পাওয়া গেল নীলিমা রিসোর্টে সিনহার রুমে পু’লিশের অ’ভিযানের সেই দিনের ভিডিও

0
203

পু’লিশের অ’ভিযানের পর নীলিমা রিসোর্ট থেকে গায়েব হওয়া মেজর অবসরপ্রা’প্ত সিনহা রাশেদের ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্কের সন্ধান মেলেনি এখনও।

যদিও অ’ভিযান চলাকালে ভিডিও ফুটেজে এসবের অস্তিত্ব ছিলো বেশ স্পষ্ট। এমন কী ওই রিসোর্ট থেকে পি’স্তলের কিছু গু’লি উ’দ্ধার হলেও তা নেই ওখানকার জ’ব্দের তালিকায়। তা দেখানো হয়েছে ঘ’টনাস্থল থেকে গু’লি উ’দ্ধার হিসেবে।

সিনহা হ’ত্যার দৃশ্য বর্ণনা দিলেন স’ঙ্গে থাকা সিফাত

অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা হ’ত্যার সময়কার ঘ’টনার বর্ণনা দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের। তিনি জানান,গত ৩১ জুলাই, কক্সবাজার শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত এপিবিএন সদস্যদের তল্লাসি চৌকিতে গাড়ি থামান মেজর অবসরপ্রা’প্ত সিনহা মো. রাশেদ খান। জি’জ্ঞাসাবাদ শেষে তারা ছেড়ে দিলেও ড্রাম ফে’লে পথ রোধ করে টেকনাফ থানা পু’লিশ।

সিফাত বলেন, ‘আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিল, সম্ভবত এটা তারা ভু’ল বুঝতে পারে। গাড়িতে নামার সময় আমাদের হাতে কোনো অ’স্ত্র ছিল না।’

মেজর (অবঃ) সিনহার সফরস’ঙ্গী সিফাত বলেন, ‘গাড়ি থেকে নামতেই গু’লির শব্দ, তারপর মাটিতে লু’টিয়ে পড়ার দৃশ্য। যেন কল্পনাকেও হার মানায় সেদিনের ঘ’টনা।’

সিফাত বলেন, ‘উনি (সিনহা) নামার সময়ে দুই হাত উঁচু করে নামেন। এরপর আমি পিছনে চলে যাই। কিন্তু গাড়ির কারণে আমি আর কিছু দেখতে পারি নাই। যখন নামেন তখন বলেন, কাল্ম ডাউন, কাল্ম ডাউন আওয়াজ শুনতে পাই। যে অফিসার ব’ন্দুক তাক করেছিলেন (তিনি বলছিলেন)। এর ভিতরে গু’লির শব্দ শুনি। পরে দেখি সিনহা সাহেব শুয়ে পড়েন; আমি ভাবছি; হয়-তো উনার শ’রীরে গু’লি লাগেনি। ফাঁকা আওয়াজ হয়েছে। তারপর দেখি উনার শ’রীর থেকে র’ক্ত বের হচ্ছে।’

সিফাতের দাবি, সিনহার ব্যক্তিগত অ’স্ত্রটিও ছিল গাড়িতে, সিনহা নেমেছিলেন হাত উঁচু করেই।

সেদিনের পুরো ঘ’টনার সাক্ষী সিফাত গত ১০ আগস্ট কক্সবাজার কা’রাগার থেকে জা’মিনে মুক্তি পান। যদিও পুরো ঘ’টনা সবার সামনে তুলে ধরতে ক্ষানিকটা সময়ও চেয়েছেন সিনহার স’ঙ্গী সিফাত ও শিপ্রা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here