ভাত বেড়ে না দেয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী’কে হ’ত্যা, স্বা’মীকে পু’লিশে দিল প্রথম স্ত্রী

0
55

ভাত বেড়ে না দেয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী’কে হ’ত্যা, স্বা’মীকে পু’লিশে দিল প্রথম স্ত্রীসামান্য কথা নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী’কে খু’ন করে প্রথম স্ত্রীর কাছে বাঁচতে গিয়েছিল স্বা’মী। কিন্তু প্রথম স্ত্রীই সেই পা’ষ’ণ্ড স্বা’মীকে তুলে দেন পু’লিশের কাছে। ভাত বেড়ে না দেওয়া নিয়ে কথা কা’টাকাটির একপর্যায়ে দ্বিতীয় ‘স্ত্রী’-কে হ’ত্যার করেছিলেন বলে অ’ভিযোগ উঠেছে। তারপর ভারতের ঝাড়খণ্ডের দুমকা থেকে প্রায় একশ ২০ কিলোমিটার সাইকেল চা’লিয়ে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় প্রথম স্ত্রী লেবুনি চালকের কাছে গিয়ে উঠেছিলেন মহাবীর চালক ওরফে জিয়া।

কিন্তু নি’হত বধূ ছায়া মাজির (৩২) ম’রদে’হ নিয়ে ভাইয়ের কাছে গিয়ে হাজির হন অ’ভিযুক্তের ভাই। ব্যাপার জেনে পাড়ার লোকজনদের ডেকে স্বা’মীর ‘কু’কর্মের’ কথা জানিয়ে দেন লেবুনি। পু’লিশেও খবর দেওয়া হয়। গত রবিবার রাতে পু’লিশ গুসকরার বাগানপাড়া থেকে গ্রে’প্তার করে জিয়াকে। গতকাল সোমবার দুমকা থানার পু’লিশ এসে নিয়ে যায় তাকে।

পূর্ব বর্ধমানের ডিএসপি (ডিঅ্যান্ডটি) অরিজিৎ পাল চৌধুরী জানান, রবিবার রাতে গুসকরা কুনুর নদীর সেতুর নীচে প্লাস্টিকে মোড়া এক না’রীর মৃ’তদে’হ উ’দ্ধার করা হয়। রাতেই জানা যায়, ম’রদে’হ ছায়া মাজির।

দুমকা পু’লিশের স’ঙ্গে যোগাযোগ করে সোমবার অ’ভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বাড়িতে স্ত্রী এবং তিন ছেলেমে’য়ে থাকলেও বছর দেড়েক আগে ভাতারের ওরগ্রামের বাসিন্দা ছায়াকে নিয়ে বাড়ি ছাড়েন ৩৫ বছর ব’য়সী জিয়া। মাঠের কাজ করতে করতে আলাপ হয়েছিল তাদের। ছায়ার স’ঙ্গে তার বছর দশেকের ছোট ছেলেও যায়।

বিয়ে করে বর্ধমান, ফারাক্কার মতো বিভিন্ন জায়গা ঘুরে মাসখানেক আগে দুমকা জে’লার কুসুমডি এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করেন তারা। জিয়া স্থানীয় একটি ইটভাটায় ট্রাক্টর চালাতেন। ওই এলাকায় থাকেন জিয়ার ভাই অর্জুন চালক।

নি’হত না’রীর ছেলেও তার কাছেই থাকে। পু’লিশ বলছে, ছায়াকে হ’ত্যা করা হয়েছে জানার পর ২২ আগস্ট অর্জুনই দুমকা থানায় অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন। ম’য়নাত’দন্তের পর ম’রদে’হ তার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই ম’রদে’হ নিয়েই অ্যাম্বুল্যান্সে করে রবিবার গুসকরায় হাজির হন তিনি।

কিন্তু কেউ ম’রদে’হ নিতে রাজি না হওয়ায় গুসকরার রটন্তী কালীতলায় কুনুর নদীর সেতুর নিচে ম’রদে’হ ফে’লে রেখে তিনি পালান। যদিও অর্জুন গতকাল দাবি করেন, জিয়ার জিম্মায় ছায়ার ম’রদে’হ দিয়েছিলেন তিনি। লেবুনির দাবি, দিন তিনেক আগে সাইকেলে করে জিয়াকে বাড়িতে আসতে দেখে অবাক হয়েছিলেন। জিয়া কিছু না বললেও, রবিবার সন্ধ্যায় অর্জুন ওই না’রীর দে’হ আনার পর সব ফাঁ’স হয়ে যায়।

তার দাবি, ম’রদে’হ আনার পর আমার স্বা’মী পা’লিয়ে গিয়ে কুনুর নদীর ধারে একটা জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ে। বৃষ্টির মধ্যে স্বা’মীকে খুঁজে এনে পাড়ার ক্লাবের ছেলেদের বি’ষয়টি জানাই। গুসকরা ফাঁড়ির পু’লিশের দাবি, জি’জ্ঞাসাবাদে জিয়া তাদের জানিয়েছেন, ভাত দেওয়া নিয়ে ঝ’গড়ার জেরে ছায়াকে চড় মে’রে, গ’লা টি’পে ধরেন তিনি। তাতেই ছায়া মা’রা যান।

আরএএস/সাএ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here