না’রীদের কত বছর ব’য়সে বেশি যৌ’ন উ’ত্তেজনা থাকে

0
1546

না’রীদের যৌ’ন উ’ত্তেজনা চ’রমে পৌঁছে ২৬ বছর ব’য়সে। এছাড়া পু’রুষদের যৌ’নতা চ’রমে পৌঁছে ৩২ বছরের পর। সম্প্রতি সান ফ্রান্সিসকোর এক সমীক্ষায় এ ত’থ্য জানা গেছে।

তবে সমীক্ষাটি বেশি বড় আকারের ছিল না। এ সমীক্ষায় ১৮-৬৫ বছর ব’য়সের মাত্র এক হাজার প্রা’প্তব’য়স্কের মতামত নেওয়া হয়।

আয়োজনটির উদ্যোক্তা আটলান্টার সে’ক্স খেলনা প্রস্তুতকারক কোম্পানি লাভহানি ডটকম। অন্যদিকে এই সমীক্ষায় এটাও বলা হয় যে, সান ফ্রান্সিসকোর না’রীরা তাদের জীবনে ২৪ বছর ব’য়সেই সবচেয়ে বেশি যৌ’নতা উপভোগ করেন।

সে ক্ষেত্রে পু’রুষরা যৌ’নতার আস্বাদ গ্রহণ করেন ২৭ বছরের পরবর্তী সময়ে। সমীক্ষায় দেখা যায়, অধিকাংশ না’রীই যৌ’নতার প্রথম স্বাদ গ্রহণ করেছেন ১৮ বছরের পর।

কিন্তু সে ক্ষেত্রে আবার পু’রুষরা ১৭ বছরের গোড়ার দিকেই প্রথম যৌ’নতা উপভোগ করেছেন। দেখা যায়, পু’রুষদের প্রথম যৌ’ন অনুভূতি উপভোগ করার পর প্রায় ১৫ বছর পরে তারা যৌ’নতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন।

কিন্তু সে ক্ষেত্রে না’রীরা প্রথম যৌ’নতার আস্বাদ নেয়ার ১০ বছর পরই যৌ’নতাকে চূড়ান্তভাবে উপভোগ করতে পারেন।
না’রীদের যন্ত্রনাধায়ক যৌ’ন মি’লন ও তার প্রতিকার

না’রীর যো’নী মি’লন উপযোগী করেই বিধাতা সৃষ্টি করেছেন। এটি যেকোন আকারের লি’ঙ্গ গ্রহনে স’ক্ষম। তার পরও বিভিন্ন কারনে শাররীক মি’লনের ব্য’থা অনেক বিবা’হিত যুগলের মাঝে দেখা যেতে পারে।

মি’লনকালে যন্ত্রনা মি’লনের প্রতি অনীহা সৃষ্টি করতে পারে। তাই এই বি’ষয়টি যত তাড়াতাড়ী সম্ভব কারন উদঘাটন করে প্রতিকারের ব্যবস্থা জরুরী। কি কারনে মি’লনকালে ব্য’থা অনুভুত হতে পারে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে না’রীর যো’নী প্রয়োজন মত আঠাল তরল উৎপাদন না করলে মি’লনকালে যন্ত্রনা অনুভব করতে পারে।

মি’লনকালে না’রী যদি রিলাক্সড থাকেন তাহলে এ সমস্যা থেকে অনেক ক্ষেত্রে উত্তোরণ পেতে পারেন। অথবা মি’লন-পুর্ব-সিঙার (ফোর প্লে) এর সময়কালে বাড়িয়ে না’রীকে প্রয়োজন মত উ’ত্তেজিত করে,

কিংবা বাজারে পাওয়া পার্সোন্যাল লুব্রিকেটর দিয়েও উল্ল্যেখিত ব্য’থা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে না’রী যন্ত্রনাদায়ক শাররীক মি’লন অনুভব করতে পারেন যদি নিন্মক্ত কোন একটি কারন বিদ্যমান থাকেঃ ভেজাইনিসমাস্ঃ এটি একটি সাধারন অবস্থা, যাতে যৌ’না’ঙ্গের পেশি সংকোচিত হয়ে যায়।

এর প্রধান কারন হচ্ছে যৌ’নঙ্গে ব্য’থা পাবার ভ’য়। অর্থাৎ ব্য’থা পাবার ভ’য় থেকে পেশী সংকোচনের ফলে মি’লনে যন্ত্রনা অনুভব। যো’নী পথে সং’ক্র’মণঃ যদি যো’নী পথে কোন প্রকার ইনফেকশান থাকে তাহলে মি’লনে ব্য’থা অনুভব হতে পারে।

স’ন্তান প্রসবের সময় যো’না’ঙ্গ চিরে যাওয়া কিংবা যো’নী এবং পায়ুপথের মাঝের পর্দা চিড়ে যাওয়া থেকেও এ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। জরায়ু মুখের ব্য’থাঃ এক্ষেত্রে গভীরভাবে যো’নীতে লি’ঙ্গ প্রতিস্থাপনের ফলে লি’ঙ্গের আগা জরায়ু মুখের ইনফেকশান (যদি থাকে) যুক্ত স্থানে ছোঁয়ার ফলে মি’লনকালে ব্য’থা অনুভুত হতে পারে।

ইনডোমেট্রোসিসঃ জরায়ুর শ্লেষ্মাঝিল্লি জরায়ুর বাহিরে বিস্তৃত হবার ফলে মি’লনকালে যন্ত্রনা হতে পারে। শ্রেণীচ’ক্রের জ্বা’লাপোড়া রো’গঃ গভীরতায় লি’ঙ্গ প্রতিস্থাপনের ফলশ্রুতিতে মি’লনকালে পেশীকলার গভীরে জ্বা’লাপোড়া এবং প্রচন্ড চা’প অনুভুত হতে পারে।

অস্বাভাবিক গ’র্ভধারনঃ গ’র্ভশয়ের বাহিরে ডিম নিষিক্ত হয়ে অস্বাভাবিক স্থানে তার পরিবর্ধ’ন হতে থাকলে মি’লনকালে প্রচন্ড ব্য’থা হতে পারে।

মাসিক ঋজচ’ক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হবার পরঃ না’রীর ৫০ থেকে ৫৬ বছর বয়সের পর মাসিক ঋজচ’ক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তাই এই বয়সের পর যো’নী স্বাভাবিক আদ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তার ফলে মি’লনকালে যন্ত্রনা হতে পারে। স’ন্তান জ’ন্মের পর পর অথবা অ’স্ত্রপ্রচাররের কিছু দিনের মধ্যে মি’লন করলে তা যন্ত্রনাদায়ক হবে।

যন্ত্রনাদায়ক যৌ’ন মি’লনের চিকিৎসাঃ কিছু কিছু যন্ত্রনাদায়ক শাররীক মি’লনের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যেতে হয়না। যেমন, স’ন্তান প্রসবের পর মি’লনে ব্য’থা হলে প্রসবের পর অন্ততঃ ছয় সপ্তাহ অপেক্ষা করে শাররীক মি’লনে লি’প্ত হতে হবে।

শুষ্ক যো’নীর ক্ষেত্রে ওয়াটার বেইসড পার্সোন্যাল লুব্রিকেটর ব্যবহার করা যেতে পারে। যেসকল না’রীর যো’নীরস সহজে নিষ্কৃত হয়না তাদের ক্ষেত্রে মি’লন-পুর্ব-সিঙার জো’রালো করে তাদেরকে সঠিকভাবে উ’ত্তেজিত করার পর যখন যো’নী ভিজে যাবে তার পর মি’লন শুরু করলে মি’লনে ব্য’থা হবেনা।

কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে দেখা করা জরুরী। মাসিক ঋজচ’ক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবার ফলে যদি শুষ্কতা দেখা দেয় তাহলে ডাক্তার ইস্ট্রোজেন ক্রিম কিংবা অন্য কোন ঔষধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন।

অন্য অনেক কারনও ঔষধের সহায়তায় চিকিৎসা করা যেতে পারে। যদি মি’লন যন্ত্রনা কোন মেডিক্যাল করন ছাড়া হয়ে থাকে তাহলে থেরাপি সেক্ষেত্রে উপকারে আসতে পারে। যদি মি’লনে সবসময় র’ক্তপাত, স্রাব, অনি’য়মিত মাসিক ইত্যাদি সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here