ভারতীয় ‘নীল ছবি’ দেখে যে ১০টি জিনিস আপনি শিখতে পারে‌ন

0
203

একটু মেদবতী নন যে মে’য়ে, তার কোনও যৌ’ন আবেদনই নেই। মাঝবয়সি বৌদি-টাইপ না হলে ম’হিলারা ‘সে’ক্সি’ বলে বিবেচিত হওয়ার যোগ্যই হন না।ঘোর নির্জন বাথরুমে শাওয়ারের নীচেও মে’য়েরা সুইমিং কস্টিউম পরে স্নান করেন।

ভারতীয় ‘নীল ছবি’ বা পর্নের আলাদা ঘরানা রয়েছে। স্বদেশি পর্ন মানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফট পর্ন বা আধা পর্ন। এদেশে ‘মাল্লু’ বা ‘দেশি’ নামে পরিচিত যে দক্ষিণ ভারতীয় ফিল্ম-গোত্র, তা সবসময়ে ‘ইংলিশ’ পর্নের মতো অতটা রগরগে জিনিস নয়। এই ফিল্ম ঘরানার স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। এই ফিল্মের দর্শক যাঁরা তাঁরা এই সব ফিল্ম থেকে শিখে নিতে পারেন যে উদ্ভট কয়েকটি জিনিস তা এরকম—

১. মাল্লু সিনেমা দেখে আপনার মনে হতেই পারে যে, ভারতে ‘সে’ক্স’ নামক বস্তুটি কেবল দক্ষিণ ভারতেই পালিত হয়। কারণ এইসব সিনেমায় উত্তর ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রী রীতিমতো বিরল।

২. সমস্ত পোশাক-আশাক না খুলেও স’ঙ্গম করা কোনও ব্যাপার নয়। কারণ দেশি ‘পানু’ ফিল্মে নিম্নাঙ্গের পোশাক অধিকাংশ সময়েই খোলা হয় না।

৩. একটু মেদবতী নন যে মে’য়ে, তার কোনও যৌ’ন আবেদনই নেই।

৪. মাঝবয়সি বৌদি-টাইপ না হলে ম’হিলারা ‘সে’ক্সি’ বলে বিবেচিত হওয়ার যোগ্যই হন না।

৫. মানুষকে যৌ’নভাবে উ’ত্তেজিত করার জন্য সে’ক্স ফ্যান্টাসিই যথেষ্ট। ভারতীয় পর্নে প্রায়শই দেখা যায় লোকে কেবল কল্পনার মাধ্যমেই মহা উ’ত্তেজিত হয়ে উঠছে।

৬. শ’রীরী প্রেম করার জন্য বিছানার থেকেও ভাল জায়গা হল বাথরুম। মিলিত হওয়ার জন্য না’রী-পু’রুষ কথায় কথায় শাওয়ারের নীচে চলে যায়।

৭. সেই পু’রুষই বিছানায় কাম্য, যার নাকের নীচে মোটাসোটা গোঁফ রয়েছে।

৮. রেপ ও স্বাভাবিক যৌ’নতার মধ্যে ফারাক সামান্যই। কারণ নায়িকারা দু’ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম এক্সপ্রেশন দিয়ে থাকেন। এবং সেই এক্সপ্রেশনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল ঠোঁট কামড়ানো।

৯. ঘোর নির্জন বাথরুমে শাওয়ারের নীচেও মে’য়েরা সুইমিং কস্টিউম পরে স্নান করেন।

১০. সদ্যস্নাতারা বাথরুম থেকে বের হন সর্বদাই তোয়ালে পরে। অন্য আব্রু দেখাই যায় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here