প্রাথমিকের যে বরাদ্দ ২৫ জুনের মধ্যে না তুললে ফেরত

0
125

আগামী ২৫ জুনের মধ্যে স’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা না তুললে স’রকারি কোষাগারে ফেরত যাবে বলে জানিয়েছে স’রকার। আর এই টাকা একবার কোষাগারে গেলে সেটা আর কোনোদিন তোলা যাবে না।

গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার) দেশের সব থানা/উপজে’লা শিক্ষা অফিসারকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত স’চিব) মো. ইউসুফ আলী।

‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প-৩য় পর্যায়’ প্রকল্পের ওই চিঠিতে ২০১৬-১৭ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে পাঠানো উপবৃত্তির টাকা জরুরি ভিত্তিতে উত্তোলন করতে বলা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির অর্থ পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কিস্তিতে উপবৃত্তির অর্থ পাঠানো হলেও অলসভাবে ফে’লে রাখা হয়েছে, অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে না। শিক্ষার্থীর লেখাপড়া চালাতে আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য অর্থ বিতরণ করলেও তা অ্যাকাউন্টে ফে’লে রাখা প্রকৃত সুবিধাভোগী অভিভাবকের নয়।

এ অবস্থায় স’রকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নে এবং স’রকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে যেসব মোবাইল অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির অর্থ অনুত্তোলিত অবস্থায় রয়েছে, তা আগামী ২৫ জুনের মধ্যে উত্তোলনের ব্যবস্থা/নির্দেশনা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। উল্লিখিত তারিখের পরে অর্থ স’রকারি কোষাগারে জমা করা হবে এবং ওই অর্থের কোনো প্রকার দাবি বিবেচনা করা হবে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উপজে’লা নির্বাহী অফিসার এবং জে’লা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়। এছাড়াও জে’লা প্রাথমিক শিক্ষা মনিটরিং অফিসারকে উপজে’লা শিক্ষা অফিসারদেরকে এ বি’ষয়ে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে প্রগতি সিস্টেম লিমিটেড। তাদেরকেও চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়। প্রাথমিকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ টাকা করে এবং প্রাক-প্রাথমিকে মাসিক ৫০ টাকা করে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এতে উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here