বেরিয়ে এলো পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর হ’ত্যার মূ’ল র’হস্য

0
221

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর খু’নিকে নিউইয়র্ক গ্রে’প্তার করেছে। হ’ত্যাকারীর নাম টাইরেস ডেভন হাসপিল (২১)। শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রে’প্তার করা হয়। তিনি ফাহিম সালেহর প্রতিষ্ঠিত অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটেলে কাজ করতেন।

নিউইয়র্ক পোস্টর প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহিম সালেহর চীফ অফ স্টাফ হিসেবে কাজ করতেন টাইরেস। অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটেলর সবকিছু দেখভালের সুযোগ নিয়ে টাইরেস প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ১ লাখ ডলার সরিয়ে ফে’লে, যেটি পরে বুঝতে পারেন ফাহিম। তবে ব্যাপারটি পু’লিশকে না জানিয়ে তাকে সুযোগ দেন সেটি ফিরিয়ে দিতে। আর ওই সময় থেকেই ফাহিম সালেহকে হ’ত্যার পরিকল্পনা করেন টাইরেস ডেভন হাসপিল।

সোমবার ফাহিম সালেহর স’ঙ্গে তার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে প্রথমেই তাকে অ’চেতন করে মা’রাত্মকভাবে ছু’রিকাঘাত করেন টাইরেস। পরদিন আবার ওই ফ্ল্যাটে যেয়ে হ’ত্যাকাণ্ডের সব আলামত মুছে ফেলতে ফাহিম সালেহর শ’রীরের বিভিন্ন অংশ কে’টে তা ব্যাগে ভরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেদিন কেউ সেই ফ্ল্যাটে এসে পড়ায় পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করেই পালিয়ে যান হ’ত্যাকারী।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন এলাকার নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিম সালেহর ক্ষ’তবিক্ষ’ত ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। নজরদারি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজে ফাহিমকে সর্বশেষ সোমবার অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে উঠতে দেখা গেছে। তার স’ঙ্গে মাথায় হ্যাট, হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক পরিহিত তারই সাবেক এই কর্মী নিজেকে আড়াল করে লিফটে ওঠেন। লিফটটি সোজা তার অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিটে গিয়ে থেমেছে।

পু’লিশ জানিয়েছে, হ’ত্যাকারীর গত কয়েক দিনের কেনাকা’টার রেকর্ড যাচাই করে তারা দেখেছেন তিনি একটি ইলেক্ট্রিক করাতও কিনেছিলেন কিছুদিন আগে।

এদিকে প্রতিভাবান এই তরুণ উদ্যোক্তাকে হ’ত্যার ঘ’টনায় হাসপিলের বি’রুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার তার বি’রুদ্ধে সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডারের অভিযোগ দা’য়ের করা হয়েছে। নিউ ইয়র্ক পু’লিশ বিভাগকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই ত’থ্য জানায়।

মা’মলাটি ত’দন্তের এনওয়াইপিডির হেট ক্রা’ইম টাস্কফোর্সকে যুক্ত করা হয়েছে। ত’দন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ফাহিমকে সোমবার হ’ত্যা করা হয়েছে। এর একদিন পর মঙ্গলবার তার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়। ত’দন্তে উঠে এসেছে, হাসপিলের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ম্যানহাটনের ওয়েস্ট ২৩ স্ট্রিটের একটি দোকান থেকে অ’পরাধস্থল পরিচ্ছন্ন করার স্যানিটাইজার সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। ফাহিমের লা’শের পাশে যে টিজার পাওয়া গেছে সেটির সিরিয়াল নাম্বারও খু’নি হিসেবে হাসপিলকেই নির্দেশ করে।

বৃহস্পতিবার ম’য়নাত’দন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাহিমের শ’রীরে বেশ কয়েকটি ছু’রিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘাড় ও কাঁধে ছু’রির আ’ঘাতের কারণে তার মৃ’ত্যু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here