বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসতে হলে কোনো দল করতে হয় না: হাবিব উল্লাহ ডন

0
70

ঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসতে হলে কোনো দল করতে হয় না: হাবিব উল্লাহ ডন
পিতা, মাতা ও পরিবারের সব সদস্যকে হা’রানো শো’ককে বুকে নিয়েই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এই ক’রোনা কালেও সাহসী ভূমিকার কারণে একজন মানুষও না খেয়ে ম’রেনি। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

রোববার আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সং’সদের হুইপ এবং শেরপুর সদর আসনের সং’সদ সদস্য আতিউর রহমান আতিক, সং’সদ সদস্য এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার এবং এফবিসিসিআই পরিচালক হাবিব উল্লাহ ডন। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন সাবেক ত’থ্য স’চিব নাসির উদ্দিন।

হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, আমি তখন ধানমন্ডি বয়েস হাই স্কুলে পড়ি। তখন ১৭ মার্চের জ’ন্ম’দিনে আমাদের স্কুলের পক্ষ থেকে ৪২ জনকে বঙ্গবন্ধুর বাসায় যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সৌভাগ্যক্রমে আমি সেই ৪২ জনের মধ্যে একজন ছিলাম। তারপর আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধুকে সামনে পেলে পা ছুঁয়ে সালাম করতে। তারপর ১৭ মার্চ আমরা বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে গিয়ে অপেক্ষা করছিলাম।

তখন অপেক্ষা করছিলাম শিক্ষকদের সাথে। তখন বাড়ির সামনে দোলনায় বসেছিলেন শেখ কামাল সাহেব। উনি আমাদের শিক্ষকদেরসহ সবাইকে ডেকে বলেছিলেন, তোমরা স্কুলে কি খেলাধুলা করো? আমরা বলেছিলাম, করি। বলেছিলাম, আমাদের একটা বল আছে। আর একটা বল ছিঁড়ে গেছে।

তখন কামাল ভাই, আমাদের শিক্ষকদের বললেন, আবহানী মাঠে যেতে। সেখান থেকে আমাদের বল দেয়া হয়েছিল। এরপর বঙ্গবন্ধু নিচে নেমে এসে গমগম গ’লায় বলেছিলেন, আমার ছেলেরা কোথায়? তিনি আমাদের খেলাধুলা, পড়াশুনো করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকালেই আমরা গু’লির আওয়াজ শুনতে পাই। তখন আমরা ঝিগাতলাতে থাকি।

এরপর আমি অনেক বছর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাইনি। সর্বশেষ ২০১০ সালে গিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টে মিনিবাস দেয়ার সময়। তখন সাথে যারা ছিলেন তাদের বলেছিলাম, বঙ্গবন্ধু এবং শেখ কামাল ভাইয়ের সাথে এখানেই আমার দেখা হয়েছিল।

আমি সৌভাগ্যবান যে, বঙ্গবন্ধুকে এই ক্ষুদ্র জীবনে দেখতে পেরেছিলাম। আজকের বাংলাদেশের দিকে যদি তাকান, তাহলে সর্বত্রই উন্নয়ন দেখতে পাবেন। আমি ব্যবসায়ী হিসাবে বলছি, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসতে হলে কোনো দল করার প্রয়োজন নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কারণে দেশের প্রবৃ’দ্ধির ধারা উন্নতির দিকে রয়েছে। তিনি ক’রোনাকালীন সময়ে প্রথম সারির যোদ্ধা।

তার নেতৃত্বের কারণেই ক’রোনায় একজন মানুষও না খেয়ে মা’রা যায়নি। ক’রোনার সময় তিনি সাহস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আমাদের সাহস দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here