vযে চার ধরনের শা’রীরিক মি’লন ইসলামে নি’ষিদ্ধ – সকল মু’সলমানদের জানা উচিৎ

0
276

স’হবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বা’মী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রা’ণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষ’তি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বা’মী -স্ত্রী’কে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গ’র্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বা’মী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বা’মীর শ’রীর দ্বারা স্ত্রীর শ’রীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরাম’দায়ক। এতে স্ত্রীরও ক’ষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গ’র্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।

বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বা’মী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।

কেননা এতে পুংলিংগে বী’র্য আ’টকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে ক’ষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আ’নন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

স্বা’মী-স্ত্রী স’হবাসে উভ’য়ের বী’র্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মি’লিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বা’মী উপরে থাকবে। তাতে বী’র্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বী’র্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বী’র্য বাহিরে পড়লে গ’র্ভ সঞ্চার হয় না। স’হবাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বা’মী স্ত্রীর দুই জনের যৌ’না’ঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বা’মী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।

সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আ’নন্দের নেয়ামত স্বা’মী-স্ত্রীর স’হবাস। স্বা’মী-স্ত্রীর স’হবাসের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সু’খের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে। আল্লাহ স’হবাসের আহবায়ক করেছেন পুরু’ষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহজাতভাবে স’হবাসের জন্য তাড়িত হয় না।

কেবলমাত্র যখন তার স্বা’মী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রীর দে’হ-মনে স’হবাসের কামনা জেগে উঠে। স্বা’মীর পু’রুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও স’হবাসকালীন যো’নিগহবরে প্রবেশের উপযুক্ততা অর্জনের জন্য শ’ক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।

সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে একফোঁটা বী’র্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মিলিলিটার পরিমাণ বী’র্যপাত হয়, যা ঘনীভূত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ক্বোর’আনের বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ক্বোর’আনের সত্যতা প্রমাণ করে। তবে অনেক স্বা’মীর বী’র্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বারো ফোঁটা পর্যন্ত বী’র্যও স’হবাসে নির্গত হতে পারে।

তবে স’ন্তান জ’ন্ম’দানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রীর গ’র্ভে শুকিয়ে যাবে।

স’হবাসকে সার্থক ও আ’নন্দদায়ক করে তুলতে স্বা’মী-স্ত্রী উভ’য়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

স্ত্রী যদি অকার্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বা’মীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই স’হবাসে স্ত্রীও আ’নন্দ পায় না, স্বা’মীও স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে, এমনকি পরনা’রীর প্রতি আকর্ষণ পর্যন্ত এভাবেই জ’ন্মায়। তাই স’হবাসকালীন স্ত্রীর করণীয় সম্প’র্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল না’রীরই কর্তব্য।

স’হবাস অন্তে স্বা’মী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। এই সময় স্বা’মীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রীর প্রতি তার মহব্বত অত্যন্ত বৃ’দ্ধি পায়। স’হবাসের পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বা’মীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বা’মীর শ’রীরের বিভিন্ন স্থানে চু’ম্বন করবে।

প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চু’ম্বন ও স্পর্শ স্বা’মীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শ’রীরেও সোহাগ করবে। তবে না’রীসুলভ কোমলতায়। স্বা’মী উ’গ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রীর উচিত হবে স্পর্শে কোমলতা বজায় রাখা।

তবে চু’ম্বনে স্বা’মীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চু’ম্বনের প্রতিযোগিতা করবে। স্বা’মীকে আদরের সময় মৃদুভাবে অণ্ডথলিতে স্পর্শ করে রাখলে স্বা’মী স্ত্রীর ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও অতি মৃদু আ’ঘাতেও মা’রাত্মক য’ন্ত্রণা হতে পারে।

স্বা’মীর আ’নন্দ স্ত্রীর যো’নিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বা’মী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রীর আ’নন্দ স’হবাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বি’ষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বা’মীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চা’হিদা স্বা’মীর গোচরে আনতে হবে। ২৫ বছরের কম বয়সী পুরু’ষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মি’লন করতে পারে না। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাবধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্ত’প্ত হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মি’লনে পুরু’ষ তত বেশি সময় নেয়।

কিন্তু বয়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জা’গ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাবধানও বাড়তে থাকে। এক না’রী কিংবা একপুরু’ষের সাথে বার বার মি’লন করলে যৌ’ন মি’লনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মি’লনে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নি’য়মিত মি’লনে একে অপরের শ’রীর এবং ভাললাগা/ মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভ’ঙ্গি, সু’খ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্প’র্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগে না – তাই পর না’রী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যুক্তি ভিত্তিহীন। পরকীয়া আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বং’স করছে।

মাত্র কয়েক মিনিটের কাম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের সম্প’র্কে অবিশ্বাসের কালো দাগ লাগাবেন কেন? আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সে’ক্স করতে হয়।

তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বি’ষয়ে বহু কিছু জানে। ঠোট না’রীদে’হের সবচাইতে যৌ’নত্তেজক অ’ঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র না’রীদে’হ উ’ত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জো’রালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে।

মেয়েটি তার স’ঙ্গীর গালে, গ’লায়, বুকে, কান এদের স্পর্শ করলে ছেলেটি যেমন আ’নন্দ পায়, তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আ’নন্দ লাভ করে। অনেক পর্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগুলো ছেলেদের লি’ঙ্গ চু’ষতে খুব পছন্দ করে। বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছেলেদের লি’ঙ্গ শুধু তাকে আ’নন্দ দেওয়ার জন্যই চু’ষে না। সে নিজেও এতে আ’নন্দ পায়। এর মূ’ল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্পর্শকাতরতা। ছেলেটির দে’হের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্পর্শ করে সে যে আ’নন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছেলেটির লি’ঙ্গের স্পর্শে তার আ’নন্দ হয়। মেয়েদের যৌ’ন চা’হিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ।

কি’শোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌ’ন ই’চ্ছা সবচেয়ে বেশী। ‘ইসলামে না’রীদের যৌ’ন চা’হিদার কোন মূ’ল্য নেই’, ‘ইসলামে পুরু’ষকে স্ত্রীর ও’পর যথেচ্ছ যৌ’নাচারের ফ্রি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে’, ‘ইসলামে যৌ’ন অধিকার একতরফাভাবে পুরু’ষকে দেওয়া হয়েছে’ এই জাতীয় অভিযোগ সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কেউ আশা করি করবেন না।

সূরা বাকারার ২২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ই’চ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।

ম’দিনার ইহুদিদের মধ্যে একটা কুসংস্কার এই ছিল যে, কেউ যদি তার স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে যো’নিপথে স’ঙ্গ’ম করত তবে বিশ্বাস করা হতো যে এর ফলে ট্যারা চোখবিশিষ্ট স’ন্তানের জ’ন্ম হবে। ম’দিনার আনসাররা ইসলামপূর্ব যুগে ইহুদিদের দ্বারা যথেষ্ট প্রভাবিত ছিল। ফলে আনসারগণও এই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিলেন।

মক্কাবাসিদের ভে’তর এই কুসংস্কার ছিল না। মক্কার মুহাজিররা হিজরত করে ম’দিনায় আসার পর, জনৈক মুহাজির যখন তার আনসার স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে স’ঙ্গ’ম করতে গেলেন, তখন এক বিপত্তি দেখা দিল।

আনসার স্ত্রী এই পদ্ধতিকে ভু’ল মনে করে জানিয়ে দিলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অনুমতি ব্যতিত এই কাজ তিনি কিছুতেই করবেন না। ফলে ঘ’টনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছে গেল।

এ প্রস’ঙ্গেই কুরআনের আয়াত (২:২২৩) নাযিল হয়, যেখানে বুঝানো হচ্ছে- সামনে বা পেছনে যেদিক দিয়েই যো’নিপথে গমন করা হোক না কেন, তাতে কোন সমস্যা নেই। শস্যক্ষেত্রে যেদিক দিয়ে বা যেভাবেই গমন করা হোক না কেন তাতে শস্য উত্পাদনে যেমন কোন সমস্যা হয় না, তেমনি স্বা’মী তার স্ত্রীর যো’নিপথে যেদিক দিয়েই গমন করুক না কেন তাতে স’ন্তান উত্পাদনে কোন সমস্যা হয় না এবং এর সাথে ট্যারা চোখবিশিষ্ট স’ন্তান হবার কোন সম্প’র্ক নেই।

বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক নিয়মে স’হবাস করার পর ভিন্ন ভিন্ন আসনে চেষ্টা করে দেখতে হবে নিজেদের সবচাইতে উপযুক্ত আসন কোনটি এবং কোন আসনে প’রস্পরের সর্বাধিক সু’খ বোধ হয়। তারপর সেই আসনেই সর্বদা মি’লিত হবে। কেননা ভিন্ন ভিন্ন আসনে স’হবাস অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্বা’মী আ’নন্দ পাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রী সু’খ বোধ করছে না, অথবা স্ত্রী সন্তুষ্ট, কিন্তু স্বা’মী সু’খী নয়, এরূপ আসন নির্বাচন করা যাবে না। তাতে দাম্পত্য জীবনে আ’নন্দের ঘাটতি দেখা দিবে।

স্বা’মী কোন নির্দিষ্ট আসনে স’হবাস না করে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন আসনে স’হবাস করে, এরূপ হলে স্ত্রীর বুঝতে হবে সে স্বা’মীকে পূর্ণাঙ্গরূপে তৃ’প্ত করতে পারছে না, যা একজন পুরু’ষ চায়। তখন স্বা’মীকে পূর্ণ তৃ’প্তি দিতে সচেষ্ট হতে হবে।

নবী’জী (সঃ) আরো বলেছেন, জানোয়ারের মত হঠাত করে স্ত্রীর উপর কেউ ঝাঁপিয়ে পড়বে না, বরং তার উচিত হলো প্রথমে চুমু খেয়ে আলি’ঙ্গন করে এবং মিষ্টি মধুর কথায় তাকে আ’গ্রহী করে তোলা।

বী’র্যপাতের পর সাথে সাথে স্বা’মী সরে যাবে না বরং ঐ অবস্থাতেই কিছুক্ষণ পড়ে থাকবে। যাতে স্ত্রীর চা’হিদা পুরা হয়ে যায়। কেননা কোন কোন ম’হিলার বী’র্যপাত দেরীতে হয়। তারপর স্বা’মী-স্ত্রী উভ’য়েই আলাদা আলাদা কাপড় দিয়ে লজ্জাস্থান মুছে পৃথক হয়ে যাবে।

আমি দুনিয়ার সম্পদ চাই না , আমার স্বা’মীকে চাই ’ – এ সব কথা যে স্ত্রী বলেন তিনি কি সু’খী না অসু’খী ? যে কোন বিবেকবান মানুষ বলবেন এসব স্বা’মী গর্বে গর্বিতা সু’খী স্ত্রীর মনের কথা । বাইবেলের পুরাতন সমাচারে আছে স্রষ্টার ছেলে দাউদ বৃ’দ্ধ বয়সে মৃ’ত্যুশয্যায় শুয়ে অল্পবয়সের কুমারীকে বিয়ে করেছিলেন ।

এটা প্রমাণ করে যে মেয়ের বয়স কম হওয়া বা স্বা’মী – স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান বেশী হলেও সেটা ইয়াহুদী বা খ্রিস্টানদের বিয়েতে কোন বা’ধা নয় । খ্রিস্টানদের প্রভু যিশুর কুমারী মা মেরীর সাথে জোসেফের যখন বিয়ে হয় , তখন সেই যুগের রীতি অনুসারে মেরীর বয়স খুব বেশী হলে ১৩/১৪ ছিল ; জোসেফের বয়স ছিল ত্রিশের বেশী ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here