৪৪ দিনে ৫০০ বার ধ’র্ষণের শি’কার জুনকো

0
78

পৃথিবীতে প্রেম-ভালোবাসার অনেক গল্পই আমাদের জানা। কিছু ব্য’র্থতা আবার কিছু প্রা’প্তি এই নিয়েই গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্প’র্কগুলো। একজন পুরু’ষের অন্য একজন না’রীকে ভালো লাগটাই স্বাভাবিক। তার মানে এই নয় যে, সেই না’রীরও তাকে ভালো লাগতে হবে।

এমনটা একজন না’রীর পছন্দের ক্ষেত্রেও হতে পারে। তবে আজ আমাদের প্রতিবেদনটি এমন একজন না’রীর গল্প নিয়ে সাজানো যার ম’র্মান্তিক মৃ’ত্যুর গল্প আজো মানুষের চোখে জল এনে দেয়। শুধুমাত্র প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে সইতে হয়েছিলো অমানবিক অ’ত্যাচার।

জুনকো ফুরুতা জাপানের সায়তামা প্রদেশের মিসটোর এর এক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তেন। তিনি বেশ সুন্দরী ছিলেন আর এজন্য মানুষ তার প্রতি যে আ’গ্রহ দেখাত তা তিনি উপভোগ করতেন। তিনি ধূমপান ও অ্যালকোহল পান করতেন না এমনকি সমসাময়িক অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীদের মত ড্রাগও নিতেন না।

বরং এগুলো যারা করতো তাদেরকে তিনি পাত্তাও দিতেন না। এমন ধরনের এক ছেলে হিরোশি মিয়ানো তাকে পছন্দ করত এবং তাকে ভালোবাসার কথা জানায়। তবে জুনকো হিরোশির প্রস্তাবে রাজি না হয়ে সরাসরি না করে দেয়। এতে প্র’তিশোধ নেয়ার সি’দ্ধান্ত নেয় হিরোশি।

১৯৮৮ সালের ২৫ শে নভেম্বর, হিরোশিসহ ৪ জন কিশোর অ’পহরণ করে জুনকোকে। তারা জুনকোকে টোকিওর আতাচিতে এক অ’পহরণকারীর বাবা-মায়ের মালিকানাধীন গৃহে নিয়ে যায়। অ’পহরণকারীরা জুনকোকে বা’ধ্য করে তার বাবা মাকে ফোন করে বলতে যে সে কয়েকজন বন্ধুর স’ঙ্গে কিছুদিন থাকবে এবং সে কোনো বি’পদের মধ্যে নেই। এরপর শুরু হয় জুনকোর উপর অমানবিক নি’র্যাতন।

তার উপর নি’র্যাতন এতটাই ভ’য়াবহ ছিলো যে, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কোনোদিন চিন্তা করতে পারবে না তার স্বগোত্রীয়ের এমন নৈতিক অধঃপতনের কথা। কোনো লেখক ভু’লেও তার গল্পের কোনো চরিত্রকে এমন নি’র্যাতনের মুখোমুখি করতে সাহস করবেন না। এমন কিছু মানুষ শুধু দুঃস্বপ্নেই দেখতে পারে, ঘোরতর দুঃস্বপ্নে।

জুনকোকে ৪৪ দিন আ’টকে রাখা হয় এবং তার উপর অমানষিক অ’ত্যাচার করা হয়। তাকে সর্বক্ষণ উ’লঙ্গ রাখা হত এবং এই ৪৪ দিনে তাকে ১০০ জনের বেশি ব্যাক্তি ৫০০ বারের মত নানা উপায়ে ধ’র্ষণ করে। প্রতিদিন মানুষের কল্পনার বাইরে নানারকম নি’র্যাতন করা হত তার উপর।

তাকে প্রতিদিন পে’টানো হত এবং বোতল, কাঁচি ও লোহা সহ নানা জিনিস তার যৌ’না’ঙ্গে ঢোকানো হত। বা’ধ্য করা হত জ্যান্ত তেলাপোকা ও নিজের মূ’ত্র পান করার জন্য। তার শ’রীরের বিভিন্ন জায়গা পু’ড়িয়ে দেয়া হয়। তার স্ত’নও কে’টে নেয়া হয়।

এছাড়া তাকে ঝু’লিয়ে রেখে বক্সিং ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করা হত। ঘন্টার পর ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দেয়া হত। লাইটার দিয়ে চোখের মনি, যৌ’না’ঙ্গ ও ক্লাইটোরিস পু’ড়িয়ে দেয়া হয়।

সুঁই দিয়ে শ’রীরে অসংখ্য ছিদ্র করা হয়। জুনকো নিঃশ্বাস নিতে পারত না কারণ নাকে র’ক্ত জমাট বেঁ’ধে গিয়েছিল। বিভিন্ন আভ্যন্তরীণ র’ক্তক্ষরণের জন্য তার পাকস্থলী খাবার হজম করতে পারত না, ফলে বমি করে দিত। কার্পেট নোং’রা করার জন্য তাকে আরো মা’রধর করা হত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here