ঘুম বেশি হলেও ক্ষ’তি, জেনে নিন আদর্শ নিয়ম

0
62

কথায় আছে ঘুম নাকি পৃথিবীর স্বর্গ। অবশ্য ঘুমের পরিমাণ বেশি হলে স্বর্গ আর স্বর্গ থাকে না। অন্যদিকে পর্যা’প্ত ঘুম না হলেও স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর। তাহলে চিকিৎসাশাস্ত্রে ঘুমের আদর্শ নিয়ম আছে।

বেশি ঘুমের কারণে শ’রীরে ডায়াবেটিস এবং হা’র্টের বড় ধরনের স’মস্যা হতে পারে। তাছাড়া এতে মৃ’ত্যুঝুঁ’কিও বেড়ে যায়। সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসরা বরাবরই একজন প্রা’প্তব’য়স্ক মানুষকে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেন।

গবে’ষণায় দেখা গেছে, কম ঘুমানোর কারণে কর্ম’দক্ষ’তা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বি’ষণ্নতা জেঁকে বসে। তাই সুস্থ থাকতে পরিমিত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

মা’র্কিন গবে’ষণা থেকে জানা গেছে, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ঘুম উভ’য়ের ফলে হৃদরো’গ, স্থুলতা, উ’দ্বেগসহ নানাবিধ স’মস্যা দেখা দেয়। এছাড়া ডায়াবেটিস ও উচ্চ র’ক্তচা’পের আ’শঙ্কাও বেড়ে যায়।

প্রায় ৫০ হাজার মানুষের ও’পর গবে’ষণা চা’লিয়ে দেখা যায়, অপর্যা’প্ত ঘুম মানুষের শা’রীরিক ও মা’নসিক উভ’য় দিকে বেশি প্রভাব ফে’লে। এর কারণে কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিজ ও ওবেসিটি দেখা দেয়। এসব স’মস্যা অবশ্য পর্যা’প্ত ঘুমের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব। আবার ঘুমের মাত্রা বেশি হলে হৃদরো’গ, স্থূলতা, উ’দ্বেগ নানাবিধ স’মস্যা দেখা দেয়।

ঘুমের কারণে মানুষের যা হতে পারে:

* বেশি ঘুমের কারণে আপনার শ’রীরে বাসা বাঁধতে পারে ডাাঁবেটিস, উচ্চ র’ক্তচা’প।
* বেশি ঘুমের কারণে কোম’রে, পিঠে যন্ত্রনা হতেও দেখা যায় অনেকের।

* মা’নসিক অবসাদে থাকা মানুষ অনেক সময় বেশি ঘুমায়। বেশি ঘুমে মা’নসিক অবসাদ আরও বেড়ে যায়।
* অতিরিক্ত ঘুমে হা’র্ট অ্যা’টাকের প্রবণতা দ্বিগুণ বাড়ায়। তাই ওভারস্লিপিংয়ের অভ্যস থাকলে আজই তা ত্যাগ করুন।
* যাদের বেশি সময় ধরে ঘুমের অভ্যাস, একদিন কম ঘুমালেই, তাদের মাথা য’ন্ত্রণার মতো স’মস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

* দীর্ঘক্ষণ শোয়ার ফলে হাঁটা-চলা বা কোনো রকম মুভমেন্ট হয় না, ফলে মেদ বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।
* খুব কম বা খুব বেশি সময়ের ঘুম মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষ’মতা হ্রাস করে।
* না’রীরা পাঁচ ঘণ্টার কম অথবা ৯ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে নিয়মিত ঘুমালে দুই বছরে তাদের মগজের কর্মক্ষ’তা কমে যেতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here