সাবরিনা সাহেদের নিয়মিত পার্টিতে হত,বেরিয়ে এলো আরও সবকিছু

0
74

ক’রোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রে’প্তার রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্ম’দ সাহেদের স’ঙ্গে জেকেজি’র চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা ছিল।

তারা একে অপরকে আগে থেকেই চিনতেন। নিয়মিত পার্টিতে অংশ নিতেন। সেই পার্টিতে চলতো ডিজে-মা’দক। সাহেদ-সাবরিনা ছাড়া সেই পার্টিতে সমাজের আরো অনেক চেনামুখ অংশ নিতেন।

গো’য়েন্দা কর্মকর্তাদের জি’জ্ঞাসাবাদে সাহেদ ও সাবরিনা একে অপরকে জানাশুনার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। দিয়েছেন আরো অনেক চাঞ্চল্যকর ত’থ্য।

ক’রোনা সনদ জালিয়াতির আইডিয়া সাহেদের কাছ থেকে পেয়েছেন সাবরিনা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কাজ ভাগিয়ে নিতে ব্যবহার করেছেন স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স’রকারদলীয় চিকিৎসক সংগঠনের একাধিক চিকিৎসককে। এ ছাড়া এক ব্যবসায়ীর হোটেল জো’রপূর্বক দ’খল করে ব্যবসা করতেন সাহেদ। ক’রোনাকালে দ’খল করা সেই হোটেলটি স’রকারকে দিয়েছিলেন।

গো’য়েন্দা ও পু’লিশ সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা ৬ নং সেক্টরের পার্কের পাশের মিলিনিয়াম রেস্টুরেন্টটি রাজবাড়ীর এক বাসিন্দার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাপানে ছিলেন। জাপানি এক না’রীকে বিয়েও করেছেন। তার স্ত্রী ও এক মে’য়ে জাপানেই থাকে। দেশে এসে তিনি ওই রেস্টুরেন্টটি করেন।

পরে ২০১৯ সালে যৌথভাবে ব্যবসার জন্য রিজেন্টের সাহেদের স’ঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। চুক্তিতে বেশকিছু শর্তও জুড়ে দিয়েছিলেন। শর্তের মধ্যে ছিল সাহেদকে মাসে মাসে একটা ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু কিছুদিনের মাথায় সাহেদ সেই হোটেলের যাবতীয় নি’য়ন্ত্রণ নিজের কব্জায় নিয়ে নেন।

হোটেলের মূ’ল মালিককে হোটেলে ঢুকতে দিতেন না। হোটেলটির নিচে খাবারের রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখানে জাপানি খাবারের আয়োজন করা হতো।

সূত্র আরো জানিয়েছে, হৃদরো’গ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা চৌধুরী জাপানি খাবার পছন্দ করতেন। তাই তিনি ওই রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে যেতেন। সেখানে সাহেদের স’ঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা। সাহেদের দ’খল করা হোটেলের উপরে আবাসিক ব্যবস্থা ছিল।

তাই প্রায়ই সেখানে আমোদ ফুর্তি ও মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হতো। বিত্তশালীদের আনাগোনা ছিল বেশ। সাবরিনা প্রায়ই এসব পার্টিতে অংশ নিতেন। এরপর থেকে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হতো।

পু’লিশ জানিয়েছে, সাহেদ কিছুদিন হোটেলটি তার কব্জায় রেখে পরিচালনা করেছেন। কিন্তু ক’রোনা পরিস্থিতিতে ওই হোটেলটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে দেন। সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালটি ছিল ক’রোনা ডেডিকে’টেড। তাই সেখানকার চিকিৎসক-নার্সদের সেখানেই রাখা হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জো’রপূর্বক দ’খল করে নেওয়াতে হোটেলের মূ’ল মালিক উত্তরা পূর্ব থানায় সাহেদের বি’রুদ্ধে একটি মা’মলাও করেছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পু’লিশের বিমানবন্দর জোনের সহকারী কমিশনার খন্দকার রেজাউল হাসান বলেন, সাহেদ হোটেলের মূ’ল মালিককে বিতাড়িত করে দ’খল করে নেয়।

ক’রোনাকালে ওই হোটেলটি স’রকারকে দিয়ে দেয়। হোটেলটিতে চিকিৎসক-নার্সরা থাকতেন। শুনেছি ক’রোনার জন্য হোটেল বরাদ্দ দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে টাকা নিয়েছে। তবে আসলেই টাকা তুলেছে কিনা সেটি জানি না। বর্তমানে হোটেলটিতে খাবার ও আবাসিক কোনো ব্যবস্থাই চালু নাই বলে জানান তিনি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here