ছাত্রীর মাকে ডেকে নিয়ে ধ`র্ষ`ণ করলেন স্কুল শিক্ষক

0
204

বড়াইগ্রামের মাঝগ্রামে আনিসুর রহমান নামে এক স্কুলশিক্ষকের বি-রু-দ্ধে এক শিক্ষার্থীর মাকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।ধ-র্ষ-ণের পর থানায় যেতে না দিয়ে চা’পের মুখে আপোষ মিমাংসার নামে ওই না’রীকে বাবার বাড়ি যেতে বা’ধ্য করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গ্রামপ্রধানরা।অ’ভিযুক্ত আনিসুর রহমান মাঝগ্রামের সাদেকুর রহমান মুন্সীর ছেলে। তিনি মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত।

জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যায় আনিসুর রহমান ঐ না’রীকে ছেলের লেখাপড়া বি’ষয়ে কথা বলার জন্য মোবাইলে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে ডেকে নেন। পরে সেখানে বাড়ির সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে আনিস তাকে মুখ চে-পে ধ-রে ধ-র্ষ-ণ করে।

এ সময় প্রতিবেশীরা তার ডাক চি’ৎকারে এগিয়ে এসে আনিসকে হা-তে-নাতে আ-টক করেন। কিন্তু খবর পেয়ে আনিসের স্বজনরা এসে হু’মকি-ধা’মকি দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

পরের দিন ঐ না’রীর বাবাকে খবর দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে স্থানীয় গ্রামপ্রধানরা নামকাওয়াস্তে বি’ষয়টি মি-মাংসা করেন। একই স’ঙ্গে তাদেরকে থানায় গেলে অমঙ্গল হবে জানিয়ে ঐ না’রীকে তার বাবার স’ঙ্গে চলে যেতে বা’ধ্য করেন।এ ঘ’টনার পর থেকে অ’ভিযুক্ত আনিস প’লাতক রয়েছেন।

এ বি’ষয়ে মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুস্তম আলী মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, আনিস শা’রীরিক অ’সুস্থতার কারণে ছু-টিতে আছেন। তবে তিনি একটানা কয়দিন ছুটি পেতে পারেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের স’ঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার বলেন, এটি পারিবারিকভাবে মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ঐ না’রীকে সবার সাথে মিলে চলার স্বার্থেই মা’মলা না করাসহ কিছুদিন বাবার বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস বলেন, বি’ষয়টি আমার জানা ছিল না। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো জানুন
খুলনাকে ফাইনালে নিলেন আমির বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ফাইনালে যাওয়ার লড়াই। সে ল’ড়াইয়ে দুই দলের হল্যে লড়লেন চারজন। এদের তিনজনই অবশ্য পাকিস্তানের। রাজশাহী রয়্যালসের হয়ে মোহাম্ম’দ ইরফান ও শোয়েব মালিক। আর খুলনা টাইগার্সের হয়ে মোহাম্ম’দ আমিরের স’ঙ্গী নাজমুল হোসেন। বাকি তিনজন অবশ্য পাদটীকা হয়ে গেলেন ম্যাচ শেষ হতে হতে। এই বাঁহাতি পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে রাজশাহীকে ২৭ রানে

হা’রিয়ে ফাইনালে চলে গেল খুলনা।১৫৯ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল রাজশাহী। পুরোপুরি টপ অর্ডার নির্ভর দল হিসেবে বিপিএল পার করা দলটি আজ ব্যাটিং লাইনআপে বৈচিত্র্যের অভাবটা টের পেল। মোহাম্ম’দ আমিরের প্রথম স্পেলে ধ্বং’স হয়ে গেল তারা। ২৩ রানেই ৫ উইকেট হা’রিয়ে ফে’লেছিল তারা। এর চারটিই মোহাম্ম’দ আমিরের।

সুইং আর বাড়তি বাউন্সে নাভিশ্বাস তুলে দিয়ে একে একে লিটন দাস, আফিফ হোসেন, অলক কাপালি ও আন্দ্রে রাসেলকে তুলে নিয়েছেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারেই পঞ্চম উইকেটটি পেয়ে যেতেন। কিন্তু থার্ডম্যানের ফিল্ডার ফরহাদ রেজার ক্যাচ’টি হাতে নিয়েও রাখতে পারেননি। ফলে ২৩ রানেই ষষ্ঠ উইকেট হারায়নি রাজশাহী।

ফফরহাদ অবশ্য ১০ রান পরেই ড্রেসিংরুমমুখী হয়েছেন। ৩৩ রানে ৬ উইকেট হা’রানোর পর রাজশাহী যে ম্যাচটা ২০ ওভার পর্যন্ত টানতে পেরেছে তার পুরো কৃতিত্ব শোয়েব মালিকের। এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে অন্যদের আসা যাওয়া দেখতে থাকা এই পাকিস্তানি তাইজুলেই পেলেন প্রথম আস্থা রাখার মতো স’ঙ্গী। ৯.৩ ওভারের জুটিতে দুজন ৬৪ রান তুলেছেন। এর মাঝে তাইজুলের অবদান ১২। সে ১২ রান তুলতে ২৩ বল না খেলে ফেললে ম্যাচ জেতার আশা করতে পারত রাজশাহী। অন্যদিকে এতটাই ভালো খেলছিলেন মালিক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here