ফের চীনের বি’রুদ্ধে ট্রা’ম্পের কড়া পদক্ষেপ

0
70
MIAMI, FLORIDA - JANUARY 03: President Donald Trump speaks during a 'Evangelicals for Trump' campaign event held at the King Jesus International Ministry on January 03, 2020 in Miami, Florida. The rally was announced after a December editorial published in Christianity Today called for the President Trump's removal from office. (Photo by Joe Raedle/Getty Images)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হংকংয়ের স’ঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ছিন্ন করে চীনকে কড়া বার্তা দিলেন ট্রা’ম্প। পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হু’মকি দিয়েছে চীন। খবর ডয়চে ভেলে’র।

অ্যামেরিকা-চীন বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। হংকংয়ের স’ঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগ বন্ধের কথা ঘোষণা করলেন মা’র্কিন প্রে’সিডেন্ট ডনাল্ড ট্রা’ম্প। সম্প্রতি হংকংয়ের আন্দোলন স্তব্ধ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে চীন।

হংকংয়ে বিশেষ নিরাপত্তা আইন জারি করা হয়েছে। তার জেরেই ট্রা’ম্পের এই পদক্ষেপ। অ্যামেরিকার এই ঘোষণার তীব্র নি’ন্দা করেছে চীন। অ্যামেরিকার বি’রুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ারও হু’মকি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রা’ম্প হংকং প্রস’ঙ্গে দু’টি বি’ষয়ের কথা জানান। এক, হংকংয়ের স’ঙ্গে অ্যামেরিকার যে বিশেষ বাণিজ্য চুক্তি ছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। এবং দুই, যে সমস্ত চীনা সংস্থা, ব্যক্তি, ব্যাঙ্ক হংকংয়ের ঘ’টনায় চীনকে সাহায্য করেছে কিংবা ম’দত দিয়েছে, তাদের উপর নি’ষেধাজ্ঞা।

১৯৯২ সালের আইন অনুযায়ী হংকংয়ের স’ঙ্গে বিশেষ বাণিজ্য সম্প’র্ক ছিল অ্যামেরিকার। হংকং চীনের ছত্রছায়াতে থাকলেও তাদের বিশেষ অধিকার ছিল। এক ধরনের স্বাধীনতা ভোগ করত তারা।

চীনের ছত্রছায়াতে থেকেও গণতন্ত্রের আবহ ছিল সেখানে। শুধু তাই নয়, মুক্ত বাণিজ্যের বাজার ছিল। এই বি’ষয়গু’লি মাথায় রেখেই ১৯৯২ সালে অ্যামেরিকা হংকংয়ের স’ঙ্গে বিশেষ বাণিজ্য চুক্তি করেছিল। ডনাল্ড ট্রা’ম্পের বক্তব্য, সম্প্রতি হংকংয়ে চীন যে কাজ করেছে, তাকে আগ্রাসন বলা হয়।

এর ফলে হংকং যে স্বাধীনতা ভোগ করত, তা আর থাকবে না। বহু মানুষ হংকং ছেড়ে পা’লিয়ে যাবেন। এই পরিস্থিতিতে হংকংয়ের স’ঙ্গে অ্যামেরিকার যে সম্প’র্ক ছিল, তা আর রাখা সম্ভব নয়। মা’র্কিন কংগ্রেসে এর আগেই বি’ষয়টি উত্থাপিত হয়েছিল। মঙ্গলবার ট্রা’ম্প বিবৃতি দিয়ে নতুন নিয়ম ঘোষণা করে দেন।

ট্রা’ম্পের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে চীন। বুধবার চীন জানিয়েছে, চীনকে অ’পবাদ দেওয়ার জন্যই এই কাজ করেছে ট্রা’ম্প প্রশাসন। শুধু তাই নয়, অ্যামেরিকার এই কাজকে বিদ্বেষপরায়ণ বলেও মন্তব্য করেছে চীন। তারাও অ্যামেরিকার বি’রুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে বলে হু’মকি দিয়ে রেখেছে বেজিং।

ক’রোনাকালে ক্রমশই চীনের স’ঙ্গে সম্প’র্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে অ্যামেরিকার। কয়েক মাস ধরে ক’রোনা ভাই’রাস সং’ক্র’মণের জন্য চীনকে লাগাতার দায়ী করছেন ট্রা’ম্প। তাঁর বক্তব্য, চীন চাইলে ভাই’রাস ছড়িয়ে পড়া আ’টকাতে পারতো। চীনের উহানের একটি ল্যাব থেকেই এই ভাই’রাস ছড়িয়েছে বলে একাধিক বার অভিযোগ করেছেন ট্রা’ম্প।

জানিয়েছেন, তাঁর কাছে প্রমাণ আছে। শুধু তাই নয়, চীনকে সাহায্য করছে, এই অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স’ঙ্গে সম্প’র্ক ছিন্ন করেছেন ট্রা’ম্প। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ করার জন্যও উঠে পড়ে লেগেছে অ্যামেরিকা।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার হংকং প্রস’ঙ্গে বলার সময় আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্ব’ন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনকেও এক হাত নেন ট্রা’ম্প। অভিযোগ, আবহাওয়া এবং পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্যারিস চুক্তির প্রস’ঙ্গ টানছেন বাইডেন। যা অ্যামেরিকাকে আরও দু’র্বল করবে এবং চীনকে শ’ক্তিশালী করবে। বাইডেন এই কথা বলে চীনের কমিউনিস্ট পার্টিকে সাহায্য করতে চাইছেন বলে ট্রা’ম্পের দাবি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, চীনের স’ঙ্গে তি’ক্ততা বাড়িয়ে নিজের জাতীয়তাবা’দী চরিত্র স্পষ্ট করতে চাইছেন ট্রা’ম্প। জাতীয়তাবাদের অ’স্ত্রেই ভোট বৈতরণী পার করতে চাইছেন তিনি। কারণ, ক’রোনা সং’কটে তাঁর জনপ্রিয়তা অনেকটাই কমেছে। ফলে জাতীয়তাবাদ ছাড়া আপাতত তাঁর হাতে আর কোনও অ’স্ত্র নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here