পুরু’ষ সং’কটে ইউরোপের ৬ দেশ

0
174

ইউরোপের কয়েকটা দেশ আছে যেগুলোতে না’রী ও পুরু’ষের শতকরা হারের মধ্যে অনেক গড়মিল রয়েছে। রাশিয়া, লাটভিয়া, বেলারুশ, লিথুনিয়া, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন এই দেশগুলোতে পুরু’ষ থেকেও না’রীর সংখ্যা বেশি।

লাটভিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৮.০। লিথুনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৭.২। আর্মেনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৫.৫। রাশিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৫.৩। বেলারুশে প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৫.২। ইউক্রেনে প্রতি ১০০ জন পুরু’ষের তুলনায় না’রীর সংখ্যা ১১৫.৮৭।

এর মধ্যে বাল্টিক রাষ্ট্র লাটভিয়া সাবেক কমিউনিষ্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে পুঁজিবা’দী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে প্রায় দুই দশক হতে চললো। কিন্তু, পুঁজিবাদি ব্যবস্থায় লাটভিয় না’রীরা যতটা এগিয়েছেন, ততোটাই পিছিয়ে পড়ছেন সেখানকার পুরু’ষরা। পুরু’ষদের চেয়ে মেয়েরা সেখানে গড়ে এগারো বছর করে বেশী বাঁচছেন। ফলে, তৈরী হয়েছে না’রী-পুরু’ষের মধ্যে এক সামাজিক ভারসাম্যহীনতা।

না’রী-পুরু’ষের এই ভারসাম্যহীনতার প্রকৃষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় লাটভিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে – এখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরু’ষের চেয়ে না’রীর সংখ্যা ৫০% বেশী।

সমাজবিজ্ঞানী বাইবা বেলা বলছেন, এইসব দেশগুলোতে মেয়েরা যে বয়সে সংসার গড়ার জন্য তৈরী হয় সেই বয়সে দেখা যায় ছেলেরা হয় মা’রা যাচ্ছে নয়তো আত্মহ’ত্যা করছে। আর এই আত্মহ’ত্যার সংখ্যা হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক মৃ’ত্যুর চারগুণ।

না’রী-পুরু’ষের ভারসাম্যহীনতা প্রথম বোঝা যায় ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়েসীদের মধ্যে – কারণ ঐ বয়সে যে‘কজন মেয়ে মা’রা যাচ্ছে – তার চেয়ে তিনগুণ বেশী মা’রা যাচ্ছে ছেলেরা। এর অর্থ হচ্ছে, ওই বয়েসীদের মধ্যে গাড়ি দু’র্ঘ’টনা, মা’দকাসক্তি, কর্মস্থলে দু’র্ঘ’টনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ঝুঁ’কি বেশী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here