অসুরক্ষিত যৌ’ন সংসর্গ থেকে সাবধান! তা নানা রো’গের কারণ হতে পারে

0
75

যৌ’ন স’ম্পর্ক নিয়ে আমরা এখন অনেক মুক্তমনা হয়েছি। কেবলমাত্র একজনের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়, এমন একটা ধারণা থেকেও আজকের সমাজ ক্রমশ সরতে আরম্ভ করেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও ঠিক যে, যৌ’নতা নিয়ে আপনি যত পরীক্ষামূলক হবেন, তত বাড়বে যৌ’ন সংসর্গজনিত অসুখবিসুখের আ’শঙ্কা। সোজা কথায়,

সুরক্ষাকবচের সাহায্য না নিয়ে স’ম্পর্কে লি’প্ত হলে নানা ধরনের এসডিটি (সে’ক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ়) বা এসটিআই (সে’ক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন) হতে পারে। মে’য়েদের ক্ষেত্রে খুব কমন কতগু’লি সমস্যা আছে – সেগু’লি আপাতভাবে খুব ছোট মনে হলেও পরবর্তীকালে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার মধ্যে যেগু’লি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তা নিয়েই আপাতত আলোচনা চা’লানো যাক।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাই’রাস (SPV):ম’হিলাদের মধ্যে যে এসটিডি বা এসটিআইগু’লি দেখা যায়, তার মধ্যে এইচপিভি সবচেয়ে কমন। এইচপিভি কিন্তু সারভাইকাল ক্যানসারেরও অন্যতম কারণ।

আজকাল এর টীকা বেরিয়ে গিয়েছে এবং কম বয়সেই তা নিয়ে রাখা যায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার শ’রীর নিজের থেকেই এইচপিভি প্রতিরোধ করে দেয়, তা সম্ভব না হলে কিন্তু জেনিটাল ওয়ার্টস হতে পারে। মুখ আর গ’লাতেও সং’ক্র’মণ হয় অনেক সময়।

ক্ল্যামাইডিয়া:এটিও খুব কমন এসটিডি। সাধারণত প্রস্রাব করার সময় জ্বা’লাভাব আর ভ্যাজাইনা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষরণ হয় ক্ল্যামাইডিয়া হলে। ব্যাকটেরিয়ার সং’ক্র’মণ থেকে এমনটা হতে পারে, অ্যান্টিবায়োটিক দিলে সেরে যায়।

তবে দম্পতিদের দু’জনকেই একসঙ্গে ও’ষুধের কোর্স কমপ্লিট করতে হবে। মাস তিনেক বাদে আরও একবার পরীক্ষা করে তবে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সং’ক্র’মণ পুরোপুরি কে’টেছে।

জেনিটাল হারপিস:হারপিস ভাই’রাস আ’ক্রমণ করলে ভ্যাজাইনার আশপাশে সাধারণত য’ন্ত্রণাদায়ক ছোট ছোট ফোসকা দেখা যায়। খুব তাড়াতাড়ি সং’ক্র’মণ ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ভাইরাল সং’ক্র’মণ, তাই নিয়’ন্ত্রণের কোনও রাস্তা নেই। তবে ব্য’থা বা জ্বা’লা কমানোর ও’ষুধ খেয়ে খানিকটা নিয়’ন্ত্রণ করা যায়।

কী থেকে বুঝবেন যে আপনার এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে?

প্রস্রাবে জ্বা’লাভাব ও ভ্যাজাইনা থেকে অস্বাভাবিক ক্ষরণের কথা আগেই বলা হয়েছে। সাধারণত কোনও যৌ’ন সং’ক্র’মণ হলে ইন্টারকোর্সের সময় ব্য’থা অনুভব করবেন। তা ছাড়া যৌ’নাঙ্গে ফুসকুড়ি, ব্য’থা বা ক্ষ’ত হলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অস্বাভাবিক র’ক্তপাত, ভ্যাজাইনায় চুলকানি, ইস্ট ইনফেকশন, কন্ডোমে অ্যালার্জিও হতে পারে। এর কোনও একটি লক্ষণ থাকলেই ডাক্তার দেখানো উচিত।

যৌ’ন মি’লনে না’রীর কিছু ক’ষ্টদায়ক সমস্যা

ঠেকানোর জন্য কী করবেন?

যৌ’ন সং’ক্র’মণ ঠেকানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা হচ্ছে সতর্কতা। অসুরক্ষিত সংসর্গ থেকে দূরে থাকুন। কন্ডোম আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা জোগাবে। তাই যাঁরা নিয়মিত বার্থ কন্ট্রোল পিল খান বা কপার টি ব্যবহার করেন, তাঁরাও কন্ডোম ইউজ় করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here