লকডাউনে তিনমাস ধরে ধ’র্ষণ করল বাবা, গ’র্ভবতী কি’শোরী

0
361

ভারতে মারণ ভাই’রাস ক’রোনার কারণে গত প্রায় তিন মাস ধরে চলছে লকডাউন। ঘরব’ন্দি ভারতের অধিকাংশ মানুষ। তার মধ্যেও অ’পরাধ কমছে না। বিশেষত না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন। আর এবার ঘরেই চলল অ’ত্যাচার। ঘ’টনা তামি’লনাড়ুর। ১৪ বছরের মে’য়েকে গত তিন মাস ধরে লাগাতার ধ’র্ষণ করে বাবা। কি’শোরী এখন গ’র্ভবতী।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মায়িলাদুথুরাই পু’লিশ গ্রে’প্তার করেছে অ’ভিযুক্তকে। ৪০ বছরের অ’ভিযুক্ত পেশায় ট্যাক্সি চালক। গত তিন মাস ধরে নিজের মে’য়েকে ধ’র্ষণ করেছে। দিন কয়েক আগে পেটে ব্য’থা, বমি শুরু হয় কি’শোরীর। পরে কি’শোরী তার মাকে জানায়।

মা স’রকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিত্‍সকরা পরীক্ষা করে জানান, মে’য়েটি গ’র্ভবতী। এর পরই মায়ের কাছে সব কথা জানায় কি’শোরী। বলে, গত তিন মাস ধরে অ’ত্যাচার চা’লিয়েছে বাবা।

মে’য়ের কাছে সব শুনে স্বা’মীর নামে অভিযোগ দা’য়ের করেন ওই কি’শোরীর মা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই অ’ভিযুক্তকে গ্রে’প্তার করা হয়। তার বি’রুদ্ধে নাবালিকাকে ধ’র্ষণ, গ’র্ভবতী করে দেওয়ার অভিযোগ দা’য়ের হয়েছে। এখন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।

কি’শোরীর এখন হাসপাতালে চিকিত্‍সা চলছে। ছাড়া পেলে শি’শু কল্যাণ কমিটির হেফাজতে রাখা হবে তাকে। নাগাপত্তিনামের শি’শু কল্যাণ দপ্তর জানিয়েছে, পরিবারের চা’পে কি’শোরী বয়ান বদল করতে পারে। তাই তাকে বাড়িতে পাঠানো হবে না। হোমে রেখেই পড়াশোনা করানো হবে তাকে।

সূত্র: আজকাল।

বাড়তি বিদ্যুত বিল নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

ম’হামা’রি ক’রোনা ভাই’রাসকালে এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যুতের বাড়িতে বিল আসায় হতাশায় পড়েছেন গ্রাহকরা। এ নিয়ে গ্রাহকদের মনে ক্ষো’ভ বিরাজ করছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুতের বাড়তি বিল নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা না করার অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, কিছু কিছু গ্রাহকের ক্ষেত্রে বেশি বিল করে ফেলা হয়েছে। এটা ভু’লক্রমে হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা ওইসব বিল ঠিক করার নির্দেশ দিয়েছি। নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিস গেলেই বিল ঠিক করে দেয়া হবে। গ্রাহকের কোনো ভ’য় নেই। কাউকে অতিরিক্ত বিল দিতে হবে না।

বুধবার (২৪ জুন) বেস’রকারি গবে’ষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিদ্যুত খাতের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংলাপে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে অবশ্য কয়েক জন বক্তা এই বি’ষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করেন।

সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এ ছাড়া বিদ্যুৎ খাত নিয়ে মূ’ল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবে’ষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। এতে সাবেক ও বর্তমান আমলা, অর্থনীতিবিদসহ বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

অধ্যাপক রেহমান সোবহান ওই অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ নিয়ে তিনটি প্রশ্ন রাখেন। তিনি বলেন, মোট দেশজ উৎপাদনের (জি’ডিপি) প্রবৃ’দ্ধি অনুসারে বিদ্যুতের চা’হিদার কোনো প্রাক্কলন আছে কি না? ভাড়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বাদ দেয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না? বিদ্যুৎ উৎপাদনের স’ঙ্গে ব্যবসায়িক চা’হিদার কোনো সমন্বয় আছে কি?

এসব বি’ষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আর রাখতে চাই না। গত বছর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে কিছু স’রকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি ভাড়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে অবসরে পাঠানো হবে। বিদ্যুৎ খাতে বিদেশি অর্থায়ন আনতে ‘বিদ্যুৎ বন্ড’ ছাড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ সময় সাবেক বিদ্যুৎস’চিব এম ফাওজুল কবির খান বলেন, সারা দুনিয়া ভাড়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসছে।

বাংলাদেশ সী’মান্তে অতিরিক্ত বিএসএফ মোতায়েন!

সীমান্ত নিয়ে প্রতিবেশীদের আগ্রাসনে ভারতের অস্বস্তির চ’রমে। চিন-ভারত লাদাখ সীমান্ত ফুটছে, আবার কাশ্মীর সী’মান্তে পাকিস্তানের হা’মলা প্রায় নিত্য ঘ’টনায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে নেপাল মানচিত্র বদলে মুখ ভার করে রয়েছে এমনকি ছোট্ট প্রতিবেশি ভুটানও চিনের লাল ফৌজকে তাদের ওয়াচ টাওয়ার ব্যবহার করতে দিয়ে পরোক্ষে সীমান্ত সমস্যায় সায় দিয়ে চলেছে।

এই অবস্থায় মুর্শিদাবাদের বাংলাদেশ সী’মান্তে বাড়তি বিএসএফ সদস্য মজুত করেছে ভারত। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম আ’নন্দবাজার। তারা জানায়, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি সী’মান্তে বিএসএফের বেশ কয়েকটি ক্যাম্প রয়েছে।

পদ্মা নদী বরাবর টহলদারিও নতুন নয়। কিন্তু গত কয়েক দিনে সী’মান্তের বেশ কয়েকটি কলেজ এবং ফ্লাড শেল্টারে নতুন করে কয়েক কোম্পানি বিএসএফ সদস্য এসে আস্তানা গাড়ায় স্থানীদের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে, এত সে’না সদস্য কেন? প্রশ্নটা অমূ’লক নয় জে’লা প্রশাসনের কাছেও। জে’লা কর্তারা এ ব্যাপারে অন্ধকারে।

এক শীর্য কর্তার কথায়, ‘‘এ তো আর নির্বাচনের সময় নয় যে কেন্দ্রীবাহিনী আমাদের জানিয়ে আসবে। ফলে সী’মান্তে আধাসে’না মোতায়েনের কোনও কারণ আমাদের সরাসরি জানানো হয়নি। ফলে আমরাও জানি না কেন এত আধাসে’না মোতায়েন করা হচ্ছে।’’

ইতিমধ্যেই রানিনগর এবং জলঙ্গির বেশ কয়েকটি ফ্লাড শেল্টারে বিএসএফ সদস্য রাখা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি বন্ধ কলেজও। সী’মান্তে নজরদারি বাড়ানোর কথা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন বিএসএফের কর্তারা।

বিএসএফ সদস্যকে যে ‘বিশেষ সতর্ক’ বা স্পেশ্যাল অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে, বিএসএফের বহরমপুর রেঞ্জের ডিআইজি কুনাল মজুম’দার বলছেন, ‘‘মূ’লত লকডাউনের ফলেই সী’মান্তে কিছু জওয়ানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ক্যাম্পে জায়গা না হওয়ায় তাঁদের বন্ধ থাকা ওই কলেজে রাখা হয়েছে।’’

সূত্রঃ- আ’নন্দবাজার

ভারতীয় পণ্য বর্জন করলে বাংলাদেশের কী হবে?

দেশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা ভারত সীমান্ত বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশ না খেয়ে মরবে। বাস্তবতা হল বাংলাদেশ ভালই বি’পদে পড়বে সে ব্যাপারে স’ন্দে’হ নেই। তবে না খেয়ে ম’রা ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। বাংলাদেশ এতটা ফেলনা নয়।

বাংলাদেশ ভারত থেকে প্রায় $৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আম’দানি করে। কিন্তু মোট বাণিজ্যের হিসাবে ভারত ক্রমশ নিন্মগামী। ২০০৭/০৮ পর্যন্ত ভারত ছিল বাংলাদেশের সব থেকে বড় বাণিজ্য অংশীদার। কিন্তু আজ ভারতকে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়ে চীন এক নম্বর পজিশন দ’খল করে নিয়েছে।

যেহেতু ভারত আমাদের বড় কোন রপ্তানি বাজার না, তাই যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারালে বাংলাদেশ যেমন ঝুঁ’কিতে পড়বে ভারতের বাজার হারালে আমরা টের ও পাব না। বরং বাংলাদেশ ভারত থেকে আম’দানি বন্ধ করে দিলে ভারত বিশাল বাজার হারাবে। যেটা ভারতের জন্য বেশ বড় ধাক্কা।

কিন্তু বাংলাদেশের কি উচিত হবে ভারতের থেকে আম’দানি বন্ধ করা?। বাস্তবতা হল রাজনীতি কে রাজনীতির স্থানে এবং ব্যবসাকে ব্যবসার স্থানে না রাখলে বাংলাদেশ কখনো এগিয়ে যেতে পারবে না।

তাহলে কেন ভারত থেকেই আম’দানি করব?। এজন্য একটি অর্থনীতির থিওরি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

ফ্যাক্টর এনডাউমেন্ট থিওরি:

এই থিওরির বিস্তারিত বিশ্লেষণে গেলে অনেকে বুঝতে পারবেন না। তাই আমার নিজের ভাষায় সহজ ভাবে বলার চেষ্টা করছি। ভু’ল হলে ধরিয়ে দিবেন।

থিওরিটা এমন যে, আল্লাহ সবাইকে সব কিছু দেয় না। যেমন ধরুন প্রতিটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং রিসোর্স এক রকম নয়। যেমন ধরুন ভারত রাষ্ট্র হিসাবে বিশাল বড়। সে দেশের আবাদি জমিও বেশি। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসাবে ক্ষুদ্র। আবাদি জমির পরিমাণ ও কম।
বাংলাদেশের মাটি উর্বর।

কিন্তু জনসংখ্যা বেশি হবার কারণে শুধুমাত্র ধান গাছ এবং অন্যান্য খাদ্য শস্য চাষ করলে কোন রকম নিজ দেশের জনগণের খাদ্য চা’হিদা মেটানো সম্ভব। জমি তুলা চাষের জন্য উপযোগী হলেও যদি বাংলাদেশের গার্মেন্টস এর চা’হিদা মেটাতে অধিক পরিমাণ তুলা চাষ করা হয় তবে খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে। ফলে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিবে।

আবার ভারতের জমির অভাব নেই। তুলা চাষ খুব ভাল হয় সেক্ষেত্রে ভারত যদি তুলা চাষ করে তবে তাদের দেশের যে চা’হিদা সেটি মিটিয়েও অতিরিক্ত তুলা রপ্তানি করতে স’ক্ষম। ফ্যাক্টর এনডাউমেন্ট থিওরি যেটা বলে সেটা হল যে দেশে যেই রিসোর্স বেশি সেই দেশের উচিত সেটাকে কাজে লাগানো। সেই রিসোর্স বাদে অন্য রিসোর্স গুলা যেটি ওই দেশে হয়না সেটি যে দেশে বেশি হয় সে দেশ থেকে আম’দানি করে মেটানো। এতে সেই দেশের রিসোর্স এর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

বাংলাদেশ-ভারত থেকে গার্মেন্টস এর জন্য আম’দানিকৃত তুলার ৪৬% আম’দানি করে থাকে। কেন অন্য দেশ থেকে কেনে না? কারণ হল, পার্শ্ববর্তী দেশে তুলার উদ্বৃত্ত রয়েছে। তাই পাশের দেশ থেকে তুলা কিনলে সময় কম লাগবে। দূরত্ব কম হবার কারণে পরিবহন খরচ কম পড়বে। ফলে তুলা থেকে ফেব্রিক উৎপাদন খরচ ও কমে আসবে।

থিওরিটির আরেকটা দিক বলি। বাংলাদেশের ফ্যাক্টর এনডাউমেন্ট রিসোর্স হিসাবে আছে জনসংখ্যা। বাংলাদেশের জনসংখ্যা রাশিয়ার থেকেও বেশি। অধিক জনসংখ্যা বাংলাদেশে কর্মক্ষম মানুষের উদ্বৃত্ত এনে দিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ভাল করবে যদি এমন কোন ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশে হয় যেটা এ জন্য জনসংখ্যা সব থেকে মুখ্য।

আয়ারল্যান্ড এর মত দেশের জন্য গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি করার থেকে আম’দানি করে নিলেই তাদের রিসোর্স বেচে যাবে। কারণ অধিক জনসংখ্যা বাংলাদেশে এ শ্রম মূ’ল্য কমিয়ে দিয়েছে। কিন্তু স্বল্প জনসংখ্যা আয়ারল্যান্ড এর মত দেশকে কর্মক্ষম মানুষের ঘাটতি সৃষ্টি করেছে।

এমন ক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ড যদি চায় যে তারা সব কিছু নিজেরাই উৎপাদন করবে কোন কিছু বিদেশ থেকে আম’দানি করবে না। এজন্য তারা নিজেরা গার্মেন্টস খাতে নিজেদের দেশে বিনিয়োগ করে তবে সেটা লোকসান হবে। কারণ আয়ারল্যান্ডের পক্ষে এত অল্প খরচে পোশাক তৈরি সম্ভব না যেটা বাংলাদেশে সম্ভব। তাই তাদের জন্য কম মূ’ল্যে পোশাক পরিধান করতে গেলে নিজেরা উৎপাদন না করে বাংলাদেশ থেকে কেনা বেশি লাভজনক।

ঠিক এই কারনেই ভারত থেকে আম’দানি বন্ধ করা যাবে না। ( যারা ট্যাগ দিবেন, তাদের বলে রাখি পাকিস্তান ভারত বাণিজ্য ও কিন্তু বন্ধ নাই। নিজেরা নিজেদের উপর অ’বরোধ আরোপ শুধুমাত্র বোকারাই করে)

বাংলাদেশের ব্যবসায়ে প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখার জন্য ভারত থেকে তুলা আম’দানি করা লাগবে। তবে এটাই শেষ কথা নয়। আমাদের অবকাঠামো এবং গভীর সমুদ্র বন্দর রেডি হয়ে গেলে অন্যান্য দেশ থেকেও তুলা আম’দানি সহজ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমাদের দেশেই বন্ডেড ওয়ারহাউজ করা যেতে পারে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আ’গ্রহ দেখিয়েছে এবং বাংলাদেশের কাছে তুলা বিক্রি করতে চাইছে। সেক্ষেত্রে তারা দামের ব্যাপারটাও মাথায় রেখেছে বলে জানিয়েছে।

উজবেকিস্তান থেকেও বাংলাদেশ তুলা আম’দানি করে। ভারতের সাথে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের একটি ক্ষ’তি হবে সেটা হল উৎপাদন খরচ বৃ’দ্ধি পাবে। এখানে তুলার কথা বার বার বলছি কারণ ভারত থেকে আম’দানির সিংহভাগই এই তুলা। এছাড়া অন্যান্য যেসব পণ্য আমাদের দেশে আসে সেগুলার মান অতটা ভাল নয়। খাদ্য দ্রব্যে বাংলাদেশ আপাতত স্বয়ংসম্পূর্ণ।

তাই এই খাতে ভারতের সাথে বাণিজ্য বন্ধ হলে খাতা কলমে কোন প্রভাব পড়বে না। কিন্তু ব্যবসায়ীদের দিয়ে বিশ্বাস নেই। এরা রমজান আসলেও দাম বাড়িয়ে দেয়। পণ্য স্টক করে বাজারে ঘাটতি দেখায়। ভারতের সাথে বাণিজ্য বন্ধ হলে এরা তখন কি করবে সেটা আপনারা হয়ত ভালই বুঝতে পারছেন। তবে এটা হচ্ছে স’রকারের বাজারের উপর নি’য়ন্ত্রণ না থাকার দরুন। এক্ষেত্রে আমাদের বাজার ব্যবস্থা কে ঢেলে সাজাতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here