ধ লোকটিকে বললো, “তুমি কিভাবে একা একা বাড়ি ফিরবে!

তুমি তো অন্ধ!” অন্ধ লোকটি উত্তর দিল, “সে একাই বাড়ি ফিরতে পারবে কারণ আদতে সে অন্ধ নয়। সে সব কিছুই দেখতে পায়।” এতো বছর সে তার স্ত্রীর সামনে অন্ধের অভিনয় করেছিল। কারণ সে যখন জানতে পেরেছিল তার স্ত্রী স্কিন ডিজিজে আ’ক্রান্ত হয়েছে, তখন সে এটা ভেবে ভ’য় পেয়েছিল যে, তার স্ত্রী হয়তো হীনম্মন্যতায় ভুগবে।

হয়তো মনে মনে ভাববে তার স্বা’মী তাকে আগের মতো ভালবাসে না। নিজের অবস্থার জন্য ক’ষ্ট পাবে। তার স্ত্রী যেন নিজেকে কখনো ছোট অযোগ্য না ভাবে তাই সে চল্লিশ বছর একই ভাবে স্ত্রী’কে ভালবেসেছে অন্ধের অভিনয় করে। সৌন্দর্য, সম্পদ আল্লাহ চাইলে এসব কিছু আমাদের কাছ থেকে নিয়ে নিতে পারেন।

আজ যে ধ’নী কাল সে গরবী হতে পারে! আজ যার রূপে আ’গুন জ্ব’লে কাল তার রূপ হারিয়ে যেতে পারে। কারণ পার্থিব এইসব কিছুই দুনিয়াবী পরীক্ষার উপকরণ। সুন্দরী, ধ’নী কাওকে বিয়ে করার পর হয়তো স্ত্রীর সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে পারে কিংবা ধ’নী স্বা’মী গরীব হয়ে যেতে পারে। তখন অধিকাংশই বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ভাবে।

কিন্তু আমরা যদি আমাদের জীবনস’ঙ্গীর ছোটখাটো খুঁত, ভু’ল গুলোকে বড় করে না দেখে সেগুলো একটু মানিয়ে চলি তাহলে আমাদের দাম্পত্য জীবন অনেক সু’খের হয়…………… আরবের একটি প্রচলিত গল্প অবলম্বনে,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here