Home Blog

স’রকারের পরিবর্তন হলে মাঝে অনেক কিছু হয়ে যায়, সং’সদে প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা দেশের জনগণের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাঁরা আমাদের পরপর তিনবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। স’রকার গঠনের সুযোগ করে দিয়েছেন।

যার কারণে আমরা দেশের উন্নয়নে একটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে স’ক্ষম হচ্ছি। মাঝখানে চেঞ্জ (পরিবর্তন) হলে আবার অনেক কিছু হয়ে যায়। সেটা আমরা দেখেছি ২০০১ সালের পরে।’ আজ বুধবার জাতীয় সং’সদে প্রশ্নোত্তরপর্বে সং’সদ সদস্য এ কে এম রহমত আলীর করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও সং’সদ নেতা এ কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে স’রকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর পর ইতিহাস থেকে জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক বুদ্ধিজীবী ও লেখকও তাঁদের লেখনীতে জাতির পিতার বি’ষয়ে লিখতেন না। ধীরে ধীরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথাগুলো মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু একটি জাতিকে ধাপে ধাপে স্বাধীনতার জন্য গড়ে তুলেছেন, এ কথাগুলো তুলে ধরা হতো না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, একটি যু’দ্ধবি’ধ্বস্ত দেশকে জাতির জনক গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। শিক্ষার্থীদের বইপুস্তক ও পোশাক দেওয়া থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সবই তিনি করেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতাকে শুধু হ’ত্যাই করা হয়নি, তাঁর বি’রুদ্ধে মিথ্যা অ’পপ্রচারও চা’লানো হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে চায়। আমরা মানুষকে সঠিক ইতিহাস জানাতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি।’

‘নমুনা পরীক্ষায় প্র’তারণা নিয়ে ক’ঠোর অবস্থানে স’রকার’

0

ক’রোনাভা’ইরাসে নমুনা পরীক্ষা, সনদ, প্লাজমা ডোনেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান প্র’তারণার আশ্রয় নিয়েছে, তাদের বি’রুদ্ধে স’রকার ক’ঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বুধবার রাজধানীর সং’সদ ভবন এলাকায় নিজের স’রকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। এ সময় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র হিসেবে আমির হোসেন আমুর নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক’রোনা সং’কট ঘিরে একশ্রেণির অ’সাধু চ’ক্র প্র’তারণার আশ্রয় নিচ্ছে, মানুষ ঠকাচ্ছে। স’রকার এসব প্র’তারণা ও অনিয়মের বি’রুদ্ধে অত্যন্ত ক’ঠোর অবস্থানে। এ ধরনের প্র’তারণা মানুষের অ’সহায়ত্ব নিয়ে নি’র্মম বাণিজ্য ছাড়া কিছু নয়। অন্যদিকে, আমাদের কিছু মানুষ সং’ক্র’মণ লুকিয়ে, ত’থ্য গো’পন করে চলাফেরা করছে।

শুধু তাই নয়, ক’রোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে বিদেশে গিয়ে এয়ারপোর্টে পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিদেশে যাওয়ার এ তীব্র প্রতিযোগিতা এবং সত্য গো’পন রাখায় বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ন’ষ্ট হতে পারে। লাখ লাখ প্রবাসীকে অবিশ্বাস আর অনিশ্চয়তার আঁধারে ঠেলে দিচ্ছে। দয়া করে কেউ এমন কাজ করবেন না।’

সং’ক্র’মণ না লুকিয়ে লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেশনে থাকতে এবং চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, ‘আপনার ত’থ্য গো’পনের স’ঙ্গে দেশের ইমেজ, লাখ লাখ প্রবাসীর ভাগ্য এবং আপনার নিজের ভবি’ষ্যৎ ও অনিশ্চয়তা আবর্তিত হবে।’

ঈদে সং’ক্র’মণের বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সমাগম এড়িয়ে চলতে হবে নিজের ও পরিবারের স্বার্থে। পশুর হাট, বাস, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশন, ফেরিঘাট, শপিংমল, কাঁচাবাজারসহ প্রতিটি স্থানে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখে, মাস্ক পরে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুরক্ষা তৈরি করতে হবে। পরিবারের স’ঙ্গে ঈদ করার আ’নন্দযাত্রা যেন বি’ষাদযাত্রায় রূপ না নেয়, সে বি’ষয়ে সচেতন থাকতে হবে।’

‘ক্ষণিকের উদাসীনতা জীবনের চিরচেনা কোলাহল থেকে আমাদের নিঃশব্দে অচেনা জগতে নিয়ে যেতে পারে। তাই আসুন, সচেতনতার সর্বোচ্চ মাত্রায় নিজেদের সুরক্ষা করি। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কোনো প্রয়াসই কাজ দেবে না। লকডাউন কিংবা রেড জোন। তাই আসুন, মনের মাঝেই দৃঢ়তার নির্মাণ করি ক’রোনার সং’ক্র’মণ প্রতিরোধে।’

ক’রোনা সং’ক্র’মণ রোধ ও আ’ক্রান্তদের চিকিৎসায় সম্মুখ সারিতে থেকে যাঁরা লড়াই চা’লিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে কাদের বলেন, ‘আপনাদের ত্যাগ, মনোবল এবং সং’কটে সহমর্মিতার যে নজির স্থাপন করেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করবে। জাতির প্রয়োজনে আপনারাই প্রকৃত বীর।’ এ সময় মৃ’ত্যু হওয়া সামনের সারির যোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ওবায়দুল কাদের।

ডিভোর্সের গুঞ্জনে যে কান্ড করলেন মাহিয়া মাহি

0

বেশ কিছুদিন ধরেই মিডিয়ায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ভালো নেই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সংসার জীবনে সং’কটময় সময় পার করছেন তিনি। স্বা’মী পারভেজ মাহমুদ অপুর স’ঙ্গে সম্প’র্কের ইতি টানার পথে নাকি হাঁটছেন অগ্নি খ্যাত এই নায়িকা। বর্তমানে স্বা’মীর কাছ থেকে আলাদাও থাকছেন তিনি।মাহির একাধিক ঘনিষ্টসূত্রের বরাত দিয়ে এমন ত’থ্য প্রকাশ পাচ্ছিলো।

কিছু গণমাধ্যমে এ নিয়ে গুজব-গুঞ্জনের সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। যা সিনেমাপাড়ায় দুশ্চিন্তার জ’ন্ম দিয়েছে। যদিও এ বি’ষয়ে মাস কয়েক আগে মুখ খুলেছিলেন মাহিয়া মাহি। জানিয়েছিলেন, ভালো আছে তার সংসার।

তবু গুঞ্জন যেন থামবার নয়।তবে সেই গুঞ্জনে আবারও জল ঢেলে দিলেন মাহি। আজ ৭ জুলাই তার স্বা’মী অপুর জ’ন্ম’দিন। এদিনে স্বা’মীর স’ঙ্গে তরতাজা একটি সেলফি পোস্ট করেছেন তিনি। জানিয়েছেন জ’ন্ম’দিনের শুভেচ্ছাও।

আজ নিজের ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করেন মাহি।এদিকে এ নায়িকার এক ঘনিষ্ট সূত্রে জানা গেল, স্বা’মী অপুর স’ঙ্গে বেশ ভালো আছেন মাহি। আর দশটা দম্পতির মতোই তাদের মধ্যে কিছু বি’ষয় নিয়ে মতানৈক্য হয়। তর্ক হয়।

সেগুলো মিটেও যায়। মাহির কাজের প্রতি অপুর সমর্থন ও শ্রদ্ধা শুরু থেকেই ছিলো। অপুর প্রতিও স্ত্রী হিসেবে দায়িত্বশীল মাহি।এদিকে মাহি ব্যস্ত রয়েছেন কিছু সিনেমা নিয়ে। তারমধ্যে আছে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের পরিচালনায় ‘আ’নন্দ অশ্রু’।

এখানে ‘পোড়ামন’ ছবির নায়ক সাইমন সাদিকের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। আর সিয়াম আহমেদের বিপরীতে মাহি কাজ করছেন রায়হান রাফির ‘স্বপ্নবাজি’ ছবিতে।পাশাপাশি নতুন করে তিনি কাজ শুরু করবেন ‘নবাব এলএলবি’ নামের সিনেমায়। চলচ্চিত্রটির পরিচালক অনন্য মামুন। আর এ ছবির মধ্য দিয়ে মাহিকে দীর্ঘদিন পর দেখা যাবে শাকিব খানের বিপরীতে।

‘মিশন দ’খল করতে চাওয়া’ ২৭ বাংলাদেশির থাকা-খাওয়া দেখছে ভিয়েতনাম

0

অ’বৈধভাবে ভিয়েতনামে যাওয়া এবং সেখানে বাংলাদেশ মিশন ‘দ’খল করতে চাওয়া’ ২৭ বাংলাদেশিকে হ্যানয়ে দুটি গেস্ট হাউজে রাখা হয়েছে। দূ’তাবাসের সহায়তায় ভিয়েতনাম স’রকার বিনা খরচে তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বাংলা ট্রিবিউনকে এই ত’থ্য জানান। বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার সব খরচ স’রকারকে বহন করতে হবে এবং দাবি পূরণ না হলে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বাংলাদেশ মিশন আ’ক্রমণ করা হবে- তাদের এ ধরনের হু’মকির বি’ষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিটি স’রকার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম, সাধ্য ও বাস্তবতার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনও ব্যতিক্রম নয়।

বি’ষয়টি ব্যাখা করে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে হাজার হাজার বাংলাদেশি যারা পর্যটক বা অন্যান্য ধরনের ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করেছিলেন, তারা বিভিন্ন দেশে আ’টকা পড়েন। তাদের দেশে ফেরত আনা হয়েছে। তবে তাদের ফেরত আনার জন্য স’রকার কোনও অর্থ ব্যয় করেনি বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, এ খাতে খরচ করার মতো অর্থ দূ’তাবাসের কাছে নেই এবং এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনার জন্য আমরা ঢাকাকে জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, ওই ২৭ বাংলাদেশি গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে পর্যটক ভিসা নিয়ে ভিয়েতনামে প্রবেশ করেন।

তাদের বাস্তবতার বি’ষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এরা পর্যটক ভিসা নিয়ে ভিয়েতনামে প্রবেশে করেছে এবং হো চি মিন শহরে একটি কোম্পানির স’ঙ্গে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যা তারা করতে পারে না।

দ্বিতীয়ত, তারা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিয়েতনামে থেকে ভিয়েতনাম স’রকারের বি’রুদ্ধে দু’র্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনছে যা এদেশের স’রকার ভালোভাবে নেবে না। তৃতীয়ত আমরা চাইলেও তাদের ফেরত পাঠাতে পারবো না যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিয়েতনাম স’রকার তাদের বিমানবন্দর উন্মুক্ত করছে।

তিনি বলেন, আমাদের বড় সুযোগ ছিল ২ জুলাই বিশেষ ফ্লাইট যা তারা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে।

২ জুলাই বিশেষ ফ্লাইটের বি’ষয়ে তিনি বলেন, ভিয়েতনাম স’রকার তাদের নাগরিকদের ফেরত আনার জন্য বাংলাদেশে একটি বিশেষ ফ্লাইট পাঠাচ্ছিল এবং আমরা ওই সুযোগ নিয়ে এখানে আ’টকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছিলাম এবং ১১জন ফেরতও গেছে।

হ্যানয়-কলম্বো-ঢাকা ফ্লাইটের হ্যানয়-কলম্বো ভাড়া ছিল ৯০০ ডলারের বেশি। কিন্তু ঢাকা পর্যন্ত ভাড়া আমরা তাদের স’ঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করেছিলাম ৬৬৫ ডলার।

বর্তমান পরিস্থিতি সম্প’র্কে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে যে ৬৩জন ভিয়েতনামের নাগরিক ফেরত গেছেন তাদের ১৪ জন ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্ত এবং এ পরিস্থিতিতে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের কোনও অনুমতি দেবে না।

দূ’তাবাস কী করছে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট এখানকার দালাল চ’ক্রের কাছে আছে। আমরা ইতোমধ্যে ভিয়েতনাম স’রকারের কাছে চিঠি দিয়েছি যাতে করে ওই পাসপোর্ট উ’দ্ধার করা হয়। তারা এখানে ভিসার মেয়াদের বেশি অবস্থান করার কারণে যে জরিমান হয়েছে সেটি মওকুফ ও ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বলেছি। এছাড়া প্রত্যবাসনের জন্যও আমরা সহায়তা চেয়েছি।

কারা এই ২৭ বাংলাদেশি

এ বি’ষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এরা বিভিন্ন সময়ে অনলাইনে বিভিন্ন প্র’তিবাদ অনুষ্ঠান করেছে এবং তারা সেখানে যেসব বক্তব্য দিয়েছে সেখান থেকে আমরা যতটুকু জেনেছি তারা নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে ভিয়েতনামে প্রবেশ করে। এদের মধ্যে ২৫ বছর থেকে ষাটোর্ধ্ব ব’য়স্ক ব্যক্তিও আছে এবং অনেকে আছেন যারা বিভিন্ন দেশে কাজ করেছেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এদের বি’ষয়ে আমরা প্রথম জানতে পারি মে মাসে যখন তারা যে কোম্পানিতে কর্মরত ছিল তাদের বি’রুদ্ধে ভার্চুয়াল প্র’তিবাদ করছিল। তাদের বি’ষয়ে জানার পরে তাদের স’ঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি এবং তাদের আমাদের কাছে একটি আবেদন করার জন্য অনুরোধ করি যাতে করে বি’ষয়টি দূ’তাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে।

তারা যেসব দালালের মাধ্যমে গিয়েছিল তাদের ত’থ্য আমাদের দিয়েছে এবং আমরা বি’ষয়টি ঢাকাকে জানিয়েছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

ভিয়েতনামের দালাল চ’ক্রের বি’ষয়ে তিনি বলেন, এদের প্রত্যেকে ভিয়েতনামী বিয়ে করেছে এবং এর ফলে তাদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা আছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (৬ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, অ’বৈধভাবে ভিয়েতনামে যাওয়া ২৭ বাংলাদেশি ওই দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন দ’খল করার চেষ্টা করেছে। একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

তবে নুর বলেন, তিনি প্রবাসী অধিকার পরিষদ’ নামে একটি সংগঠনের স’ঙ্গে যুক্ত আছেন, যেটা প্রায় মাস খানেকের মতো ধরে তৈরি হয়েছে। তারা ভিয়েতনামে বাংলাদেশিদের সহায়তা না করার বি’ষয়ে প্র’তিবাদ করেছেন। উসকানি দেননি।

‘সময়মতো চিকিৎসা হলে মান্না মা’রা যেতেন না’

0

ঢাকাই চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মান্না। অসংখ্য ভক্তকে শো’কের সাগরে ভাসিয়ে ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান এক সময়ের এই ঢালিউড কিং।

তার মৃ’ত্যুর এত দিন পরও জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। চিকিৎসকের অবহেলায় তার মৃ’ত্যু হয়েছে—এমন অভিযোগও তুলেছিলেন মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না।

এস এম আসলাম তালুকদার মান্নার স’ঙ্গে চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেলের ঘনিষ্ঠ সম্প’র্ক ছিল। সম্প্রতি রাইজিংবিডির স’ঙ্গে আলাপকালে শেলী মান্নার অভিযোগের স’ঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন রুবেল।

রুবেল বলেন—মান্না সাহেব আমার খুব কাছের ছিলেন। একে অপরের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা অন্যরকম ছিল। মান্না সাহেব ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে যখন হাসপাতালে গেলেন, তখন চিকিৎসকরা বলেছিলেন,

‘আপনার অবস্থা ভালো না খুব তাড়াতাড়ি অপারেশন করতে হবে।’ কিন্তু তিনি অপেক্ষা করলেন স্ত্রী আর তার ভাইয়ের জন্য। শেলী ভাবি তখন দুবাইতে। ‘আপনার অবস্থা সিরিয়াস এখনই অপারেশন করেন’—তখন এই কথা বলার মতো কোনো লোকও তার পাশে ছিল না।

বি’ষয়টি ব্যাখ্যা করে রুবেল বলেন—আমি কাউকে দোষারোপ করছি না। আল্লাহ তা’লা লিখে রেখেছিলেন, তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। তারপরও বলব—চিকিৎসকেরা চাইলে সি’দ্ধান্ত নিতে পারতেন।

মান্নাতো একজন তারকা। কারো অনুমতির অপেক্ষা না করে তাকে বাঁচানোর জন্য আমরা সি’দ্ধান্ত নিলাম, এমনটা হতে পারত। তাহলে হয়তো মান্না সাহেব বেঁচে যেতে পারতেন। সাড়ে ৯টার দিকে যখন মান্না সাহেবকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন হা’র্ট অ্যা’টাকে মা’রা যান তিনি। আমার কথা হলো, সময়মতো চিকিৎসা হলে মান্না সাহেব মা’রা যেতেন না।

অভিনয় ক্যারিয়ারে দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন মান্না। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো—‘আম্মাজান, ‘লাল বাদশা’, ‘আব্বাজান’, ‘স্বা’মী স্ত্রীর যু’দ্ধ’, ‘দুই বধু এক স্বা’মী’, ‘মনের সাথে যু’দ্ধ’, ‘

মান্না ভাই’, ‘পিতা মাতার আমানত’, ‘তওবা’, ‘পা’গলী’, ‘কাসেম মালার প্রেম’, ‘চাঁ’দাবাজ’, ‘ত্রাস’, ‘তেজী’, ‘মিনিস্টার’, ‘প্রেম দিওয়ানা’, ‘শান্ত কেন মা’স্তান’, ‘গুণ্ডা নাম্বার ওয়ান’, ‘কু’খ্যাত খু’নী’, ‘রংবাজ বাদশা’, ‘ঢাকাইয়া মা’স্তান’, ‘মেজর সাহেব’, ‘সুলতান’, ‘ভাইয়া’, ‘বিদ্রোহী সালাহউদ্দিন’, ‘বাবা’, ‘কিলার’, ‘জনতার বাদশা’, ‘রাজপথের রাজা’, ‘এতিম রাজা’, ‘টোকাই রংবাজ’ প্রভৃতি।

ভারতের উদ্দেশ্য ঘোষণা, চীন থমকে গেছে !

0

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জুলাই মাসের ৩ তারিখে লাদাখ সফর ও সেখানে তাঁর আত্রুমাণাত্বক বক্তব্য চীনের কপালে ভাঁজ ফে’লে দিয়েছে। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় জুন মাসের ১৫ তারিখে ২০ জন ভারতীয় সে’নার মৃ’ত্যূর পর মোদির এই লাদাখ সফর ভারতীয় সে’নাবা’হিনীকেও অত্যন্ত উদ্বুদ্ধ করেছে।

ক’রোনাভা’ইরাসে পরবর্তী বিশ্ব রাজনীতিকে নিজের দিকে আনতে মোদি কোন চেষ্টার ত্রুটি করছেন না। নাম না নিয়ে চীনের বি’রুদ্ধে তিনি চীনের আগ্রাসী নীতির কথা তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন এটি এখন উন্নয়নের যুগ এবং আগ্রাসী শ’ক্তি হয় হেরে গেছে নয়তো পিছিয়ে যেতে বা’ধ্য হয়েছে।

মোদির একটি বাক্যে “দুবর্ল কখনো শান্তি আনতে পারেনা, সবলেরাই পারে” একটি কৌশলি আ’ঘাত করেছে চীন কে যারা ২১টি দেশের স’ঙ্গে সীমানা সং’ঘাতে লি’প্ত।

এই কৌশলি আ’ঘাত বা ট্যাকটিক্যাল স্টাইকের পরও চীন এবং তার অনুগত সোশাল মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যামগু’লি নীরব। শুধু ৩রা জুলায় এর বিকেলে চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন দুই দেশের মধ্যে সামাজিক ও কূটনৈতিক স্তরে কথাবার্তা চলছে এবং কোন পক্ষেরই সমস্যাকে জটিল করা বা বাড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়।

অথচ এই চীরই ২০ জন ভারতীয় সে’নার মৃ’ত্যুর পরদিন পিএলএ র মুখপাত্র ঝাং শিউলিকে দিয়ে বলায় যে গালওয়ান চিরদিনই চীনের ছিল। চীনের বিদেশ মন্ত্রকও তখন ভারতীয় সে’নাবা’হিনীর বি’রুদ্ধে বিবৃতি দেয়।

এই আগ্রাসন বা উ’গ্রতা চীন নরেন্দ্র মোদির লাদাখ সফরের পর এখনও দেখাইনি বা ৫৯টি চীনা এ্যাপ ভারত বন্ধ করে দেওয়ার পরও কোন বিবৃতি দেয় নি। শুধু বিদেশ মন্ত্রক বলেছে ভারত যেন এই ধরনের কোম্পানিগুলোর স’ঙ্গে আন্তজাতিক আইন-কানুন মেনে চলে যাতে বিদেশী ও চীনা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

চীন একটি দৃঢ় ও শ’ক্তিশালী প্রতিপক্ষ ঠিকই কিন্তু মোদির লাদাখ সফর চীনের মিথ্যা কথাগুলো সামনে এনে দিয়েছে। গত পনেরো দিনে ভারতের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকলাপ সামাজিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও সা’মরিক চীনকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে ভারতও ব্যবস্থা নিতে জানে।

এ্রর আগে ভারত কখনো হংকংয়ের সম্প’র্কে কোনো মন্তব্য করেনি। কিন্তু সম্প্রতি পাশ হওয়া একটি আইনের বি’রুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে সেখানে হংকংয়ের মানুষের নাগরিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাজীব চন্দ্র বলেছেন ভারত হংকংয়ের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

ভারত লাদাখে সা’মরিক শ’ক্তি বৃ’দ্ধি করে চীনকে চিন্তাই ফে’লেছে ও চীনের সুবিধেজনক অবস্থাকে প্রতিহত করতে চাইছে। চীনের কোম্পানিগু’লির প্রবেশ ভারতে বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতীয় রেল, BSNL চীনের যন্ত্রপাতি নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। MTNL তাদের 4G সার্ভিস আপডেট টেন্ডার থেকে চীনা কোম্পানিকে বাদ দিয়ে দিয়েছে। ভারতের সড়ক পরিবহন মন্ত্রক ও বিদুৎ মন্ত্রক চীনা কোম্পানির বিনিয়োগ বন্ধ করেছে।

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও ভারত স’রকারের পথ অনুসরণ করেছে। সাংহাই টানেল ইন্জিনিয়ারিং কোম্পানিকে দিল্লি-মীরাট আর আর টি এস করিডোর থেকে বাদ দেওয়ার দাবি উঠেছে।

এই কোম্পানিটি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সব থেকে কম দর দিয়েছে। মহারাষ্ট্র চীনের কোম্পানিগু’লির ৫০০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল করেছে। এর মধ্যে পুনেতে গ্রেট ওয়াল মটরস এর কারখানাও আছে।

সা’মরিক শ’ক্তি বৃ’দ্ধি ছাড়াও ভারত কূটনৈতিক প্রভাব বৃ’দ্ধিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ২৭শে জুন ভারতীয় নৌবাহিনী ও জাপানের নৌবাহিনী এক স’ঙ্গে ভারত মহাসাগরে মহড়া দিয়েছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সম্প্রতি রাশিয়া সফরে গিয়ে অত্যাধুনিক মি’সাইল ও যু’দ্ধ বিমান ক্রয়, পুরোনো বিমানের স্কোয়াড্রন আধুনিকীকরণ ইত্যাদি চূক্তি করে এসেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রতি পুতিনের স’ঙ্গে এ ব্যাপারে জুলাই মাসের দুই তারিখে কথা বলেছেন ও পুতিন তাকে দু-দেশের স্ট্র্যাটিজিক পাটনারশিপ এর ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। এদিকে ১লা জুলাই আমেরিকান সেক্রেটারি অব স্টেট ভারতের ৫৯টি চীনা এ্যাপ কে নি’ষিদ্ধ করাকে সমর্থন করেছেন।

এ ব্যাপারে যে টুইট গু’লি হয়েছে:

‘চীনের স’ঙ্গে সং’ঘাত চলাকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাদাখ ও ফরোয়ার্ড এরিয়া সফর এটাই প্রমান করে যে ভারত কোন অবস্থায় চীনকে লাদাখ অঞ্চলে সুবিধাজনক অবস্থায় আসতে দেবেনা।’

‘ভারত সা’মরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সর্বক্ষেত্রে চীনকে চ্যালেঙ্জ করবে।’

‘ভারত বিশ্বকে এটাই বলতে চাই যে দরকার হলে সে একাই চীনের মো’কাবিলা করবে। মোদি চীনকে নি’ন্দা করার পর বল এখন বিশ্ব রাজনীতির কোর্টে।’

ক’রোনায় নতুন বি’পদের কথা জানালেন বিজ্ঞানীরা

0

ক’রোনাভা’ইরাসে নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন শঙ্কার কথা জানাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের গবেষকরা। এবার এই ভাই’রাস নিয়ে আরেকটি বি’পদের কথা জানালেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, ক’রোনা আ’ক্রান্তের ফলে মানুষের মস্তিষ্কে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে। যার কারণে মস্তিষ্কের কর্মক্ষ’মতা হা’রানোর পাশাপাশি স্ট্রোক, স্নায়ুর ক্ষ’তিসহ মা’রাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

যদিও কোভিড-১৯ তথা ক’রোনাভা’ইরাসে মানুষের শ্বাসনালী ও হৃদপিণ্ডে সং’ক্র’মণ করে এবং সেখানেই মানুষকে কাবু করে। তবে বিভিন্ন গবে’ষণায় উঠে এসেছে এ ভাই’রাস মানুষের ব্রেনেও মা’রাত্মক প্রভাব ফেলছে।

সম্প্রতি ৪৩ জন ক’রোনা আ’ক্রান্ত রো’গীর ও’পর গবে’ষণা চা’লিয়ে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের একদল গবেষক এসব ত’থ্য জানিয়েছেন। এর মধ্যে ৯ জনের ব্রেনে প্রদাহজনিত সমস্যা ছিল। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হলে একিউট ডিসামিনেটেড এনসেফেলোমেলাইটিস নামের নতুন রো’গের উদ্ভব হয়। যেটা খুবই বিরল এবং শি’শুদের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের চা’লানো গবে’ষণাটি ‘ব্রেন’ নামক একটি জার্নালে প্রকাশ করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বি’ষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

মাইকেল জানদি নামের গবেষক দলের একজন বলেন, ‘আমরা যেভাবেই দেখি, একটা ম’হামা’রি মানুষের মস্তিষ্কে বড় আকারের আ’ঘাত হেনেছে। যেমনটা ১৯১৮ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ১৯২০ ও ৩০ সালে এনসেফালাইটিস ল্যাথারজিক এনেছিল।’

কানাডার ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্টিস্ট আদ্রিয়ান ওয়েন বলেন, ‘আমার ভ’য় হলো- কোটিরও বেশি মানুষ ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হয়েছেন। এক বছরে যদি ১০ মিলিয়নের (এক কোটির) বেশি মানুষ ক’রোনা থেকে পরিত্রাণ পান এবং যারা হিসাবের বাইরে রয়েছেন এ ভাই’রাস পরবর্তীতে তাদের দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলবে।’

গবেষক দলের আরেকজন বলেন, ‘চিকিৎসকদের এসব বি’ষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শুরু থেকে এর চিকিৎসা দেয়া হলে রো’গীদের অবস্থান উন্নতি হতে পারে।’

যেভাবে বাবা-মায়ের দেয়া নাম কে’টে তিনি হলেন এন্ড্রু কিশোর

0

বাবা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈ। মা রাজশাহীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা মিনু বাড়ৈ। মায়ের কাছেই তার পড়াশোনায় হাতেখড়ি। রাজশাহীতে কে’টেছে তার শৈশব-কৈশোর ও যৌ’বনকাল।

মা মিনু ছিলেন সংগীত অনুরাগী মানুষ। তার প্রিয় শিল্পী কিশোর কুমার। সেই শিল্পীর নামে নিজের সদ্যোজাত স’ন্তানের নাম রাখলেন ‘কিশোর’। ধীরে ধীরে ছেলেটি বড় হয়ে উঠলো। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করে সে সংগীতাঙ্গনেই পা রাখলো। তারপর একদিন স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে সেই ছেলে তার দেশে কিশোর কুমারের মতোই বিখ্যাত ও কিংবদন্তি হয়ে উঠলো।

তিনি আর কেউ নন, সদ্য প্রয়াত সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। যার সংগীতে প্রথম পাঠ শুরু রাজশাহীর আবদুল আজিজ বাচ্চুর কাছে। সত্তর দশকের শেষ দিকে প্লেব্যাকের জগতে পা রাখার পর থেকে বাংলা, হিন্দিসহ বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন ভালোবাসার নন্দিত সিংহাসনে।

তার সার্টিফিকেট নাম কিন্তু এন্ড্রু কিশোর ছিল না। ছিল এন্ড্রু কিশোর কুমার বাড়ৈ। গান করতে এসে বাবা-মায়ের দেয়া পারিবারিক সেই নাম কে’টে ছেটে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে। সেই গল্প এক সাক্ষাৎকারে শুনিয়ে গেছেন তিনি নিজেই।

তার ভাষ্যে, যখন ফিল্মে গান শুরু করলাম একদিন দেওয়ান নজরুল নামের একজন পরিচালক বললেন, ‘আচ্ছা এন্ড্রু, তোমার এত বড় একটা নাম। কমার্শিয়ালি কিন্তু এ নামের কোনো ভ্যালু নেই! এই নামটা শুট করতেই তো ১০ রিল ফিল্ম বেশি লাগবে।

তাছাড়া পৃথিবীতে অধিকাংশ তারকাদের নাম দুই শব্দের হয়। যেমন এলভিস প্রিসলি, লতা মুঙ্গেশকার, উত্তম কুমার, মোহাম্ম’দ রফি, কিশোর কুমার সবারই দুই শব্দের নাম। খামোখা তুমি এই চার শব্দের নাম নিয়ে কেন ঘুরছ? লোকে তো মনে রাখতে পারবে না।’

পরিচালকের সেই কথাগুলো এন্ড্রু কিশোরের মনে দাগ কে’টেছিল। তিনি সি’দ্ধান্ত নেন নাম ছোট করার। কিন্তু বি’পদ ঘটলো চার শব্দের কোন শব্দ ফেলবেন আর কোন শব্দটা রাখবেন সে নিয়ে।

ওই সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। কিশোর যেহেতু মায়ের দেয়া ডাকনাম, সেটা তো রাখতেই হবে। আবার কুমার রাখলে কিশোর কুমারের স’ঙ্গে মিলে যাবে। ঝামেলা হয়ে যাবে। ক্রিশ্চিয়ানিটির কারণে ‘এন্ড্রু’টাও রাখতেই হবে। তাহলে পৈতৃক ‘বাড়ৈ’ টাইটেলটা ফে’লে দিই।

এটা ভেবে আমি রাজশাহীতে বাবাকে গিয়ে ব্যাপারটা জানালাম। এ কথা শুনে বাবা খুবই দুঃখ পেলেন। বললেন, ‘বাপদাদার টাইটেলটা ফে’লে দিবি?’ আমি বললাম, ‘না বাবা, ফে’লে দেওয়ার ব্যাপার না। নিজের প্রফেশনের প্রয়োজনই এটা করতে হবে। সার্টিফিকে’টে তো সবই থাকছে।’ সে থেকে কুমার আর বাড়ৈ ফে’লে দিয়ে হয়ে গেলাম ‘এন্ড্রু কিশোর’।’

প্রস’ঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ক্যা’ন্সারে ভুগে না ফেরার দেশে চলে গেছেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রা’প্ত কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোর। তিনি চলচ্চিত্রের প্রায় ১৫ হাজার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এজন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ নামে পরিচিত। তাকে হা’রিয়ে শো’কের সাগরে ভাসছে এদেশের সংগীতপ্রেমীরা।

স্ত্রী-স’ন্তানকে রেখে প’রকীয়া প্রে’মিকার স’ঙ্গে তরুণের আত্মহ’ত্যা

0

বরিশালের উজিরপুর উপজে’লার জল্লা ইউনিয়নের ইন্দুকানি গ্রামে তরুণ-তরুণী একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। এ নিয়ে উভ’য়ের পরিবারে ক’লহ চলছিল। এজন্য আত্মহ’ত্যার পথ বেছে নেন তারা।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ইন্দুকানি গ্রামের একটি আম গাছ থেকে প্রিন্স বালা (২৫) ও তৃষ্ণা মজুম’দারের (১৭) ঝু’লন্ত ম’রদে’হ উ’দ্ধার করা হয়। পরে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’রদে’হ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠিয়েছে পু’লিশ।

ঘ’টনাস্থল থেকে প্রিন্স বালার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধার করে পু’লিশ। তাতে একটি খুদেবার্তায় লেখা রয়েছে, ‘আমরা স্বেচ্ছায় একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছি, আমাদের মৃ’ত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাদের দুইজনকে একস’ঙ্গে সমাহিত করার অনুরোধ রইল।’

প্রিন্স বালা জল্লা ইউনিয়নের ইন্দুকানি গ্রামের সমীর বালার ছেলে। খ্রিষ্টান সম্প্রদা’য়ের প্রিন্স বালা চার বছরের এক ছেলে স’ন্তানের জনক ছিলেন। অন্যদিকে খ্রিষ্টান সম্প্রদা’য়ের তৃষ্ণা মজুম’দার একই গ্রামের তোতা মজুম’দারের মে’য়ে ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, প্রিন্স বালা প্রায় আট বছর আগে প্রেম করে আগৈলঝাড়া উপজে’লার হিন্দু সম্প্রদা’য়ের পরিবারের মে’য়ে মিনুকে বিয়ে করেন এবং তাদের চার বছরের এক ছেলেস’ন্তান রয়েছে।

স্ত্রী-স’ন্তান থাকা সত্ত্বেও তৃষ্ণা মজুম’দার নামে ওই তরুণীর স’ঙ্গে প’রকীয়া সম্প’র্কে জড়িয়ে পড়েন প্রিন্স বালা। দুই মাস আগে তা জানাজানি হলে প্রিন্স ও তৃষ্ণার পরিবারে ক’লহ দেখা দেয়।

উভ’য়ের পরিবার প্রিন্স ও তৃষ্ণাকে কথা বলতে ও দেখা করতে ক’ঠোরভাবে নি’ষেধ করেন। বিরহ সহ্য না করতে সোমবার রাতের কোনো একসময় প্রিন্স ও তৃষ্ণা একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেন।

উজিরপুর থানা পু’লিশের পরিদর্শক (ত’দন্ত) হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার ১১টার দিকে দুইজনের ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়।

পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন বলেন, গ্রামের লোকজনের স’ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে প্রিন্স ও তৃষ্ণা মজুম’দারের মধ্যে প’রকীয়া প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। তাদের প্রেমের বি’ষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের মধ্যে ঝ’গড়া হয়।

এর জের ধরে তারা একই দড়িতে ফাঁ’স লাগিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন। ঘ’টনাস্থল থেকে প্রিন্স বালার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। তাতে একটি খুদেবার্তা লেখা রয়েছে, ‘আমরা স্বেচ্ছায় একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছি, আমাদের মৃ’ত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাদের মৃ’ত্যুর পর দুইজনকে একস’ঙ্গে সমাহিত করার অনুরোধ রইল।’

এক বছরের শি’শুস’ন্তানকে পুকুরে ফে’লে হ’ত্যা করলেন মা!

0

রাজবাড়ী সদর উপজে’লার বানিবহ ইউনিয়নে সুরাইয়া আক্তার নামে এক বছরের এক শি’শুকে পুকুরের পানিতে ফে’লে হ’ত্যা করেছেন মা হনুফা বেগম ওরফে সুমি। ঘ’টনার পর থেকে শি’শুটির মা সুমি প’লাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) দুপুরে উপজে’লার বানিবহ ইউনিয়নের বার্থা বিলপাড় এলাকায় এ ঘ’টনা ঘটে। শি’শু সুরাইয়া আক্তার বার্থা এলাকার আলমগীর হোসেনের মে’য়ে।

আলমগীর হোসেনের প্রতিবেশী নমিতা হালদার বলেন, গরুর খাবারের জন্য দুপুরে স্থানীয় একটি পুকুর পাড়ে খড় আনতে যাই। তখন দেখি সুরাইয়াকে কোলে করে মা সুমি পুকুর পাড়ে বসে আছে। এই দৃশ্য দেখে খড় নিয়ে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর দেখি সুমি একা দৌড়ে চলে পা’লিয়ে যাচ্ছে। এরপর শি’শুটির নানি পুকুর থেকে সুরাইয়াকে উ’দ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে শি’শুটিকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শি’শুর নানি রওশন আরা বলেন, সুমি দুপুরে তার মে’য়ে সুরাইয়াকে নিয়ে শুয়ে ছিল। আমরা সবাই তখন কাজ করছিলাম। হঠাৎ পুকুরে নাতনি ভাসছে শুনে দৌড়ে তাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে বাড়িতে এসে দেখি সুমি নেই।

স্থানীয়রা জানায়, দুই বছর আগে বানিবহ ইউনিয়নের বার্থা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের মে’য়ের স’ঙ্গে বিয়ে হয় রাজবাড়ী কোর্টের মা’মলা লেখক আলমগীর হোসেনের। একটি মাত্র স’ন্তান তাদের সুরাইয়া। ছয় মাস আগে সুমি তার বাবার বাড়ি চলে আসেন। এরপর থেকে স্বা’মীর বাড়িতে যাননি তিনি।

রাজবাড়ী থানা পু’লিশের ওসি স্বপন মজুম’দার বলেন, খবর পেয়ে ওই শি’শুর ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। ঘ’টনার পর থেকে শি’শুটির মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শি’শুটির মৃ’ত্যুর বি’ষয়টি ত’দন্ত করা হচ্ছে।