পাঠাও’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের খু’নি সম্প’র্কে যা জানা গেল

0
153

জুমবাংলা ডেস্ক : জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ নিউইয়র্ক নগরীর ম্যানহাটনে নৃ’শংসভাবে খু’ন হয়েছেন। নিউইয়র্ক পু’লিশ ফাহিমের নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকালে তার খণ্ড-বিখণ্ড মরদহে উ’দ্ধার করে।

নিউইয়র্ক পু’লিশ (এনওয়াইপিডি) জানিয়েছে, ফাহিমের হাত-পা, মাথা সবকিছু বিচ্ছিন্ন ছিল। পাশেই ছিল একটি ইলেকট্রিক স (বিদ্যুচ্চালিত করাত)।

নিউইয়র্ক পু’লিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) মুখপাত্র সার্জেন্ট কার্লোস নিয়েভস বলেন, ঘ’টনাস্থলেই শ’রীরের বিচ্ছিন্ন অ’ঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হাত-পা বিহীন ধড়, বিচ্ছিন্ন মাথা, হাত এবং দুই পা পাওয়া গেছে। পাশে একটি ব্যাগও ছিল। সেখানেও অ’ঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকতে। এখনো ব্যাগটি খুলে দেখা হয়নি। আমরা এখনো এই হ’ত্যাকাণ্ডের কোনো উদ্দেশ্য সম্প’র্কে ধারণা করতে পারছি না।

পু’লিশ সূত্র জানিয়েছে, গো’য়েন্দা সংস্থা ঘ’টনাস্থলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ম’রদে’হের ফরেনসিক টেস্ট রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।

ফাহিমের বোন ৯১১-এ ফোন করে বি’ষয়টি প্রথমে পু’লিশকে জানায়। তিনি পুরো এক দিন ভাইয়ের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না। এরপরই নিজ বাড়িতে ভাইয়ের খণ্ড-বিখণ্ড ম’রদে’হ দেখতে পান। নিউইয়র্ক পু’লিশ তাৎক্ষণিকভাবে সাততলা ভবনটিতে যায়।

লিফটের একটি সার্ভিলেন্স ক্যামেরায় ফাহিমের গতিবিধির কিছু ফুটেজ পাওয়া গেছে। তাতে সর্বশেষ সোমবার তাকে লিফটের ভে’তর দেখা গেছে। স্যুট, গ্লভস, হ্যাট এবং মাস্ক পরিহিত একটি লোককে ওই সময় তাকে অনুসরণ করতে দেখা যাচ্ছে।

পু’লিশের ধারণা, ফাহিম লিফট থেকে বের হওয়ার পরপরই তাকে গু’লি করা হয়েছে অথবা ধাক্কা দিয়ে ফে’লে দেয়া হয়েছে। অ’পরাধীর কাছে একটি স্যুটকেসও ছিল। সে খুবই পেশাদার খু’নি বলেই ধারণা করছে পু’লিশ।

ফাহিম যে ভবনে থাকতেন সেটি খুব সম্প্রতি নির্মিত একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন। ভবনের পর্দা নামানো ছিল।

ফাহিমের এক প্রতিবেশী ডেনিয়েল ফাউস্ট (৪০) বলেন, তিনি পু’লিশ প্রহরায় দুই জন না’রীকে ওই ভবন থেকে বের হতে দেখেছেন। এর মধ্যে একজন ছোট করে ছাঁটা কালো চুলের। আর দ্বিতীয়জন বেশ লম্বা এবং লম্বা চুল বিশিষ্ট। তাদের একেবারে উদভ্রান্তের মতো দেখাচ্ছিল। গো’য়েন্দা পু’লিশের স’ঙ্গে তাদের বেরিয়ে যেতে দেখেছি। পু’লিশ ওই ভবন থেকে একটি কুকুরও বের করে নিয়ে গেছে।

তার বন্ধু ও প্রতিবেশীরা বলছেন, সালেহকে কখনোই বলতে শোনা যায়নি তিনি কাউকে স’ন্দে’হ করছেন বা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত আছেন। তাছাড়া এই এলাকায় ২০১৫ সালের পর একটিও খু’ন হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here