প্রতিদিন ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা সারা জীবণ ২৫ বছরের যুবকের মতো থাকবে

0
287

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে – সে’ক্স বাড়ানো জন্য যৌ’ন শ’ক্তি বর্ধক tablet খাবেন না। এই ঔষধ পুরু’ষকে ধ্বজভংগ রো’গের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

গবেষনায় দেখা যায় পুরু’ষের পুষ্টিকর খাদ্য (food) খাওয়ার মাধ্যমে যৌ’ন শ’ক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দু’ধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে।

এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌ’ন শ’ক্তিবর্ধক tablet কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌ’ন শ’ক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে স’হবাসের পরামর্শ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সাথে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই। না হলে আমাদের কমেন্ত বক্স এ জানাবেন। তবে এখানে মধু খাটি হতে হবে। অন্যথায় সব বিফলে যাবে

গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বী’র্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। জিনসেং মূ’লটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং বর্তমানে সারা বিশ্বে একটি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূ’লে রয়েছে বিশেষ রো’গ প্রতিরোধকক্ষ’মতা। হাজার বছর ধরে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূ’ল বিভিন্ন রো’গের প্র’তিষেধ’ক, শ’ক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জিনসেং
জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গো’পন ক্ষ’মতা বাড়ে কেন? জানুন

জিনসেং ইংরেজিতে পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূ’লবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জ’ন্মে।শ’ক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে। জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা বলে থাকে।

জিনসেং কি
আসলে জিনসেং কী? হলো গাছের মূ’ল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ও’ষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং গাছের মূ’ল রো’গ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় । জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর পুরো মূ’ল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূ’ল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে ম’দও তৈরি হয়। এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাদ্য (food)উপকরণ।

জিনসেং কে বলা হয় বা আশ্চর্য লতা। চীনে সহস্র বছর ধরে জিনসেং গাছের মূ’ল আশ্চর্য রকম শ’ক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন।চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সাধারণত দেখা যায় জিনসেং ও সবুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার পরে ভাবলাম যে এই আশ্চর্য লতার গুন কে আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাইনিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা ত’থ্য। আমাদের দেশের মানুষেরা এটা সম্প’র্কে কম-ই জানেন। তাই জিনসেং সম্প’র্কে একটি পরিপূর্ণ ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট।

জিনসেং :
মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং (ginseng) অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং (ginseng) কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং।

প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ “panacea” থেকে যার অর্থ হলো বা সর্ব রো’গের ঔষধ। জিনসেং (ginseng) সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটি অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কার্যক্ষ’মতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আছে, যা জিনসেং বলে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং (ginseng) না।

জিনসেং (ginseng) ও লিংগোত্থানে অক্ষ’মতাঃ
জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরু’ষের লিংগোত্থানে অক্ষ’মতা রোধে এর ভূমিকা। ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অ’ক্ষম ব্যাক্তি) এর রো’গীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং (ginseng) খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং (ginseng) গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুটি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা আবি’ষ্কার করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরু’ষের যৌ’নাংগে নামে বি’ষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু র’ক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি দে’হে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে।

জিনসেং ও দ্রু’ত বী’র্যস্খলন
যদিও কাচা জিনসেং (ginseng) এর মূ’ল এই রো’গে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না তবে জিনসেং (ginseng) এর তৈরী একটি ক্রীম পুরু’ষদের দ্রু’ত বী’র্যস্খলন রোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে আসছে যা মি’লনের একঘন্টা আগে লি’ঙ্গে লাগিয়ে রেখে মি’লনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী এটি বী’র্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং (ginseng) শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পুরু’ষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌ’নতা বৃ’দ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)।

জিনসেং
বলতে বুঝায় বিভিন্ন মা’নসিক ক্ষ’মতা যেমন মনযোগ, স্মৃ’তিশ’ক্তি, কথা শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারার ক্ষ’মতা,কল্পনাশ’ক্তি, শেখার ক্ষ’মতা, বিচারবুদ্ধি, চিন্তা শ’ক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সি’দ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষ’মতা। সোজা ভাষায় বলতে গেলে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্তের উপর সরাসরি কাজ করে মা’নসিক ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি করে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জন সুস্বাস্থ্যবান যুবার উপর গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং (ginseng) গ্রহন তাদের পরীক্ষার সময় পড়া মনে রাখার ব্যাপারে পজিটিভ ভূমিকা রেখেছিল। একই জার্নালে ২০০০ সালে করা একটি গবেষনা, যুক্তরাজ্যের কর্তৃক ৬৪ জন ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা এবং চীনের কর্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যব’য়স্ক ও বৃ’দ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশ’ক্তি ও সার্বিক বৃ’দ্ধিতেও সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত ইদুরের উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিন’ষ্টকারী রো’গ যা স্মৃ’তিশ’ক্তি বিন’ষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হান্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেসব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

জিনসেং ও ডায়াবেটিস
২০০৮ সনে ১৯ জন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রো’গীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং (ginseng) টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কোলেস্টেরল
এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং (ginseng) গ্রহণ খা’রাপ কোলেস্টেরল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরল বা এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।

জিনসেং ও ফুসফুসের রো’গঃ

হচ্ছে ফুসফুসের অন্যতম কমন রো’গ। এই রো’গীদের শ্বাস নিতে ক’ষ্ট হয়, বুকে কফ থাকে ও কারো কারো ফুসফুসের ক্ষয় ঘটে। এ ২০০২ সনে প্রকাশিত ৯২ জন রো’গীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী ১০০মিগ্রা ডোজে ৩ মাস জিনসেং (ginseng) গ্রহণে সার্বিক ভাবে এর অবস্থার উন্নতি হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও ত্বকঃ
জিনসেং বিভিন্ন এন্টি-এজিং ক্রীম ও স্ট্রেচ মার্ক ক্রীম এ ব্যবহৃত হয়। এইসব ক্রীম ত্বকের কোলাজেন এর উপর কাজ করে ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে ও গ’র্ভবতী না’রীদের পেটের ত্বক স্ফীতির কারণে তৈরী ফাটা দাগ নিরসন করে। তবে এটির জন্য জিনসেং এর ভূমিকা কতটুকু ও ক্রীমে থাকা অন্যান্য উপাদানের ভূমিকা কতটুকু তা জানা যায়নি।

জিনসেং ও ক্যা’ন্সার
জিনসেং ক্যা’ন্সার নিরাময় করতে না পারলেও আমেরিকার ম্যায়ো ক্লিনিক ক্যা’ন্সার সেন্টারের গবেষকরা বলছেন, ক্যা’ন্সারে ভুগছেন এমন রো’গীদের দু’র্বলতা কা’টাতে জিনসেং (ginseng) সহায়ক। ৩৪০ রো’গী নিয়ে গবে’ষণায় দেখা গেছে, ৮ সপ্তাহ ধরে উচ্চমাত্রার জিনসেং ক্যাপসুল সেবন করেছেন এমন রো’গীদের দু’র্বলতা অন্যান্য পদ্ধতির চিকিৎসা গ্রহণকারীদের তুলনায় অনেক কমেছে।

জিনসেং ও রো’গ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা
একটি গবেষনায় ২২৭ ব্যক্তির উপর ১০০মিগ্রা দিনে এক বার করে ১২ সপ্তাহ এবং আরেকটি গবেষনায় ৬০ ব্যাক্তির উপর ১০০মিগ্রা দিনে ২বার করে ৮ সপ্তাহ জিনসেং (ginseng) প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে যে তাদের দে’হের রো’গ প্রতিরোধকারী কোষগুলো ( যেমন ইত্যাদি) কার্যকর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। তার মানে জিনসেং রো’গপ্রতিরোধের ক্ষ’মতা বাড়ায়।

জিনসেং ও আরো কিছু রো’গ
মেয়েলি হরমোন বৃ’দ্ধি, রো’গ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃ’দ্ধি ও শ’ক্তি বর্ধক এনার্জি ড্রিংক হিসেবে জিনসেং (ginseng) দারুন কার্যকরী। জিনসেং র’ক্ত তরল করে স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। আরো কয়েকটি রো’গ নিরসনে জিনসেং ভূমিকা রাখে বলে লোকজ ব্যবহার হতে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানীরা এই রো’গ গুলোর ক্ষেত্রে গবেষনা করে জিনসেং (ginseng) এর কার্যকরীতা অস্বীকারও করেন নি আবার নিশ্চিত ভাবে মেনেও নেননি। এইসব রো’গের মধ্যে আছে, সরদি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ক্যা’ন্সার (পাকস্থলি, ফুসফুস, যকৃত, ত্বক, ডিম্বাশয়), র’ক্তশূণ্যতা, বি’ষন্নতা, পানি আসা, হজমে সমস্যা ইত্যাদি।

ব্যবহারবিধিঃ
এর মত অনুযায়ী এশিয়ান জিনসেং পূর্নব’য়স্করা ২-৩ সপ্তাহ টানা খেয়ে ২ সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার খেতে পারবেন। আমেরিকান জিনসেং (ginseng) টানা ৮ সপ্তাহ খেয়ে ২ সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার খেতে পারবেন। যেহেতু এটি একটি অতি কার্যকরী ও’ষুধ, তাই দীর্ঘদিন ব্যবহারের কোন রকম ক্ষ’তি হতে পারে ভেবে এটি বেশিদিন ব্যবহার করতে মানা করা হয় (যদিও দীর্ঘ ব্যবহারে ক্ষ’তির কথাটার কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই).. জিনসেং (ginseng) সাধারণত tablet , পাউডার, ড্রিঙ্কস হিসেবে খাওয়া হয়, এবং এদের গায়েই ব্যবহারবিধি লেখা থাকে। tablet বা পাউডার এর জন্য ডোজঃএর রিপোর্ট অনুযায়ী, মা’নসিক ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি ও লিংগ উত্থান এর জন্য ৯০০ মিগ্রা পাউডার করে দৈনিক ৩ বার, শ’ক্তি বা স্ট্যামিনা বৃ’দ্ধি ও ডায়বেটিস এর জন্য এর ডোজ হলো ২০০ মিগ্রা পাঊডার করে দিনে ১ বার, রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধির জন্য ১০০ মিগ্রা করে দিনে ২ বার। এর জন্য ডোজ হলো ০.২ মিগ্রা। সরাসরি মূ’ল খেলে ০.৫-২ গ্রাম মুল খাওয়া যাবে দৈনিক ১ বার। মূ’ল কিনে খাওয়া টাই সবচেয়ে সাশ্রয়ী হয়। মূ’ল টা চিবিয়ে খাওয়া যায়, গুড়া করে জিভের নীচে রেখে দিয়ে খাওয়া যায়, পানিতে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পানি সহ খাওয়া যায় অথবা পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে পানি সহ খাওয়া যায়।

কোথায় পাবেনঃ
সাইন্স ল্যাবরেটরির মোড়ে, ঢাকা সিটি কলেজের গেটের অপর প্বার্শে অবস্থিত সাইন্স ল্যাবরেটরি বিক্রয় কেন্দ্রে এটি এনার্জি ড্রিঙ্কস হিসেবে পাওয়া যায়। এ ছাড়াও মডার্ণ হারবাল গ্রুপ এবং স্কয়ার ফার্মাসিঊটিকাল লিমিটেড এর ওয়েব সাইট এ পাওয়া ত’থ্য অনুযায়ী এরা জিনসেং (ginseng) কে tablet হিসেবে বিক্রি করে। যেই পণ্য ই কিনেন না কেন, দেখে নিবেন লেবেল এর গায়ে Panax ginseng লেখা আছে কিনা, কারণ এটাই অরিজিনাল এশিয়ান জিনসেং। গেণ্ডারিয়া রেলগেট, দয়াগঞ্জ বাজার, সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে, ঠাঁটারি বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে ঔষধি গাছ, লতাপাতা বিক্রির পাইকারি দোকান। এইসব জায়গায় খোজ নিয়ে দেখতে পারেন যে সরাসরি মূ’ল পাওয়া যায় কিনা।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ
জিনসেং এর সবচেয়ে মা’রাত্মক পার্শ্বপ্রতিকৃয়া হলো ঘুমের সমস্যা। আগেই বলেছি, জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্ত্র কে উ’ত্তেজিত করে ও মা’নসিক ক্ষ’মতা বাড়ায়। উ’ত্তেজিত স্নায়ুর কারণে ঘুম আসতে দেরি হয়, যেমন টা হয় কফি খাওয়ার পরে। অন্যান্য সাধারণ সমস্যার মধ্যে আছে ডায়রিয়া, মাথাব্য’থা, হা’র্ট বিট বাড়া এবং ব্লাড প্রেশারে তারতম্য হওয়া (সাময়িক)।

যারা খাবেন নাঃ
বাচ্চা, গ’র্ভবতী ও স্ত’ন্যদানকারী মায়েদের এটা খেতে নি’ষেধ করা হয়। জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে তাই স্নায়ুর উপর কাজ করে এমন অন্য কোন ও’ষুধ (যেমন ঘুমের অষুধ, বি’ষন্নতার ও’ষুধ ইতাদি) এর স’ঙ্গে এটা খাওয়া উচিত না, নয়ত স্নায়ু অতিরিক্ত উ’ত্তেজিত হয়ে যাবে। জিনসেং র’ক্ত জমাট বা’ধা প্রতিরোধ করে, তাই হা’র্টের রো’গীরা যারা ইতমধ্যে র’ক্ত তরল করার অন্যান্য ও’ষুধ ( যেমন খাচ্ছেন, তারা এদের স’ঙ্গে জিনসেং খাবেনা না। জিনসেং ব্লাড সুগার কমাতে সহায়তা করে, তাই ডায়বেটিস রো’গীদেরো ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এটা খাওয়া উচিত যাতে ও’ষুধের সাথে জিনসেং গ্রহণে সুগার যেন বেশি কমে না যায়।

অতিকর্মক্ষম রো’গপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে কিছু রো’গ হয়, যেমন এদের বলা হয়। জিনসেং (ginseng) যেহেতু রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ায় তাই সাধারণ মানুষ এতি খেলে উপকৃত হবে কিন্তু এর রো’গীদের খাওয়া উচিত না। জিনসেং মেয়েলি হরমোন ইস্ট্রোজেন এর পরিমাণ বাড়ায়, তাই যাদের হরমোনের সমস্যা আছে তাদের এটা খাওয়া উচিত কিন্তু যাদের ব্রেস্ট, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার আছে তাদের খাওয়া উচিত নয় কারণ অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন এইসব ক্যা’ন্সারে আরো সহায়ক ভূমিকা রাখে। জিনসেং ব্লাড প্রেশারেও তারতম্য ঘটায় তাই হাই ও লো প্রেশারের রো’গীদেরো নি’য়মিত খাওয়া উচিত না। সোজা ভাষায় বলতে গেলে, জিনসেং এর ভালো গুনগুলোর কারণেই আসলে একে সতর্ক ভাবে গ্রহণ করা উচিত (যদিও উপরের আশংকা গুলো কোনটাই বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত না)।

জিনসেং কোরিয়াতে এবং দেশের বাইরে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ কিন্তু বেশ কঠিন। বর্হিবিশ্বে জিনসেং-এর প্রচুর চা’হিদা মেটানোর জন্য কোরিয়ার প্রদেশের পুঞ্জী এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে জিনসেং (ginseng) -এর সফল চাষাবাদ চলছে সেই ১১২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এই পুঞ্জী এলাকা জিনসেং দেশ হিসাবে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত। ষোলশো শতাব্দী থেকেই এই এলাকায় জিনসেং (ginseng) খামার গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এটি কোরিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিনসেং উৎপাদনকারী এলাকা।

পে’নিস সহজে বড়, মজবুত ও মো’টা করার উপায় কি?
পুঞ্জীতে পাহাড়ে ৪০০-৫০০ মিটার উচ্চতায় জিনসেং-এর চাষ করা হয়। পাহাড়ের শীতল আবহাওয়া এবং উর্বর মাটি পুঞ্জী এলাকার জিনসেং-কে বলশালী করে তোলে। প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম’দিকে পুঞ্জীতে জিনসেং (ginseng) উৎসব হয়ে থাকে। এই উৎসবে খেত থেকে সদ্য তোলা জিনসেং-এর স্বাদ গ্রহণ করা যায়। পরিভ্রমণকারীরা জিনসেং তুলবার অ’ভিজ্ঞতাও নিতে পারে এই উৎসবে। জিনসেং উৎসবে আয়োজন করা হয় নানা রকম প্রতিযোগিতার। এর একটি হলো দি বেস্ট জিনসেং। অর্থাৎ কোন জিনসেং মূ’লটি দেখতে সবচেয়ে আকর্ষণীয়।

এর জন্য ৪টি শর্ত হলো:
(১) মূ’লের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং একই সাথে মূ’লটি দেখতে একজন মানুষের আকৃতির কতটা কাছাকাছি হয়েছে।
(২) মূ’লের বাইরের স্তরের পু’রুত্ব এবং মূ’লের ওজন।
(৩) মূ’লের দৈর্ঘ্য এবং
(৪) জিনসেং (ginseng) মূ’লটির বয়স ছয় বছর হতে হবে।

গাছের বয়স ছয় বছরের উপরে চলে গেলে মূ’ল শ’ক্ত হয়ে যায় এবং এর ওয়ুধি গুণাগুণ হ্রাস পায়। অবশ্য যে সব জিনসেং (ginseng) বন-বাদাড়ে প্রাকৃতিকভাব্ জ’ন্মায় সেগুলোর মূ’লের গুণাগুণ ছয় বছরের পরও বিদ্যমান থাকে।

আমেরিকা এবং ইউরোপে ফাংশনাল ফুড হিসেবে এটি বহুল প্রচলিত। এর বহুমুখী উপকারিতা, ঔষধি গুণের কথা বিবেচনা করে বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন উৎপাদন পদ্ধতির উদ্ভাবন চলছে, যাতে করে এই মহামূ’ল্যবান ঔষধিটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে উৎপাদন করা যায়। এর চাষাবাদ বেশ কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। মাঠপর্যায়ে মাটিতে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন।

কোরিয়ান জিনসেং পরিবারেরধরনের মাংসল মূ’ল বিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ প্রজাতি; যা পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়ায় ঠান্ডা পরিবেশে জ’ন্মে এবং এর মূ’লটিই মূ’লত ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ‘প্যানাক্স’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো বা সর্বরো’গের ও’ষুধ।”

জিনসেং মূ’লের উৎপাদন প্রস’ঙ্গে ড. সোহায়েল বলেন, ‘জিনসেং (ginseng) কোরিয়ায় এবং বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ বেশ কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। মাঠপর্যায়ে মাটিতে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন। এ ছাড়া এর বৃ’দ্ধি খুব ধীর, চাষাবাদও বেশ পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এভাবে চাষ করলে চারা থেকে বাজারজাত যোগ্য অবস্থায় পৌঁছাতে কমপক্ষে পাঁচ-সাত বছর লেগে যায়। এটি দূষণ, সং’ক্র’মণ ও কীট-পতঙ্গের আ’ক্রমণ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন হ্রাসের ঝুঁ’কিতে থাকে। তাই বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের চা’হিদা মেটানোর জন্য বিকল্প পদ্ধতিতে জিনসেং মূ’লের টিস্যু থেকে জী’বাণুমুক্ত পরিবেশে জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জিনসেং মূ’ল উৎপাদন করা হয়।’

মহৌষধি জিনসেং (ginseng) -এ রয়েছে প্রায় ৩০ প্রকারের জিনসেনোসাইডস। এ ছাড়া এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত যৌগ, ফ্যাট-দ্রবীভূতকারী পদার্থ, প্যানাক্সান নামক পেপটাইডোগ্লাইকেন, মিনারেলস প্রভৃতি।

জিনসেংয়ে আরো রয়েছে ফেনলিক যৌগ, যার রয়েছে শ’ক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ, পলি-অ্যাসিটিলিন যা ক্যানসার কোষ ধ্বং’সে ভূমিকা রাখে। জিনসেং স্নায়ুতন্ত্রের ও’পর সরাসরি কাজ করে যেমন : মা’নসিক ক্ষ’মতা, মনোযোগ, স্মৃ’তিশ’ক্তি, কথা শোনার স’ঙ্গে স’ঙ্গে বুঝতে পারার ক্ষ’মতা, কল্পনাশ’ক্তি, শেখার ক্ষ’মতা, বিচার বুদ্ধি, চিন্তাশ’ক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোনো একটা সি’দ্ধান্তে পৌঁছানোর ক্ষ’মতা ইত্যাদি বৃ’দ্ধি করে।

এ ছাড়া জিনসেং (ginseng) টাইপ ২ ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত। বর্তমানে ও’ষুধের পাশাপাশি প্রসাধ’ন এবং খাদ্য(food) শিল্পে জিনসেং বহুল ব্যবহৃত। যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সাবান-ক্রিম, সানস্ক্রিন, টুথপেস্ট, হেয়ারটনিক, শ্যাম্পু, এনার্জি ড্রিংক, ক্যান্ডি, বিভিন্ন বেভারেজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এ ক্ষেত্রে অমিত সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছেন দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এ গবেষক। ড. সোহায়েল মনে করেন, বাংলাদেশের মাটিতে জিনসেং চাষ প্রায় অসম্ভব হলেও প্রযুক্তির মাধ্যমে এর উৎপাদন, উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিকীকরণ সম্ভব।

বর্তমানে কোরিয়ান জিনসেং (ginseng) এ দেশের মাটিতেও জ’ন্মানো যায় কি না এ বি’ষয়ে গবে’ষণা চলছে। এর মাধ্যমে সাফল্য অর্জিত হলে অর্থনৈতিক ও কৃষির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে জীবপ্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্যাশন ফল এবং হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে লেটুসের চাষ বি’ষয়ে গবে’ষণা করে সফলতার মুখ দেখেছিলেন ড. সোহায়েল। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্যাশন ফল এবং হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে লেটুসের চাষে তাঁর উদ্ভাবিত বিশেষ পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারের ফলে মানুষের মনে এ নিয়ে বিশেষ আ’গ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল।’

ড. সোহায়েল আশা করেন, জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে জিনসেং (ginseng) ছাড়াও ননি, একনেশিয়া, সর্পগন্ধা, গিংকো, থানকুনি এবং অন্যান্য মূ’ল্যবান ঔষধির সফল উৎপাদন এবং বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ও’ষুধ এবং প্রসাধ’নী কোম্পানিগুলোতে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

এমন সাফল্য দেখে কোনো বেস’রকারি উদ্যোক্তা এগিয়ে এলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. সোহায়েল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘হ্যাঁ, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অবশ্যই চুক্তিতে যাব। তবে এ ক্ষেত্রে সবার আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here