| news
Home Blog

একটি ঔষধ খান আর আ’নন্দ করুন কাত এবং স’হবা’স করুন সারা রাত।জেনে নিন ঔষধের নাম ও কিভাবে কাজ করে।

0

একটি ঔষধ খান আর আ’নন্দ করুন কাত এবং স’হবা’স করুন সারা রাত।জেনে নিন ঔষধের নাম ও কিভাবে কাজ করে।একটি ঔষধ খান আর আ’নন্দ করুন কাত এবং স’হবা’স করুন সারা রাত।জেনে নিন ঔষধের নাম ও কিভাবে কাজ করে।একটি ঔষধ খান আর আ’নন্দ করুন কাত এবং স’হবা’স করুন সারা রাত।জেনে নিন ঔষধের নাম ও কিভাবে কাজ করে।

না’রীর ক্যানসার
উত্তর আমেরিকার ফ্রিসকো শহরে ২০০৯ সালের জুন মাসে একটা হাঁটায় অংশ নিয়েছিলাম। এটা কোনো প্রতিযোগিতা ছিল না। এই হাঁটার ইভেন্টের নাম— Susan Komen walk for cure. মূ’লত উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে এই হাঁটার আয়োজন করা হয়।

এই হাঁটার প্রধান লক্ষ্য স্ত’ন ক্যানসার রিসার্চ এবং এই ক্যানসারে আ’ক্রান্ত রো’গীদের সাহায্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ। আরেকটি বড় লক্ষ্য যেসব না’রীরা এই ক্যানসারের বি’রুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন, একটু সুস্থ থাকার জন্য তাদের এই কঠিন লড়াইয়ে উৎসাহ দেওয়া।

তাদের প’রস্পরের স’ঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। যেন একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারেন। খুবই চমৎকার একটা অনুষ্ঠান।

এরপর এলেন স্টেজ টু যারা পাঁচ বছরের বেশি বেঁচে আছেন। এ সময় চারদিকে তুমুল করতালি। ক্যানসারের বি’রুদ্ধে তাদের এই জয়কে উদ্‌যাপন করতে সবাই আজ একস’ঙ্গে। কিন্তু লক্ষ্য করলাম স্টেজ টুতে না’রীদের সংখ্যা কম আগের চেয়ে। ১৮-১৯ জন না’রী এগিয়ে এলেন।

তারপর স্টেজ থ্রিতে সংখ্যা কমে ৮-৯ জন। যত স্টেজ বাড়ছিল তত সারভাইভারের সংখ্যা কমে যাচ্ছিল। আর তাদের শা’রীরিক অবস্থা দেখে বোঝাই যাচ্ছিল কী বিশাল একটা ঝড় বয়ে গেছে। কিন্তু সবারই মুখের হাসিটা দারুণ উজ্জ্বল। আর হতেই হবে কারণ এত তাদের যু’দ্ধ জয়ের হাসি।

যখন স্টেজ থ্রি ক্যানসার সারভাইভাররা এগিয়ে এলেন, তখন আমি বুঝতে পারলাম আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। আমার গ’লার কাছে কিছু একটা দলা পাকিয়ে উঠছে। আমি বুঝতে পারছিলাম আমার বুকের ভে’তর দামামা বাজছে। আমার বারবার শুধু মনে হচ্ছিল আমার মায়ের কথা।

যাকে আমি হা’রিয়ে ফে’লেছি এক বছর আগে। আজকে যেসব না’রীরা স্টেজ থ্রি ক্যানসার নিয়েও ৮-৯ বছরের বেশি সময় বেঁচে আছেন, তাদের মতো একজন জয়িতা হতে পারতেন আমার মা। কিন্তু তিনি হননি। কর্কট রো’গের কাছে তাঁর নি’র্মম পরাজয় হয়েছে।

যখন আমার মায়ের ব্রেস্ট ক্যানসার ধরা পরে আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে ক্যানসার ধরা পড়ে এবং চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়ে যায় তিন মাস। আমার মা যখন নিজে বুঝতে পারেন কিছু একটা ভারী অনুভূতি, তখনই স’ঙ্গে স’ঙ্গে কাউকে জানাননি বা ডাক্তারও দেখাননি। আর ১০টা পরিবারে যেমন হয় ছেলেমে’য়েদের পরীক্ষা, বুয়া নাই ইত্যাদি নানা সাংসারিক কথা চিন্তা করে ভেবেছেন, ডাক্তারের কাছে পরে যাবেন।

তারপর সংসারের সব কাজের জালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করতে ভু’লে যান। আমরাও সবাই ছিলাম নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। তাই যখন তিন মাস পর ডাক্তারের কাছে যান তখন ক্যানসার আর স্ত’নে সীমাবদ্ধ নেই। তা পৌঁছেছে স্টেজে থ্রিতে এবং স’ঙ্গে কমিয়ে দিয়েছে বেঁচে থাকার দিনের সংখ্যা।

এরপর আমার মাকে আর সব ক্যানসার রো’গীদের মতোই অসম্ভব কঠিন চিকিৎসা কেমোথেরাপি, রেডিও থেরাপির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। মাঝে মাঝে য’ন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠতেন আমার মা। কড়া কড়া ও’ষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় সারা শ’রীরে আরও নানারকম অসু’খ বাসা বাঁধতে থাকে। শেষ দিকে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে লিভার, হাড় ও ব্রেনে।

মাত্র পাঁচ বছর পর আমার মা তার প্রিয় সংসার ও স’ন্তানদের রেখে চলে যান। যে স’ন্তানের পরীক্ষা ও খাবারের চিন্তা করে তিনি ডাক্তার দেখতে দেরি করেন, সেই স’ন্তানদের আরও অনেক পরীক্ষাই আর তার দেখা হয় না। তাদের কোনো সাফল্য, কোনো উৎসবের ে আর তিনি অংশ নিতে পারেননি। ডাক্তারের কাছে শুনেছিলাম যদি ক্যানসার কয়েক মাস আগে ধরা পড়ত তাহলে হয়তো আমার মা আরও কয়েকটা বছর হাতে পেতেন। কিন্তু সেই শেষ রক্ষা আর হয়নি।

২০০৮ সালে আমার মা চলে যান পরপারে। আমার স’ঙ্গে শেষ কথা আর হয়নি। হাজার হাজার মাইল দূর থেকে যখন আমার মায়ের কাছে দৌড়ে যাই তখন আমার মা কমায় চলে গেছেন, আমাকে আর চিনতে পারলেন না।

স্ত’ন ক্যানসার না’রীদের যত ধরনের ক্যানসার হয় তার মাঝে অন্যতম। এটা যেকোনো ব’য়সী মে’য়েদের ক্ষেত্রেই হতে পারে। যাদের পরিবারে এই ক্যানসার আছে তাদের যেমন ঝুঁ’কিটা বেশি আবার কোনো পারিবারিক ইতিহাস না থাকলেও হতে পারে। সারা বিশ্বে এই ক্যানসারে আ’ক্রান্ত না’রীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তারপরও সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো এই ক্যানসার অন্যান্য সব ক্যানসারের তুলনায় সবচেয়ে বেশি নিরাময়যোগ্য। রো’গীরা অনেক ক্ষেত্রেই ক্যানসার নিয়’ন্ত্রণ হয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন। তবে সবকিছুর মাঝে একটা ‘যদি’ আছে।

আর সেই যদি হলো Early detection বা দ্রু’ত ক্যানসার নির্ণয়। একজন রো’গী কতটুকু সুস্থ থাকবেন বা ক্যানসার ভবি’ষ্যতে আর ফিরে আসবে কিনা তার পুরোটাই নির্ভর করে কত আগে ও কোন স্টেজে রো’গ ধরা পড়ে। অন্যান্য আর ১০টা ক্যানসারের মতোই এই ক্যানসারের সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো ‘উপসর্গ’।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো ধরনের ব্য’থা বা উপসর্গ থাকে না। তাই সচেতন না থাকলে ধরা পড়াটাও সহজ নয়।
আমাদের দেশে এখনো বছরে গড়ে ১৪-১৫ হাজার না’রী স্ত’ন ক্যানসারে আ’ক্রান্ত হয়ে থাকেন। আর এর মাঝে ৭-৮ হাজার না’রী অকালে মৃ’ত্যুবরণ করেন। আমাদের দেশে এখনো অনেক ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে না। দরিদ্র না’রীদের ক্ষেত্রে এর কারণ অর্থনৈতিক সং’কট। কিন্তু মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের মধ্যে কিন্তু তা নয়। তাদের মধ্যে প্রধান কারণ সচেতনতার অভাব, কুসংস্কার ও ধর্মীয় বা’ধা।

এমনিতেই ছোটবেলা থেকে আমাদের দেশে পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে মে’য়েদের নিজেদের দে’হ স’ম্পর্কে সচেতন হওয়া বা কথা বলাটা একটা বিরাট ট্যাবু। হ্যাঁ ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি মেখে ফরসা হওয়া বা নিয়মিত পারসোনা, ফারজানা শাকিল ইত্যাদি পারলার গিয়ে টাকা ঢেলে রূপচর্চা করতে অনেককেই দেখা যায়। কিন্তু শা’রীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য কোনো ধরনের সচেতনতা মে’য়ে বা না’রীদের মধ্যে খুবই কম।

তারপর একজন মে’য়ে যখন বিয়ের পর স’ন্তান ও সংসারের আরও অনেক কাজের মাঝে ডুবে যান তখন নিজের কথা ভাবার বা লক্ষ্য করার সময়টুকু আর তার থাকে না। আর আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক ব্যবস্থাটাও এমন যে সেখান থেকেও খুব বেশি উৎসাহ পাওয়া যায় না। বরং কেন বাড়ির মা পরিবারের সবার খেদমত করতে আরও বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন না সে বি’ষয়ে কথা বলতে কেউ ছাড় দেয় না। তাই বাড়ির মার দিন কে’টে যায় হোমওয়ার্ক, স্কুলে পৌঁছানো, রান্নার তদারকি, বুয়া খোঁজা, সময় অসময়ে বাজার আর সামাজিক নানা দায়িত্ব পালন করে।

মন্টির মা ছেলেকে ভালো কোচিংয়ে দিয়েছে আমাকেও দিতে হবে বা মে’য়েকে গান শেখাও, নাচ শেখাও কিছু কম হলে হবে না এই দৌড় সামলাতে গিয়ে গিয়ে মায়েদের আর সময় নেই নিজের শ’রীরের খোঁজ নেওয়ার। আর কর্মজীবী মায়েদের অবস্থা আরও সঙিন। এই সব কিছুর স’ঙ্গে নিত্যদিনের অফিসের কাজ তো যোগ হয়। তাই একটু চিনচিন ব্য’থা বা শ’রীর খা’রাপ এসব পাত্তা না দিয়ে প্যারাসিটামল খেয়ে কোনোরকমে কাজ করে যান। ছুটি নিয়ে ডাক্তার দেখানোর মতো বিলাসিতা আর তাদের করা হয় না।

তারপর একদিন যখন এই মাটি বুঝতে পারেন বুকটা হালকা ভারী লাগে, তখন লজ্জায় কাউকে বলতে পারেন না। বাড়ির কাউকে বললেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো পাত্তা পান না। স্বা’মী-স’ন্তান হয়তো এক কান দিয়ে শুনে আর আরেক কানে বের করে দেয়। তারপর যদি কোনো না’রী চিকিৎসক পাওয়া না যায় সহজে তাহলে মাসের পর মাস অপেক্ষা করেন।

বাংলাদেশের না’রীরা অনেক ক্ষেত্রেই শা’রীরিক বিভিন্ন সমস্যা জরুরি অবস্থাতেও একজন পু’রুষ চিকিৎসক দেখতে রাজি হন না। অনেক ক্ষেত্রেই পারিবারিক, সামাজিক বিধিনি’ষেধ এমনকি ধর্মীয় সংস্কার যা বেশির ভাগ মে’য়েদের জন্যই প্রযোজ্য সেগুলো ভে’ঙে নিজের শ’রীর ও তার সুস্থতার জন্য জরুরি প্রয়োজনে দরকার হলে পু’রুষ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে—এটা এখনো অনেক না’রী ও পরিবারের পু’রুষেরা চিন্তাও করতে পারেন না। কিন্তু ক্যানসার এত কিছুর তোয়াক্কা করে না। সে বিপুল দর্পে তার শাখা প্রশাখা বিস্তার করে।

যত দিনে সেই মা চিকিৎসকের দুয়ারে পৌঁছান তত দিনে ক্যানসার তার দে’হে রাজত্ব বসিয়ে নিয়েছে। আর দে’হের অভ্যন্তরীণ অ’ঙ্গগুলোতে যখন ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে তখন ডাক্তারের কিছু করার থাকে না। তাই নানা ধরনের প্রচণ্ড বেদনাদায়ক ব্যয়বহুল চিকিৎসার পরে শেষ রক্ষা হয় না।

যে স্বা’মী-স’ন্তানের জন্য এবং পরিবারের ক’ষ্ট বা ছেলেমে’য়েদের পড়াশোনার ক্ষ’তি হবে ভেবে চিকিৎসকের জন্য সময় বের করা যায়নি, তাদের আরও অনেক কঠিন পরীক্ষার মাঝে রেখে না’রীকে চলে যেতে হয়। ত’ছনছ হয়ে যায় পরিবারটি। আবার এই ক্যানসারের চিকিৎসা করতে গিয়ে বিয়ের দুই-তিন বছরের মধ্যেই অনেক মে’য়ের সংসার ভে’ঙেও যায়। এটা আমাদের দেশে খুবই সাধারণ ঘ’টনা।

কেমোথেরাপি, স্ত’নের সার্জিক্যাল রিমুভালের পর একটা মে’য়ের যে চেহারা এবং দে’হের ও’পর দিয়ে যে ধকল যায় তা মেনে নিয়ে সংসার করবে এ ধরনের স্বা’মী বিরল না হলেও সংখ্যায় খুব বেশি না। সমাজ ও পরিবারও সবাই সমর্থন দিয়ে বলে, এত অল্প ব’য়স ছেলেটার, ওর তো একটা জীবন আছে স্বাদ আহ্লাদ আছে।

একজন না’রীর যদি হাজার টাকা খরচ করে একটা শাড়ি কেনার বা পারলার এ গিয়ে মেকআপ করার সময় এবং আর্থিক সংগতি থাকে তাহলে তার বছরে একবার ডাক্তারের কাছে গিয়ে নিয়মিত শা’রীরিক পরীক্ষা করার সময় ও সামর্থ্য অবশ্যই আছে। কিন্তু আমরা না’রীরা তা করছি কি? পৃথিবীতে না’রীদের রূপ সৌন্দর্য বর্ধ’নের জন্য যত ধরনের দৌড় ঝাঁপ, উপকরণ ও সচেতনতা দেখা যায় তার একভাগও শা’রীরিক ও মা’নসিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য দেখা যায় না। অথচ প্রথমটার ডেপ্রিসিয়েশন ভ্যালু অনেক বেশি। কিন্তু দ্বিতীয়টি অনেক বেশি মূ’ল্যবান এই সমাজ ও মে’য়েদের কাছেও।

আর প্রথম প্রয়োজনে এত আকুতি হবেই বা না কেন? বিয়ের বা প্রেমের বাজারে সুন্দর মুখের জয়জয়কার। কিন্তু সুস্বাস্থ্য এই বাজারে ধোপেও টিকবে না। অথচ আমরা না’রীরা যদি একটু সচেতন হই, নিয়মিত সেল্ফ এক্সাম ও চিকিৎসক দিয়ে চেক করাই, সামান্য কিছু উপসর্গকে অবহেলা না করি তাহলে স্ত’ন ক্যানসার নির্মূ’ল না হলেও বেঁচে যাবেন অনেক কন্যা, জায়া ও জননী।

বেঁচে যাবে তাদের পরিবার। আর বাড়ির ছেলেরা যদি এগিয়ে আসে, তাহলে আমরা সেই সব মা-বোনদেরকেও বাঁচাতে পারব যারা এখনো চিকিৎসা ও তার ব্যয়ভার বহনের জন্য বাড়ির পু’রুষদের ও’পর নির্ভর করেন।

জ’ন্মগতভাবেই মে’য়েরা পরিবার ও সমাজে সবসময় প্রাইমারি কেয়ার গিভার হিসেবে কাজ করে এসেছেন। আর তা করতে গিয়ে নিজের দিকে কেয়ার করার সময়, সুযোগ ও সচেতনতা তারা অনেক সময়ই হা’রিয়ে ফে’লেন। অক্টোবর মাস ছিল স্ত’ন ক্যানসার সচেতনতার মাস (Breast Cancer Awareness Month)। এই মাসে আমাদের সত্যেন হওয়ার প্রশিক্ষণ শুরু করা উচিত। যত দিন না ক্যানসারের পূর্ণ নিরাময় ও প্রতিরোধমূ’লক কোনো ও’ষুধ আবি’ষ্কার হচ্ছে তত দিন আমাদের সচেতনতা ও দ্রু’ত রো’গ নির্ণয় ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বেদনার অধ্যায় আমার মায়ের ক্যানসারে অকাল মৃ’ত্যু। প্রতিদিন আমার নানা বেদনায়, আমি ভাবি আজ আমার মা বেঁচে থাকলে কি করতেন?

আমার বাচ্চারা যারা কখনো তাদের নানিকে দেখেনি, যখন আমাকে নানা প্রশ্ন করে আমার আর কিছু বলার ভাষা থাকে না। একটা প্রশ্ন শুধুই আমার মনে ঘুরপাক খায়, আর আমার হৃদয়কে ক্ষ’তবিক্ষ’ত করে—আমার মায়ের ক্যানসার যদি আগে ধরা পড়ত, তাহলে কি আর কয়েকটা বছর বেশি তাকে কাছে পেতাম? এই প্রশ্ন আর তার বেদনার ভার অসীম।

এই বেদনার সময়কাল অন্তহীন। তাই আমার এই লেখাটা পড়ে যদি পাঁচজন না’রী–পু’রুষও সচেতন হন এবং তারা আরও পাঁচজনকে করেন, তারা আরও পাঁচজনকে, তবে এই বেদনার অন্তহীন যাত্রায় হয়তো ছেদচিহ্ন বসাতে পারব। আপনার ও আপনাদের সবার পরিবারকে এই বেদনার ভার থেকে রক্ষা করুন। কন্যা, জায়া ও জননী—সবাই ক্যানসার মুক্ত থাকুন।

যেসব খাবার খেলে পু’রুষের লি*ঙ্গ অত্যন্ত মো’টা হয়ে যায় !

0

বর্তমানকার দিনে অনেক পু’রুষের যৌ’ন জীবন ততোটা সু’খকর নয়। এর প্রধান কারণ নিজের মনের দু’র্বলতা, অ’বৈধ যৌ’নজীবন চর্চা এবং প’র্যাপ্ত খাদ্য খাবারের ঘাটতি।আজ আপনার ডক্টরের আর্টিকেলযে খাবার খেলে পু’রুষের লি*ঙ্গ মো’টা হয়তার উপর। চলুন শুরু করা যাক।

বেশি পরিমাণ প্রা’ণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌ’নজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দু’ধ, দু’ধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়।

কিন্তু আপনি যদি শ’রীরে সে’ক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগু’লিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক

আপনার যৌ’নজীবন ময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃ’দ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌ’ন-ই’চ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌ’নজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস

যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শ’রীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌ’নতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

ডিম

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শ’রীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মা’নসিক চা’প কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখু’ন। এতে আপনার শ’রীর শ’ক্তি পাবে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা (testosterone) বৃ’দ্ধি পাবে।

রঙিন ফল

যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূ’ল রাখু’ন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গ’বেষ’ণা অনুযায়ী একজন পু’রুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শ’রীরে যৌ’ন উদ্দীপনা বৃ’দ্ধি করে। তারা যৌ’ন উদ্দীপক ও’ষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সে’ক্স’ ফুড। আপনার শ’রীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ না’রীদের যো’নি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সে’ক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।
কফি

কফি আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌ’নতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শ’রীরে বাড়তি যৌ’ন উদ্দীপনা তৈরী করে। গ’বেষ’ণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে স’ঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়।

এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক)
ট্রাফলে পু’রুষের যৌ’ন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, না’রীদের পু’রুষের প্রতি লিবিডো বা যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা বৃ’দ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।

ফল

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং র’ক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বৃ’দ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শ’রীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।

তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শ’রীরের র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি পায়।
গরুর মাংস

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌ’ন জীবনকে আরো ময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে না’রী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আ’কর্ষণী’য় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা এবংযৌ’ন সামর্থ্য বৃ’দ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নি’ষিদ্ধ করেছিল।
ওটমীল

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌ’ন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।
পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বাড়লে যৌ’ন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁ’ধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।
বাদাম ও বিভিন্ন বী’জ

কুমড়োর বী’জ, সূর্যমূখীর বী’জ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শ’রীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শ’রীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সে’ক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা এবং যৌ’ন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শ’ক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শ’রীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বী’র্য তৈরি হয়।

যারা খাদ্যের মাধ্যমে শ’রীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বী’র্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বী’জ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌ’ন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে।

সূর্যমূখীর বী’জে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের (Testosterone)মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক

সারারাত করতে পারবেন ভরপুর স’হবা’স সন্ধাবেলায় এই খাবার গু’লি খেলে

0

সারারাত করতে পারবেন ভরপুর স’হবা’স সন্ধাবেলায় এই খাবার গু’লি খেলে।শ’রীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সে’ক্স বাড়াতে স’ক্ষম?

সাধারণত খাবার ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শ’রীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে।

আর তা আপনার শ’রীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়’ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সে’ক্সের ই’চ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি।

বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শ’রীরে সে’ক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগু’লিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

ত্বকের যত্নে দু’ধের ব্যাবহার /দু’ধ দিয়ে রুপচর্চা

দৈহিক মি’লনের সময় বাড়ানোর কৌশল

স্ত’ন বড় করার ১০ টি সহজ ও কার্যকর উপায়

গ’র্ভাবস্থায় স্ত্রীর জন্য যে কাজগুলো অবশ্যই করবেন

ত্বকের ব’য়সের ছাপ দূর করতে আঙুর

বিয়ের পর যেসব কারণে মে’য়েদের ওজন বাড়ে

মাথায় চুল গজাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে যে ঘরোয়া মিশ্রণ

মি’লনের সময় স্ত্রীর বী’র্যপাত হলে কিভাবে বুঝবেন?

0

বেশি পরিমাণ প্রা’ণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌ’নজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দু’ধ, দু’ধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়।

কিন্তু আপনি যদি শ’রীরে সে’ক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগু’লিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক

জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃ’দ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌ’ন-ই’চ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌ’নজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস

আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শ’রীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগু’লি খাওয়া উচিত।

পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে।

তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌ’নতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শ’রীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মা’নসিক চা’প কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখু’ন। এতে আপনার শ’রীর শ’ক্তি পাবে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা (testosterone) বৃ’দ্ধি পাবে।

রঙিন ফল

যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূ’ল রাখু’ন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গ’বেষ’ণা অনুযায়ী একজন পু’রুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শ’রীরে যৌ’ন উদ্দীপনা বৃ’দ্ধি করে। তারা যৌ’ন উদ্দীপক ও’ষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সে’ক্স’ ফুড। আপনার শ’রীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ না’রীদের যো’নি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সে’ক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।
কফি

কফি আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌ’নতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শ’রীরে বাড়তি যৌ’ন উদ্দীপনা তৈরী করে। গ’বেষ’ণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে স’ঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক)
ট্রাফলে পু’রুষের যৌ’ন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, না’রীদের পু’রুষের প্রতি লিবিডো বা যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা বৃ’দ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।

জয়ফল

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং র’ক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বৃ’দ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শ’রীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শ’রীরের র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি পায়।
গরুর মাংস

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌ’ন জীবনকে আরো ময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে না’রী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আ’কর্ষণী’য় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা এবংযৌ’ন সামর্থ্য বৃ’দ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নি’ষিদ্ধ করেছিল।
ওটমীল

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌ’ন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।
পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বাড়লে যৌ’ন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁ’ধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।
বাদাম ও বিভিন্ন বী’জ

কুমড়োর বী’জ, সূর্যমূখীর বী’জ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শ’রীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শ’রীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সে’ক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

এতে আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা এবং যৌ’ন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শ’ক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শ’রীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বী’র্য তৈরি হয়।

যারা খাদ্যের মাধ্যমে শ’রীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বী’র্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বী’জ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌ’ন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বী’জে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের (Testosterone)মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌ’ন ই’চ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

মেয়েদের বী’র্য বলে কিছু নেই। এক প্রকার তরল নির্গত হয় (ছেলেদেরও হয়)।
মেয়েদের বেলায় একে ভেজিনাল ফ্লুইড বলে।

এটা নিঃসরণ বন্ধ হলেই বুঝবেন আপনার স্ত্রীর অ’র্গাজম হয়ে গেছে।
এখন কীভাবে বুঝবেন যে ফ্লুইড নির্গমন বন্ধ হয়েছে তার কোনো নিয়ম নেই,

মাসিকের কত দিন আগে বা পরে স’হবা’স করলে বাচ্চা হয় না!

0

পিরিওডের র’ক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রথম সাত দিন ও শেষ সাত দিন স’হবা’স করলে গ’র্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ওই সময়কে স’হবা’সের নিরাপদ সময় হিসেবে ধরা হয়।

তবে এই শর্ত কেবল সেই সকল না’রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের পিরিওড নি’য়মিত ২৮ দিন (বা নি’য়মিত ২৬ থেকে ৩১ দিন) অন্তর অন্তর হয়।

এদের ক্ষেত্রে র’ক্তস্রাব শুরু হওয়ার দিনকে প্রথম দিন ধরে গুণতে থাকলে মো’টামুটি ১২ থেকে ১৯ তম দিনে ডিম্বাণু নির্গমণ হয়।

পিরিওডের বাকি দিনগুলো, প্রথম থেকে সপ্তম ও ২১ তম দিন থেকে পুনরায় রজস্রাব শুরু হওয়ার দিন পর্যন্ত মি’লনের নিরাপদ সময় হিসেবে গন্য করা হয়।

ঘন্টার পর ঘন্টা যৌ’ন মি’লন করুন বী’র্য বের হবে না এবং লি*ঙ্গ থাকবে লো’হার মত শ’ক্ত।১০০% গ্যারেন্টি! ( ভিডিওসহ )

0

আপনি কি সাজতে খুব ভালবাসেন?তবে জেনে রাখু’ন গ’র্ভাবস্থায় মেকআপ ব্যবহার করলে ক্ষ’তি হতে পারে আপনার গ’র্ভস্থ স’ন্তানের। পাবলিক লাইব্রেরি অব সায়েন্স ওয়ানের এক গ’বেষ’ণায় উঠে এসেছে এমনই ত’থ্য। মায়ের কসমেটিক্সে থাকা রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে কমে যায় গ’র্ভস্থ শি’শুর বুদ্ধি।

কোন কোন কসমেটিক্স থেকে সাবধান থাকবেন?

নেল পলিশ, হেয়ার ড্রায়ার, লিপস্টিক, হেয়ার স্প্রে, সাবান
কী ব্যবহার করবেন?
১) কেমিক্যাল ছাড়া সানস্ক্রিন লোশন।

২) নামী ব্র্যান্ডের সাবান, লিপস্টিক।

জরুরি সতর্কতা:
১) মনে রাখবেন মায়ের খাবার যেমন গ’র্ভস্থ শি’শুর শ’রীরের জন্য উপকারী, তেমনই কসমেটিক্সের রাসায়নিক শি’শুর বিকাশ কমাবে।

২) প্রয়োজন না হলে মেকআপ করবেন না।

৩) শীতে ত্বক যাতে নরম থাকে তার জন্য চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে প্রসাধ’ন ব্যবহার করুন।

মনে রাখবেন, আপনি ভাল থাকলে সুস্থ থাকবে আপনার স’ন্তানও। আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যপ্রীতি মা’রাত্মক ক্ষ’তি করতে পারে অনাগত শি’শুটির। যেহেতু তার জন্য এতকিছু ছাড় দিচ্ছেন, আর কটা দিন কেমিকেল সমৃদ্ধ প্রসাধ’ন এড়িয়ে চলা কি যায় না?

ছোলা খাচ্ছেন? দুটি বি’ষয় মাথায় না রাখলেই ঘটবে মা’রাত্মক বি’পদ

0

রমজান মাস আসলেই ছোলার চা’হিদা বেড়ে যায়। রমজান মাসে ছোলা সিদ্ধ করে খাওয়া তা নিয়ে সমস্যা নয়। সমস্যা হল স্বাস্থ্যের জন্য ছোলা অনেকেই সকালে খালি পেটে কাঁচা খেয়ে থাকেন।

তবে এই কাঁচা ছোলার স’ঙ্গে আর কী খাওয়া ঠিক কিংবা ঠিক না সে বি’ষয়টি অনেকেই মাথায় রাখেন না। অথচ এই বি’ষয়টি খেয়াল রাখা খুব জরুরি। কারণ সঠিক ত’থ্য না জানার জন্য অনেক সময় হিতে বিপরীত ফলাফল ভোগ করতে হতে পারে।

দেখা যাবে ভালো করতে গিয়ে আপনার শ’রীরের জন্য তা বি’পদ ডেকে আনতে পারে। তাই সঠিক ত’থ্য জানাটা আপনার শ’রীরের জন্য খুবই জরুরি। অনেকেই হিমোগ্লোবিন বৃ’দ্ধি ও খাদ্য পরিপাকের কথা মাথায় রেখে রাতেই ছোলা ভিজিয়ে দেন ও পরের দিন সকালে সেগুলো খান।

কাঁচা ছোলা খাওয়া শ’রীরের জন্য খুবই ভালো, তা যেমন আপনার শ’রীরের র’ক্তের পরিমাণ বৃ’দ্ধি করে, তেমনি আপনাকে ফি’টও রাখে। তবে প্রায় সময়ই দেখা যায় ছোলা খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই অন্যান্য খাবার খান অনেকেই। যা বি’পদ বয়ে আনতে পারে।

মি’লনের ১ মিনিট আগে যা মুখে দিলে টানা কয়েক ঘন্টা স’হবাস করতে পারবেন

0

মি’লন এক প্রকার খেলা এই খেলা এক্সপার্ট হতে হলে আপনাকে ভালো ভাবে এই বি’ষয়ে জানতে হবে। জানতে হবে কি ভাবে নিজেকে অধিক সময় মি’লনের কাজে ধরে রাখা যায়। আমাদের দেশের মানুষ যৌ*aন শিক্ষায় একেবারেই অজ্ঞ তাই এই বি’ষয়ে ভাল ধারনা না থাকায় অহর অহর সু’খের সংসারে বয়ে যাচ্ছে ঝড়! অথচ আপনার একটু সচেতনতাই পারে আপানকে এই থেকে পরিত্রাণ দিত।

আমাদের দেশের বেশির ভাগ পুরু’ষ যৌ*aন মি’লন বলতে যা বুঝেঃ যৌ*aন মি’লন বলতে তারা বুঝে শুধু পুরু’ষের যৌ*aনা’ঙ্গ না’রীর যৌ*aনিতে প্রবেশ করানু এবং বী’র্যপাত গঠিয়ে উঠে যাওয়া। ভু’ল, ভু’ল ভু’ল ! আপনার ধারনা একেবারেই ভু’ল। ভাই আপনার যৌ*aন তৃ’প্তি আছে আপনার বউয়ের কি তৃ’প্তি নাই ? আসলে এই ভু’লটাই করে থাকে আমাদের দেশের প্রায় ৮০% পুরু’ষ।

যৌ*aন মি’লন শুরু করবেন আদর দিয়ে। না’রীর সারা শ’রীরে যৌ*aন উ’ত্তেজনা কাজ করে। তাই প্রথম ১৫-২০ মিনিট তাকে আদর করুন। আদর করতে করতে তাকে উ’ত্তেজিত করুন। নিজেকে নিজে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন করুন হতাশা বা টেনশন নিয়ে যৌ*aন মি’লন করলে খুব দ্রু’ত বী’র্যপাত গঠে যাবে। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে যৌ*aন মি’লন করুন।

প্রথম মি’লনে না’রীরা অনেক ভ’য় পেয়ে থাকে এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ব্যাপার এবং প্রথম মি’লনে বেশির ভাগ পুরু’ষের ১-২ মিনিট এর মধ্যে বী’র্যপাত ঘটে এও স্বাভাবিক বেপার। তাই এই বি’ষয় গুলা নিয়ে একেবারে চিন্তিত হবে না।

যদি দেখেন সব সময় যৌ*aন মি’লনে টাইম কম পাচ্ছেন তাহলে অবশ্যয় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। মনে রাখবেন আপনার যৌ*aন জীবনে (life) অশান্তি মানেই আপনার জীবন (life) তেজপাতা!
বিশেষ মুহূর্তে যৌ*aন দু’র্বলতা, শুক্র স্বল্পতা, মি’লনে সময় সময় কম, লি*ঙ্গের শিথিলতা সহ যে কোন যৌ*aন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন।

যৌ*aন শিক্ষা – জীবনের(life) জন্য শিক্ষা। করতে সাহসী হউন – নিজের এবং অন্য বন্ধুদের ত’থ্য জানায় সহায়তা করুন। যৌ*aনতা ছাড়া জীবন (life) অচল – তাই সংসারে সু’খের জন্য যৌ*aন শিক্ষা নিন। জীবনের(life) জন্য যৌ*aন শিক্ষা।

অনেক পুরু’ষেরই যৌ*aন মি’লনের সময় খুব তাড়াতাড়ি বী’র্য (sperm) পতন হয়। কাংখিত সু’খ স্ত্রী (wife) কে দিতে পারেনা। আমাদের আজকের টিউটোরিয়াল টি তাদের জন্য যাদের খুব তাড়াতাড়ি বী’র্য (sperm)পতন হয়।

মি’লনে পুরু’ষের অধিক সময় নেওয়া পুরু’ষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরু’ষ ব’য়সেরর সাথে সাথে মি’লনের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে। এখানে বলে রাখতে চাই – ২৫ বছরের কম ব’য়সী পুরু’ষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মি’লন করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময়

ব্যাভধানে পুনরায় উ’ত্তেজিত/উত্ত’প্ত হতে পারে। ২৫ এর পর ব’য়স যত বাড়বে মি’লনে পুরু’ষ তত বেশি সময় নেয়। কিন্তু ব’য়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জা’গ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাভধানও বাড়তে থাকে।

তাছাড়া এক না’রী কিংবা একপুরু’ষের সাথে বার বার মি’লন করলে যৌ*aন মি’লনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মি’লনে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মি’লনে একে অপরের শ’রীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভ’ঙ্গি, সু’খ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি (system) ইত্যাদি সম্প’র্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

পু’রুষাঙ্গের সাইজ ঠিক কতটা হলে তা মে’য়েদের জন্য আদর্শ ! পড়লে চমকে যাবেন !

0

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, যৌ*aনতার ক্ষেত্রে না’রীর কাছে পু’রুষাঙ্গের আকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বি’ষয়। কিন্তু গবে’ষণার পর এ ধারণার স’ঙ্গে একমত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তারা জানাচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে না’রী কি চায় পুরু’ষের কাছে।

সুইজারল্যান্ডের এক দল গবেষকের গবে’ষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘জার্নাল অব সে*ক্সুয়াল মেডিসিন’-এ। তারা ১০৫ জন না’রীর ও’পর জরিপ চালান। দেখা গেছে, যৌ*aনতায় তাদের কাছে পু’রুষাঙ্গের আকার সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বি’ষয় বলে বিবেচিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, জ’ন্মের সময় ছেলেদের ০.৩-০.৫ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ পু’রুষাঙ্গ নিয়ে জ’ন্মগ্রহণ করে। জ’ন্মের প্রথম বছরের মধ্যে সার্জারির মাধ্যমে তা ভালোও করা যায়।

৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হচ্ছে বেশিরভাগ পুরু’ষের উ’ত্তেজিত লি*ঙ্গের দৈর্ঘ্য। এর চেয়ে ছোট হলে যৌ*aনমি’লনের কোন কোন আসনে যো’নিতে লি*ঙ্গ চালনা কঠিন হতে পারে। বেশি বড় হলেও আবার স’ঙ্গিনী ব্যাথা পেতে পারে।

পুরু’ষের লিবিডো বা কামচেতনা এবং যৌ*aনক্ষ’মতা আনুপাতিক—এ এক বহুপ্রচলিত বিশ্বাস। এই বিশ্বাসকে যারা ব্যাখ্যা করে তারা বলে বেড়ায় যে পু’রুষাঙ্গের আকার যত বড় হবে যৌ*aন প্রেরণাও ততই বাড়বে। একইভাবে লি*ঙ্গোত্থান ঘটানো ও তা বজায় রাখাও পু’রুষাঙ্গের বর্ধিত আকারের ও’পর নির্ভরশীল।

কোন ব্যক্তি কি পরিমাণ যৌ*aন প্রেরণায় অধিকারী মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষায় তা বর্ণনা করতে লিবিডো শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যৌ*aন প্রেরপণা হল বংশপ’রস্পরায় প্রা’প্ত যাবতীয় সহজাত অনুভূতি, হরমোন বা গ্রন্থি নিঃসরণ সংস্ক্রান্ত যাবতীয় তাগিদ এবং চেতন ও অ’চেতন নির্বিশেষে সবরকম মা’নসিক অনভূতির এক জটিল সংমিশ্রণ।

এই পোস্ট টি করা হয়েছেঃ হেল্‌থ বাংলা ওয়েবসাইট এ, আপনি যদি এটি অন্য কোন ওয়েবসাইট এ পেয়ে থাকেন, তাহলে গুগল এ সার্চ করে হেল্‌থ বাংলা সার্চ করে আসল ওয়েবসাইট খুজে নিন। এইসব উপাদানের প্রত্যেকটিই লিবিডোর ও’পর পু’রুষাঙ্গের আকারের কোনও প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।

জরিপে অংশ নেওয়া ১৬-৪৫ বছর ব’য়সী না’রীদের কাছে পু’রুষাঙ্গের স্বাভাবিক চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্বাভাবিক আকৃতি, স্বাভাবিক অণ্ডকোষই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।

ফ্যাশন ম্যাগাজিন কসমোপলিটানের এক জরিপে অংশ নিয়েছেন ১১ শ পাঠক যার অধিকাংশই না’রী। এ জরিপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যে না’রীর ব’য়স এবং যৌ*aন আকাঙ্ক্ষা যত বেশি, তার কাছে স’ঙ্গীর পু’রুষাঙ্গের আকার তত কম গুরুত্বপূর্ণ। মূ’লত অ’ভিজ্ঞতাই তাদের এ সত্য উপলব্ধিতে সাহায্য করেছে।

সবচেয়ে বড় লি*ঙ্গ

পু’রুষাঙ্গের আকার সম্প’র্কে যেসব ভ্রান্ত ধারণা দেখা যায় তাদের অধিকাংশেরই মুলে রয়েছে পু’রুষাঙ্গের দুটি স্বাভাবিক অবস্থা। প্রথমটি হল শিথিল অনুত্থিত লি*ঙ্গ, এবং দ্বিতীয়টি হল উত্থিত লি*ঙ্গ।

যৌ*aন বাসনা চালিত হলে লি*ঙ্গের উপরিভাগ বরাবর দুটি ‘কর্পাস ক্যানভারনোসার’ মৌচাক সদৃশ্য ফাঁপা টিস্যু বা কলা এবং লি*ঙ্গের নিম্ম ভাগে অবস্থিত কর্পাস স্পঞ্জিয়োসাম—এর থলথলে টিস্যু যখন র’ক্তে ভরে ওঠে তখনই পুংলি*ঙ্গ বা পু’রুষাঙ্গের ইরেকশান অর্থাত্‍ উত্থান হয়।

শিথিল অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য তিন থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি হয়ে থাকে। উত্থিত অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য আরও দুই থেকে চার ইঞ্চি বেড়ে যায়। কিন্তু যেসব পু’রুষাঙ্গ আকারে ক্ষুদ্র সেগুলো শিথিল অবস্থায় স্বাভাবিক পু’রুষাঙ্গের তুলনায় অনেক বেড়ে যায় এবং তা দৈর্ঘ্য দ্বিগুণও হয়ে থাকে।

শিথিল অবস্থায় যেসব পু’রুষাঙ্গের আকার উত্থিত অবস্থায় চাইতে বড় হয় (তিন থেকে চার ইঞ্চি দৈর্ঘ্য), উত্থান হলে আনুপাতিকভাবে তাদের বৃ’দ্ধি হয় অনেক কম ( উত্থিত অবস্থায় দুই বা আড়াই ইঞ্চি বৃ’দ্ধি পায়) এইভাবে ছোট ছোট পু’রুষাঙ্গের মধ্যে যে পার্থক্য তা যৌ*aন ক্ষ’মতা চালনার স’ঙ্গে হ্রাস পায়। উত্থিত অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের গড় মাপ হল সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় ইঞ্চি (মূ’ল থেকে অগ্রভাগ পর্যন্ত)।

এমনকি ৩৩ জন পুরু’ষ সার্জারির মাধ্যমে পু’রুষাঙ্গে আকার ছোট করে নিয়েছেন বলেই এ গবে’ষণায় উঠে এসেছে।

বিয়ে না করেও একস’ঙ্গে থাকতে পারবে প্রা’প্তব’য়স্ক না’রী পুরু’ষ, রায় দিল আ’দালত…

0

আদি কাল থেকেই আমাদের ভারতীয় সমাজে বৈবাহিক সম্প’র্ককে মানা হয় পবিত্র অটুট বন্ধ’ন যা ঈশ্বর স্থির করে থাকেন অনেক আগে থেকেই।

রাধা কৃষ্ণের জুটিকে পুজো করা হলেও বৈবাহিক সম্প’র্কের বাইরে প্রেমের সম্প’র্ক গু’লিকে আমাদের সমাজ কোনদিনই স্বীকৃতি দেয়নি। সেসব প্রেমকে সমাজ কলঙ্কিত বলেই গণ্য করেছে বারবার। অ’বৈধ সম্প’র্ক বা প্রেমকে কুনজরেই দেখা হয়ে থাকে বর্তমানে।

ইতিহাস থেকে শুরু করে বর্তমান অনেক ঘ’টনাই সাক্ষী আছে সম্প’র্কের নিয়ম নীতি না মেনে চললে কি কি মাসুল দিতে হয়েছে ভালোবাসাকে। তাই বাইরের দেশের মতো লিভ ইন রমরমা নেই ভারতে। তবে আজ কাল পরিবর্তন আসছে মা’নসিকতায়। ভালো মন্দ ইত্যাদির মানদ’ণ্ড কিন্তু আর আগের মতো নেই।

সম্প্রতি বিয়ে না করেও প্রা’প্তব’য়স্ক না’রী পুরু’ষের এক স’ঙ্গে থাকার অধিকার রয়েছে বলে এক পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ঘ’টনার সূত্রপাত কেরালার এক যুগলকে দিয়ে। নন্দকুমার নামের কেরালার এক যুবক থুশারা নামের এক তরুণী কে বিবাহ করেন।

কিন্তু নন্দকুমারের ব’য়স এখনও ২১ হয়নি। ভারতীয় নিয়ম অনুযায়ী ছেলেদের বিয়ের ব’য়স ২১ এবং মে’য়েদের ১৮ হতে হবে। তাই বিবাহ বিচ্ছেদের রায় দেন হাইকোর্ট। তরুনীকে তার মা বাবার সাথে থাকতে বলে আ’দালত। কেরালার এই যুবক সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।

সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি এ কে সিক্রি ও অশো’ক ভূষণের বেঞ্চ এই যুগলের পক্ষে কথা বলেন। তারা জানান ২১ বছর ব’য়স হয়নি, অজুহাতে নন্দকুমারের বিয়ে ‘বাতিল’ বলা যায় না। নন্দকুমার ও থুসারা দু’জনেই হিন্দু হবার কারণে এ ধরনের বিয়ে ভিত্তিহীন হতে পারে না। ১৯৫৫-র হিন্দু বিবাহ আইন তার প্রমাণ।

তাদের বৈবাহিক সম্প’র্ক নাকচ করা যেতেই পারে, কিন্তু তাই বলে তাদের একসাথে থাকার সি’দ্ধান্ততে হস্তক্ষেপ করা যাবে না। কারণ দুজনেই প্রা’প্তব’য়স্ক।

তাই জয় হোক ভালোবাসার। দীর্ঘজীবী হোক সম্প’র্ক। সময় বদলাচ্ছে। তাই আইন কানুন বা মা’নসিকতা কোন কিছুই সময়ের ঘেরাটোপে আ’টকে থাকা বাঞ্ছনীয় নয়।