জেনে রাখু’ন কখন স’হবাস করলে মে’য়েরা বেশী তৃ’প্তি পায়

0
122

পু’রুষরাই রাতের বেলা শা’রীরিক মি’লন বা স’হবাস করা এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে দেখা যায়, রাতের

বেলায় না’রীরা যখন স’হবাস করার জন্য বেপরোয় হয়ে উঠে ঠিক তখন পু’রুষরা নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আবার সকাল বেলা যখন পু’রুষরা সহ’বাস করতে চায়

তখন না’রীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আ’গ্রহ থাকেনা।’অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আসলে এমনটি কেন হয়। শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে

বলা হয়েছে, মানুষের হর’মোনের কারণে এমনটি দেখা যায়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌ’ন প্র’ণোদনা কেমন হয়।

ভোর পাঁচটা :- যখন একজন পু’রুষ ঘুম থেকে ওঠে তখন তার টে’সটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় এটির মাত্রা থাকে ২৫-৩০ শতাংশের মধ্যে।

এটি দিনের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া পু’রুষের সে’ক্স হর’মোন উৎপাদনের জন্যে যে পিটুই’টারি গ্র’ন্থি কাজ করে সেটি রাতে চালু হয়। ভোরের দিকে এটি বাড়তে থাকে।

সকাল ছয়টা :- ভাল ঘুম উ’ত্তেজনা বৃ’দ্ধির একটি কারণ। গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় গভীরভাবে একটি ঘুম দিলে টে’সটোসটেরনের মাত্রা বৃ’দ্ধি পায়।

আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি ঘুম পু’রুষের টে’সটোসটের মাত্রা অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ বৃ’দ্ধি করে।

দুপুর বারোটা :- এসময় সামনে দিয়ে সুন্দরী রমণী হেঁটে বেড়ালেও কোনো ধরনের যৌ’ন প্র’ণোদনা তৈরি হয় না। এ সময় হয়ত কাউকে দেখলে মনের মধ্যে ভালো লাগা তৈরি হয়। এসময় সে’ক্স হর’মোন বাড়তে অনেক সময় নেয়। বেলা একটা :- এসময় যদি কোনো না’রী তার স’ঙ্গীকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে তার টে’সটোসটেরনের মাত্রাটা দ্রুত বাড়ে। কিন্তু পু’রুষদের এসময় সে’ক্স হর’মোন অনেক ধীরে কাজ করে।

সন্ধ্যা ছয়টা :- এই সময়ে না’রীদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পু’রুষদের টে’সটোস’টের মাত্রা কমতে থাকে। তবে একটি গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, জিম করার পর না’রী ও পু’রুষ উভ’য়েরই কামশ’ক্তি বাড়ে। সন্ধ্যা সাতটা :- জাপানের নারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, এসময় মিউজিক না’রীদের স’হবাস হ’রমোন বৃ’দ্ধি করে। কিন্তু পু’রুষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্র’ভাব পড়ে না।

রাত আটটা :- এসময় যদি পু’রুষরা টেলিভিশনে উ’ত্তেজনাপূ’র্ণ কোনো খেলা দেখে তাহলে সেটি তার স’হবাস হ’রমোন বৃ’দ্ধিতে সহায়তা করে। উথাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লালা গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, এমন সময় যদি কেউ বিশ্বকাপের মত কোনো একটি উ’ত্তেজ’নাপূর্ণ ম্যাচ দেখে এবং তার পছন্দের দল জিতে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ বৃ’দ্ধি পায়। আর যদি তার দল হারে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, না’রীরা খেলা দেখার চেয়ে খেলা করলে তার স’হবাস হরমোন বেশি বৃ’দ্ধি পায়।

রাত নয়টা :- এসময় না’রীদের সে’ক্স হর’মোন সাধারণত বৃ’দ্ধি পায়। তবে যদি না’রীরা মনে করে যে তাকে দেখতে খুব খা’রাপ দেখাচ্ছে তাহলে সে স’হবাস করতে তেমন আ’গ্রহী হয় না। রাত দশটা :- এসময় যদিও পু’রুষদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা কম থাকে তারপরও তারা স’ঙ্গী’নির সাথে স’হবাস করতে চায়। এসময় না’রীদেরও যৌ’ন চা’হিদা বেশি থাকে।

সকাল সাতটা :- যখন পু’রুষরা সকালে ঘুম থেকে ওঠে তখন তাদের স’হবাস হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় না’রীদের সে’ক্স হ’রমোনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ওয়েস্ট বার্মিংহাম হাসপাতালের স্ত্রীরো’গ বিশেষজ্ঞ গ্যাব্রিয়েল ডৌনি বলেছেন, দিনের অপরভাগে না’রী ও পু’রুষের টে’সটোসটে’রনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ঋ’তুস্রা’বের কারণে না’রীদের স’হবাস হর’মোন ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে।

সকাল আটটা :- এসময় না’রী ও পু’রুষ উভ’য়ই দিনের কাজের জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাদের স্ট্রে’স হরমোন করটিসলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এটি মানুষের স’হবাস হর’মোনের প্রভাব’কে কমিয়ে আনে। না’রী-পু’রুষের যৌ’ন প্রণোদনা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। হর’মোনই এটির প্রধান চালিকা শক্তি। একারণে পু’রুষ ও না’রীর যৌ’ন চাহিদার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here