Home Blog

গোমুত্রে ভে’জাল খাসিমূ’ত্র মিশানোতে গণপি’টুনি খেলো ভারতের মূ’ত্র ব্যবসায়ী শ্যামল দাশ

0

গোটা বিশ্ব এখন ক’রোনাভা’ইরাসেের আ’তঙ্কে ভুগছে। এই ভাই’রাসের প্র’তিষেধ’ক আবি’ষ্কারের জো’রালো চেষ্টা চালাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও গবেষক।

যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাই’রাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষামূ’লকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, কিন্তু এরই মধ্য বিভিন্ন সুবিধাবা’দী হোমিওপ্যথিক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাস্তার ক্যম্বাসার পর্জন্ত এই করনা ভাই’রাসের ভ্যাকসিন অগ্রিম বিক্রি করা সুরু করে দিয়েছে, অনেকে এই ভাই’রাসের প্র’তিষেধ’ক স্বপ্নে পেয়েছে বলেও দাবি করে।

এসব বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার মধ্যে ভারতে বিজেপির একদল নেতা দাবি করছেন, ক’রোনাভা’ইরাসে প্রতিরোধে গোমূ’ত্র কার্যকর।

এই দাবি নিয়ে তাঁরা প্রচারে নেমেছেন।এটা খেলে ভাই’রাস শ’রীরে প্রভাব ফেলবে না ৷’ এই বিশ্বাসেই সমস্ত নেতাকর্মীরা গোমূ’ত্র পান করেন ৷

এলাকার মানুষের মধ্যেও বিলোনো হয় ৷ এতে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় গোমূ’ত্র বিক্রি ও পানের হিড়িক পড়েছে। প্রতি ২৫০ গ্রাম গোমূ’ত্র বিক্রি হচ্ছে ৫০০ (পাঁচশত) টাকার উপরে। কিন্তু কোন ভাবেই গোমূ’ত্রের চা’হিদা মিটানো যাচ্ছেনা, সারাদেশ গোমুত্রের সং’কটে পড়েছে।

গরুকে প্রচুর পানি খাওয়ানোর পরেও গরু যথেষ্ট পরিমান মুত্র দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন গোমূ’ত্র ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কাস্টমার হাতচাড়া করতে চাচ্ছেন না কোন ব্যবসায়ী।

এরমধ্য এক গোমূ’ত্র ব্যবসায়ীর নামে (শ্যামল দাশ-৩০) গোমূ’ত্রের সাথে খাসির মুত্র মিসিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ তোলে এলাকাবাসী। শ্যামলকে এ ব্যপারে জি’জ্ঞাসাবাদের পর শ্যামল বি’ষয়টি পুরোপুরিভাবে অস্বীকার করেন এবং ব্যবসায়িক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দ্বাবি করেন।

কিন্তু এলাকাবাসী নাচাড়বান্দা, এলাকার প্রতিটি আমলা , কামলা, আবাল, মফিজ সবাই গো’পনে চোখ রাখে শ্যামল দাশের কার্যকলাপের উপর। এবং হাতেনাতে শ্যামল দাসকে গোমূ’ত্রে খাসির মুত্র এবং পানি মিশাতে দেখে।

ফেসবুক আইডি হ্যাক করা শিখতে এখানে ক্লিক করুন
তারপর এলাকাবাসী ক্ষুব্দ হয়ে শ্যামল দাসকে ধরে গণপি’টুনি দেয়। এবং যারা যারা শ্যামল দাশ এর থেকে গোমুত্র ক্রয় করে পান করেছে, তারা মনে মনে ভাবছে শ্যামল দাশ আর কি কি মিসিয়েছে এ গোমূ’ত্রে কে জানে।

অন্ধকারে ভেসলিন ভেবে ফেভিকল আঠা লাগিয়ে স’হবাস

0

অ’তি স’ম্প্রতি কেরালায় ঘ’টেছে, একটি অদ্ভুত ঘ’টনা। জা’না যাচ্ছে যে, সে’ক্স ক’রার সময় একটু বেশি মজা আনার জন্য ভেসলিন ব্যবহার ক’রতে গেছিলেন ছে’লেটি, কিন্তু ভেসলিনের বদলে ব্যবহার ক’রে ফেললেন মা’রাত্মক আঠা ফেবিকুইক।

ফল, যা হওয়ার তাই হলো। আ’ট’কে গেলো পু,রুষাঙ্গ। পড়লেন মহা বি’পদে। নিয়ে যেতে হল হাসপাতা’লে।আজকাল অনেক সময়ই আম’রা আম’রা অনেক ভ,য়ঙ্কর বা মজদার খবর দে’খতে পাই টিভিতে বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেগুলোর অনেকগুলোই ঠিক আবার অনেকগুলোই ভু,ল কোনও খবর।

এর মধ্যে সে,ক্স ক’রতে গিয়েও এমন অনেক ভ,য়ংকর বা মজাদার খবর আম’রা দে’খতে পাই।তেমনই একটি ঘ,টনা স’ম্প্রতি ঘ’টেছে আমাদের ভা,রতেই। ঘ’টনাটি কেরালার একটি অঞ্চলে ঘ’টেছে। ঘ,টিনাটি জানলে আপনার হাসিও পাবে আবার ছে’লে মে’য়ে দুটির জন্যে ক’ষ্টও হবে।

আসুন জে’নে নিই ঠিক কি ঘ’টেছে।হা,সপাতা’লে ভর্তি এখন তিনি। চলছে তার চি,কিৎসা। প্রাথমিক চিকিৎ’সা ক’রে পু,রুষাঙ্গ ছাড়ানো সম্ভব হয়েছে। ডাক্তাররা বলছেন যে, এমনটা কিভাবে হলো দেখা হচ্ছে। যদিও ওই যুবকের দা’বি তিনি কিভাবে কি হয়েছে কিছুই বুঝতে পারছেন না।

আরোও পড়ুনঃ ঘরোয়াভাবে দূর করুন বগলের কালচেভাব––আমাদের শ’রীরে বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্ছিত লোম গজায়। এসব জায়গায় লোম ফে’লে দেয়ার পর কালো দাগের সৃষ্টি হয় ফলে আমাদের অস্বস্থিতে পড়তে হয়। সাধারণত বগলের নীচের কালো দাগটাই বেশি বিব্রতকর। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে দূ’র ক’রা যায় বগলের কালচেভাব।

লেবুর রস: লেবুতে আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের বিবর্ণভাব দূ’র ক’রতে সাহায্য ক’রে। গোসলের সময় আক্রা’ন্তস্থানে দুতিন মিনিট ধ’রে লেবু ঘষুন। গোসলের পরে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন,

সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ফলাফল চোখে পড়বে।আলুর রস: আলুও খুব ভালো প্রাকৃতিক ব্লিচ এবং ‘অ্যান্টি-ইরিটেন্ট’ বা প্রদাহ-হীন যা বাহুমূ’লের নিচের রং হালকা ক’রতে এবং জ্বা’লাভাব থেকে তা’ৎক্ষণি’ক আরাম দিতে সাহায্য ক’রে। আক্রা’ন্ত স্থানে পা’তলা ক’রে কা’টা আলুর টুক’রা বা রস ১০ থেকে ১৫ মিনিট লা’গিয়ে রাখু’ন। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে দুবার ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার: এতে আছে মৃদু অ্যাসিড যা ত্বকের মৃ’ত কোষ এবং ফাঙ্গাস দূ’র ক’রে। দুই টেবিল-চামচ ভিনিগার ও বেইকিং সোডা মি’শি’য়ে আক্রা’ন্ত স্থানে লা’গান। ১০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন।জলপাইয়ের তেল: এক টেবিল-চামচ জলপাইয়ের তেল ও বাদামি চিনি মি’শি’য়ে তা দিয়ে দুএক মিনিট স্ক্রাব করুন।

পাঁচ মিনিট অপেক্ষা ক’রে কুসুম গ’র’ম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করুন। ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।অ্যালোভেরা: বাজারে কিনতে পাওয়া যায় বা তাজা অ্যালো ভেরা নিয়ে আক্রা’ন্ত স্থানে লা’গান। ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটা প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর যা মৃ’ত কোষ দূ’র ক’রে। এর ব্যাকটেরিয়া-রো’ধী উপাদান ত্বক কোম’ল ও মসৃণ ক’রে।

অবাক কাণ্ড, S’ex Change করে আপন দুই বোন হল প’রস্পরের ভাই

0

তাঁরা ছিল প’রস্পরের বোন। কিন্তু সেই স’ম্পর্কে বদল আনতে চেয়েছিল দুজনেই। তার থেকেও বড় কথা,

নিজেদেরই বদলে ফেলতে চেয়েছিল দুজন। আর তাই এত বড় সি’দ্ধান্ত! পাকিস্তানের দুই বোন S’ex Change করে হয়ে গেল প’রস্পরের ভাই। S’ex Change Operation বেশ জ’টিল প্রক্রিয়া।

কিন্তু এই দুজন ঝুঁ’কি নিতে চায়। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের একটি জমিদার প’রিবারের স’ন্তান তারা। দুই বোন লি’ঙ্গ পরিবর্তন করে ছেলেতে পরিণত হওয়ায় প’রিবারের লোকজনও বেজায় খুশি বলে জানা গিয়েছে।

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে গুজরাত জে’লার সোনাবড়ি গ্রামে থাকে দুজন। বুশরা আবিদ ও বাফিয়া আবিদ ছে’লে হওয়ার পর নিজেদের নাম রেখেছে বলিদ আবিদ ও মুরাদ আবিদ। লি’ঙ্গ পরিবর্তনের পর দুজনেই দারুণ খুশি।

আসলে দুজনেই ছোট থেকে ছেলে হতে চাইতেন। তাঁরা যদি প’রস্পরের ভাই হতে পারেন, তা হলে ভাল হয়। এমন ইচ্ছে পুষে রেখেছিলেন মনে। সেই ইচ্ছে পূরণ হওয়ায় দুজনেক খুশির অন্ত নেই।

দুজনেই ছোট থেকে ছেলেদের পোশাক পরতে ভালবাসতেন। তাদের স্বভাবও ছিল অনেকটাই ছেলেদের মতো। তাদের আরও সাতটি বোন রয়েছে। সেই বোনেরা দুই ভাইকে পেয়ে খুব খুশি।

ইসলামাবাদে হয়েছে তাঁদের অ’পারেশন। Pakistan Institute of Medical Sciences-এর ১২ জন ডাক্তার মিলে এই জ’টিল অ’স্ত্রোপচার করেছেন। গত দুবছর ধরে সিনিয়র ডাক্তার আমজাদ চৌধরির কাছে চি’কিত্সাধীন ছিলেন দুজন।

S’ex Change Operation-এর আগে ও পরে Psychological Test করাতে হয়। কাউন্সেলিং-এর প্রয়োজন পড়ে। অ’স্ত্রোপচারের পর ও’ষুধের মাধ্যমে Hormone-এর উতপাদন করা হয়।

লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে রাস্তায় স্টলে বিরিয়ানি বিক্রি করছেন যুবক

0

লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়ে বিরিয়ানির দোকান চালাচ্ছেন সাত তারা হোটেলের ইন্ট্যারন্যাশনাল শেফ। মুম্বাইয়ের রাস্তার ধারে বর্তমানে তিনি বিরিয়ানি বিক্রি করেন।

ক’রো’না পরিস্থিতিতে কাজ হারিয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছিলেন তিনি। তাই নিজের অ’ভিজ্ঞতাকেই এবার কাজে লাগলেন। জীবন ও জীবিকা হিসেবে বিরিয়ানি বিক্রির পেশাকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে বিরিয়ানি রেঁধে খাইয়ে মানুষকে ফাইভ স্টার হোটেলের বিরিয়ানির স্বাদ যোগাচ্ছেন এই ব্যক্তি। তাঁর নাম অক্ষয় পড়কর। জানা গেছে যে,দীর্ঘ আট বছর ধরে সাত তারা হোটেল এবং অভিজাত ক্রজে শেফ হিসেবে চাকরি করেছেন ওই ব্যক্তি।

দেশের বিদেশের নানা অতিথিদের বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। কিন্তু ভ’য়ানক অতিমারি কেড়ে নেয় তার চাকরি। বরখাস্ত করা হয় তাঁকে।
কিন্তু জীবনের কাছে হার মেনে নেননি অক্ষয়। নিজের অ’ভিজ্ঞতা থেকে অসহায় অবস্থার মধ্যে কাজে লাগালেন তিনি। বর্তমানে মুম্বাইয়ের দাদরে রাস্তার ধারে বিরিয়ানির স্টল খুলে বসেছেন অক্ষয়৷

তিনি জানান,”আমার বাবা-মা বেশ কিছুদিন ধরে অ’সুস্থ৷ আমার বাবা যে ময়দার মিলে কাজ করতেন, সেটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি কাজ হারিয়েছিলেন৷ যক্ষ্মায় আ’ক্রান্ত হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ধরে অ’সুস্থ তিনি”।

অক্ষয় নিজেই পরিবারের একজন রোজগেরে মানুষ। তার ও’পরেই পুরো পরিবার নির্ভর করে। তাই অ’ভিজ্ঞতার জো’রে আজও নিজের কাজ অব্যাহত রেখে চলেছেন তিনি।অক্ষয়ের বিরিয়ানির দোকানে তিন ধরনের বিরিয়ানি পাওয়া যায়। চিকেন, এগ এবং ভেজ বিরিয়ানি৷ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিরিয়ানি সরবরাহের অর্ডার নিচ্ছেন অক্ষয়।

রূপচর্চাঃ শীতে উজ্জ্বল ত্বক পেতে এই উপাদান দু’ধে মেশান

0

নিশ্চয় জানা আছে, দু’ধের উপকারিতা সম্প’র্কে। দু’ধ এবং দু’ধের সর যুগ যুগ ধরতে রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের সেরা সুন্দরী মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা নাকি দু’ধ দিয়ে গোসল করতেন। মুখে মাখতেন দু’ধের সর। এটিই নাকি তার রূপের র’হস্য ছিল।

শীতের এই সময়টাতে ত্বকে শুষ্কতা দেখা দেয় অনেক বেশি। ফলে ত্বক তার উজ্জ্বলতা হা’রিয়ে ফেলতে পারে। দেখা দিতে পারে ত্বকের নানান সমস্যা। এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে দু’ধ। আর এর স’ঙ্গে মেশাতে হবে গুড়। গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা কমবেশি সবারই জানা।

সঠিক পরিমাণে গুড় খাওয়া ত্বকের জন্য খুব উপকারী! দু’ধে প্রোটিন এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড পাওয়া যায়, আবার আয়রন ও ভিটামিন গুড়ের মধ্যে থাকে। তাহলে আসুন জেনে নিই গুড় ও দু’ধ পান করার উপকারিতা-

গুড় খেলে শ’রীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি হয় না। এই কারণে শ’রীরে অক্সিজেনের প্রবাহ ভালো থাকে। যার ফলে মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয়। আপনার ডায়েটে সামান্য গুড় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

যারা মুখে রিঙ্কেলস, ফুসকুড়ি এবং পিম্পলস এর মতো সমস্যায় ভুগছেন। তারা এটি খেতে পারেন। তবে মনে রাখবেন যে, খুব বেশি গুড় খাওয়ার ফলে মুখে পিম্পল হতে পারে।

গুড়ে আয়রন এবং ভিটামিন রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। প্রতিদিন গুড় খাওয়ার ফলে শ’রীরের ক্ষ’তিকারক টক্সিন দূর হয় যা ত্বক পরিষ্কার করে। পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়। গুড়ে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস রয়েছে, যা ত্বকে সম্পূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে।

ডার্ক সার্কেল যেকোনো মানুষের মুখের সৌন্দর্য ন’ষ্ট করে। গুড়ের দু’ধ পান করলে ডার্ক সার্কেলও কমে। আপনিও যদি এই সমস্যায় পড়ে থাকেন, তবে এখন থেকে দু’ধ এবং গুড় খাওয়া শুরু করুন।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে যদি আপনার মুখ ফুলে যায় বা আপনার চোখ ফুলে যায়, তবে অবশ্যই আপনার গুড়ের দু’ধ পান করা উচিত। এটি সেবন করলে মুখের ফোলাভাব কমে যাবে। র’ক্তের অভাবের ফলে মুখে ফোলাভাব দেখা দেয়। গুড় খাওয়ার ফলে এই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।

৩৩ বছর ধরে সাবান খেয়েই বেঁচে আছেন করিম

0

আপনার পছন্দের খাবারের তালিকায় নিশ্চয় বিরিয়ানি, পোলাও, কোরমা কিংবা ভাত, রুটি, সবজি, ডাল, ফলমূ’ল আরও কত কী?

তবে জানেন কি এমনও কেউ আছে যে কিনা কাপড় কাঁচা বা গায়ে মাখা সাবান নি’য়মিত খাচ্ছেন! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন!

এমনই কাণ্ড ৩৩ বছর ধরে ঘটিয়ে আসছেন এক ব্যক্তি। ময়মনসিংহ জে’লার নান্দাইল উপজে’লার দত্তপুর গ্রামের আবদুল করিম সাবান খাচ্ছেন ৩৩ বছর ধরে। এই ব্যক্তি ১৯৮৭ সালে জ’ন্মগ্রহণ করেন।

তার খাদ্যের তালিকায় প্রতিদিনের জন্য চাই সাতটা করে সাবান! ভাবতেই অবাক লাগে,

মানুষ যেখানে সাবানের ফেনা মুখে গেলেই কম করে হলেও দুই, তিন বার মুখে পানি ঢেলে মুখ পরিষ্কার করে সেখানে আবদুল করিম সাবান খাচ্ছেন নি’য়মিত।

গোসল করার সময় সাবানের গন্ধ ভালো লাগায় তার সাবান খাওয়ার যাত্রা শুরু হয়। প্রথম প্রথম গোসলের সময় সাবানের ফেনা খেতেন। তারপর একদিন নিজের ই’চ্ছায় মনের উপর জো’র করে তার সাবান খাওয়া।

সাবান খেয়ে সেদিন ভালো লাগায় আর অন্য কোনো খাবার নয়। প্রতিদিন বেড়েই চলে তার সাবানের সংখ্যা। আগে অর্ধেকটা সাবান হলেই চলে যেত, এখন দিনে লাগে সাতটা। তবে সব সাবান তিনি খান না।

আবদুল করিমের কানুরামপুর বাসস্ট্যান্ডে ছোট একটি খাবারের দোকান আছে। ওই দোকানে বসেই সাবান খান তিনি।

তবে তিনি সাবান খান গোসল করার আগে।
সাবান খাওয়ার এই দৃশ্য দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরেই করিম সাবান খান তা এলাকার সবাই জানে আর এর ফলে আবদুল করিম সবার কাছে অতি পরিচিত।

পাশের চা বিক্রেতা নূরজাহান বলেন, ঘ’টনাটি নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাসই করতাম না। তবে তার এ ধরনের সাহসের জন্য তাকে পুরষ্কৃত করা উচিত। আবদুল করিমের ২ ছেলে আল-মামুন, আল-মাসুদ এবং এক মেয়ের নাম শাহা’না।

তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের বাবার বাড়ি জামালপুরে। বেশ কিছুদিন আবদুল করিম সেখানেই ছিলেন। এখন নিজ এলাকায় খাবারের একটি ছোট্ট দোকান দিয়ে সংসার চালাচ্ছেন।

আবদুল করিমের স্ত্রী আনোয়ারা বলেন, প্রথম প্রথম বি’পদ হবে এই আ’শঙ্কায় সাবান না খাওয়ার জন্য বলতাম।

ডাক্তারও তাকে সাবান খেতে নি’ষেধ করেছিল কিন্তু কার নি’ষেধ কে শোনে!তিনি সাবান খাওয়া বন্ধ করেননি। আর এই সাবান খাওয়া যতদিন বাঁচবেন চালিয়ে যাবেন। এখন এটি তার সয়ে গেছে।

আবদুল করিম বলেন, সাবান না খেলে ভালা লাগে না। পায়খানাও পরিষ্কার হয় না। মোট কথা শান্তি পাই না। সকাল-সন্ধ্যায় এলাইফব’য়সহ বিভিন্ন সাবান খান তিনি। সাবান না হলে তার একদম চলে না।

ব্যাংকে আসা প্রায় ৭ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইমাম

0

ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া টাকা নিজের না হওয়ায় পৌনে ছয় লাখেরও বেশি টাকা ব্যাংককেই ফেরত দিলেন একজন ইমাম। নেত্রকোনার খালিয়াজুরী শাখা কৃষি ব্যাংকে এই টাকা ফেরতের ঘ’টনা হয়।

টাকা ফেরত দেওয়া হোসাইন আহমেদ সুনামগঞ্জ জে’লার দিরাই উপজে’লার শ্যামারচর বাজার জামে মসজিদে ইমামতি করেন। তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজে’লার আটগাঁও ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপক তাপস মঞ্জুসা দেবরায় জানান, ব্যাংকে হোসাইন আহমেদের নামে সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। এই হিসাব থেকে ২০১৮ সালে সর্বশেষ টাকা উ’ত্তো’ল’ন করা হয়েছিল। রোববার গ্রাহক হোসাইন আহমেদ টাকা তুলতে ব্যাংকে এসে হিসাবে কত টাকা আছে জানতে চান।

তিনি জানান, এ সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা হিসাব দেখে জানান, একাউন্টে ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৬৮ টাকা রয়েছে। এ সময় গ্রাহক হোসাইন আহমেদ জানান তার হিসাবে ১০ হাজার টাকা থাকার কথা। এতো টাকা তার নয়।

পরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ভাল করে চেক করে দেখেন এ’কাউ’ন্টে ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৬৮ টাকাই রয়েছে। এ অবস্থায় গ্রাহক হোসাইন আহমেদ তার হিসাব থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি টাকা নিতে অস্বীকার করেন। পরে তিনি তার হিসাব থেকে ৫ লাখ ৮১ হাজার ২৬৮ টাকা উত্তোলন করে ব্যাংকে ফেরত দেন।

তিনি আরও জানান, ব্যাংকে ডিজিটাল একাউন্ট করার সময় হয়তো বা সং’খ্যায় ভু’ল করে এই হিসাবে চলে এসেছে। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সঠিক মালিক না পেয়ে ব্যাংক নিয়মানুযায়ী ওই টাকা’টা অ’তিরি’ক্ত হিসাবে রাখা হয়েছে। হোসাইন আহম’দ বলেন, আমার একাউন্টে ১০ হাজার টাকা আছে, বাকি টাকা আমার না।

ভু’ল করে আসা ৫ লাখ ৮১ হাজার ২৬৮ টাকা ব্যাংকে ফেরত দিয়েছি।টাকার সঠিক মালিক খুঁজে তার একাউন্টে হ’স্তা’ন্তর করার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বলেছি। যেহেতু টাকা’টা আমার না তাই এই টাকার প্রতি আমার হক নেই। এ কারণেই আমার সুযোগ হলেও টাকা’টা নেইনি আমি।

বাসর রাতে এই ভু’লগু’লি করবেন না , ৫ নাম্বার ভু’লটি সকলেই করে থাকে ,জানুন কি

0

ভারত একটি রীতি নিয়মের দেশ আর এখানে সব ছোটো আর বড় অনুষ্টানের জন্যে অনেক রিতি আছে । আর যেগু’লি সব অনেক বছর ধরে চলে আসছে ।আর এই সব গু’লির মধ্যে বিয়ে হল সব থেকে বড় রিরী যেটি অনেক নিয়মের মাধ্যমে হয়ে থাকে ।

আর এটি নিয়ে সকলেই খুব উসাহিত থাকে । আর ফুলসজ্জা তাদের রিতী মধ্যে একটি । বিয়ের পর প্রথম রাত্রিকে ফুলসজ্জার রাত বলা হয়ে থাকে । আর এই রাত্রের পরে তাদের মনে অনেক স্বপ্নের জ’ন্ম নেয় ।

আর এই রাত স্বা’মী আর স্ত্রীয়ের প্রথম রাত্রি । আর এর পর থেকে একসাথে তাদের জীবনের পথ চলা শুরু হয়ে থাকে । আর আমাদের এই সমাজে অনেক ছেলে বা যুবক এই ফলজ্জার রাত্রে এমন কিছু ভু’ল করে ফে’লে যেগু’লি তারা কোন দিনেই চাইবে না করতে । আর আজ আমরা আপনাদের সেই ভু’ল নিয়ে বলব ,

ফুলসজ্জার রাত্রি একে অন্যকে জানার জন্যে একটি রাত্রি । আর এই রাত্রে যদি কোন মে’য়েকে তাঁর কিছুন দিনের আগের কথা জিজ্ঞাসা করে থাকে তাহলে সেই গু’লি বলতে চায় না । আর তাঁর ফলে আপনার জিজ্ঞাসায় তাঁর আগের জীবনের কথা জিজ্ঞাসা করলে তাঁর খুব দুঃখ লাগতে পারে । আর তাই আগের জীবনের কথা জিজ্ঞাসা করা উচিত নয় ।

এই দুনিয়ায় কোন মানুষ একদম সঠিক হয় না । আর সকলেই মধ্যে কোন না কোন কিছু কম থাকে । তাই এই রাত্রে তাঁর এই কিছু কমতি জিনিস গু’লিকে না ভেবে নিজের মধ্যে দুঃখের অনুভব না করায় ভালো । কারন এই রাত্রে আপনার স’ঙ্গী আপনার কাছ থেকে প্রেম আর সম্মানের কথা ভেবে থাকে ।

আর আপনার বিয়ের এই প্রথম রাত আপনার স’ঙ্গির সাথে খুব ভালো ভাবে কা’টানো উচিত । আর সে যা বলবে তাঁর সব কথায় আপনি হ্যাঁ কিংবা না বলুন । আর তাঁর কথা গু’লি সব কিছু ভালো ভাবে শুনতে থাকুন । আপনি যদি কথা গু’লি না শোনেন তাহলে তাঁর মনে অন্য খা’রাপ জিনিসের উদয় হতে পারে ।

আপনারা সকলেই দেখেছেন স্বা’মী আর স্ত্রী তারা নিজের পরিবারকে খুব মেনে থাকে । আর অন্যের পরিবারকে নিজের থেকে কম মনে করে থাকে । আর সেই রাত্রে তাঁর পরিবারের লোকেদের খা’রাপ বললে আপনাদের সম্প’র্ক শুরুতেই খা’রাপ প্রভাব পড়তে পারে ।আর তাই কারু চর্চা করা উচিত নয় ।

আর এই কথাটি সকলেই বলবে বিয়ের প্রথম রাত্রে ছেলে আর মে’য়ে দুজনেই রোমান্সের মজা নিতে চায় । আর এই সময় যদি আপনি খুব তাড়াহুড়ো করে থাকেন তাহলে তাঁর নিজরে আপনি খুব খা’রাপ হয়ে যেতে পারেন । আর যদি নিজের স’ঙ্গিকে সন্তুষ্ট করতে চান তাহলে ধীরে রোমান্স করুন ।

গল্পঃ বাবা: ছেলের এখন সময় হয়না আমার কথা ভাবার জন্য

0

বাবার রুমের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হল একটু বাবার রুম থেকে ঘুরে আসি।অনেকদিন হল বাবার রুমে যাওয়া হয় না।বিয়ের পর থেকেই বাবার সাথে আগের মত সময় কা’টানো হয় না।

শুক্রবারে সময় পেলেই বউকে নিয়ে ঘুরতে চলে যায়।বাবা গেছেন কিছু ঔ’ষধ আনতে।আমি বাবার রুমে ঢুকে দেখি রুমটা খুব এলোমেলো।খুব অগোছালো।ঠিক যেমন একটা ছোট্ট বাচ্চার রুম।বাবার ব’য়স হয়েছে।

শ’রীরটারও দিন দিন অবনতি ঘটছে।আমার সাথে তার অনেকদিন কথাতো দূরে থাক তার চেহারাটাও দেখি না।সারাদিন অফিস করে রাত করে বাসায় আসি।

এসে খেয়ে দেয়ে ঘুমায় পড়ি।সকালে উঠে আবার অফিসে চলে যায়।বাবাকে নিয়ে ভাবার সময় আমার নাই।আমি জুইকে ডাক দিলাম।জুই বাবার রুমে এসে বলল,

-কি হয়েছে এতো চি’ৎকার করছো কেনো??
-বাবার রুমটা এত অপরিষ্কার আর অগোছালো কেনো??
-তো আমি কি করবো??

-কি করবে মানে?তোমাকে না বলেছি বাবার যত্ন নিতে।
-আমি কি প্রতিদিন শুধু ওনাকে নিয়ে পড়ে থাকবো নাকি।যত্তসব।বাড়ির আরো অনেক কাজ আমাকে করতে হয়।

-তাই বলে বাবার যত্ন নিবে না।
-কেনো?ওনাকে সময় মতো খাওয়াচ্ছি।সময় মতো ঔ’ষধ দিচ্ছি এসব কি যত্ন নেওয়া না।
আমি কিছু বলিনি আর।জানি ওকে কিছু বলে লাভ হবে না।ও এমনই।খুব জেদি।ভালোবেসে বিয়ে করেছি।তাই এসব সহ্য করতে হচ্ছে।জুই চলে গেলো রান্নাঘরে।আমি চুপচা’প বাবার ঘর পরিষ্কার করতে লাগ’লাম।।

রুমটা পরিষ্কার করার সময় চোখ পড়লো টেবিলে রাখা খাতাটার উপর।বাবা খাতা দিয়ে কি করছে।কৌতুহল বেড়ে গেল কি আছে তা দেখার জন্য।আমি খাতাটা নিয়ে প্রথম পেইজটা খুললাম।প্রথম পেইজে লেখা আছে আমার ডায়েরি।লেখাটা পড়ে খুব অদ্ভুদ লাগলো।আমি পরের পেইজ খুলতেই দেখি।মায়ের একটা পুরানো ছবি।

আর তার নিচে লেখা আছে কলিজা।বাবা মাকে অনেক ভালবাসতো।কিন্তু মায়ের মৃ’ত্যুর পর বাবা খুব পাল্টে গেলেন।মা যখন মা’রা যায় তখন আমি ইন্টারে পড়তাম।ঐসময় বাবা খুব ভে’ঙে পড়েছিলেন।আমি আর আপুরা মিলে অনেক ক’ষ্টে বাবাকে সেই ক’ষ্টটা ভু’লাতে পেরেছি।

আমরা তিন ভাই-বোন।আপুরা বড় আর আমি সবার ছোট।আমার আপুরা মানে ইরা আপু আর জান্নাত আপুর বিয়ে হয়েছে দুইবছর।তারপর থেকে বাবা আর আমি একা থাকি।

জুই আর আমার বিয়ে হয়েছে ৬মাস হল।বাবা অনেক আগেই তার চাকরী থেকে রিটায়ার্ড হয়েছেন।আমি পরের পেইজটা উল্টালাম।সেখানে মাকে নিয়ে লেখা অনেক কবিতা আছে।আমি সব পড়ে একটু মুচকি হাসলাম।কয়েক পেইজ উল্টানোর পর লেখা আছে,
-আজ আমার ছোট্ট ছেলেটার বিয়ে।

না ছোট্ট না অনেক বড় হয়েছে।সে এখন চাকরি করে।কাব্য এখন দ্বায়িত্ব নিতে শিখেছে।আজ তার বিয়ে।মে’য়ে তার পছন্দের।আমি না দেখেই হ্যা করে দিই।আমার ছেলে মে’য়ের আশা আমি কোনোদিন অপূর্ণ রাখিনি।তাই তাদের পছন্দ মতো সব করেছি।জুই মা দেখতে খুব মিষ্টি।দোয়া করি তারা যেনো সু’খী হয়।

এভাবে কয়েক পেইজ পড়লাম সবগুলোতেই আমাকে নিয়ে লেখা।পরের পেইজ উল্টিয়ে দেখলাম,
-কাব্য এখন খুব ব্যস্ত।

নিজের শ’রীরটাও দিনদিন অবনতি হচ্ছে।কাব্যের সাথে আগের মতো রাতের আকাশ দেখা হয় না।চায়ের দোকানে বসে আর চা খেতে খেতে বাপ-ছেলের আড্ডা দেওয়া হয় না।সারাদিন ঘরে বসে থেকে খুব বির’ক্ত লাগে।তাই বউমাকে বলেছিলাম একটা ডায়েরি কিনে দিতে।কিন্তু বউমা আমাকে বলল,

-বাবা এই ব’য়সে ডায়েরি দিয়ে কি করবেন??
-কিছু না।একটু লিখালিখি করতাম।

-এত টাকা দিয়ে ডায়েরি না কিনে।অল্প দামে কিছু খাতা কিনে লিখলেই তো হয়।আমি কিছু না বলে খাতা কেনার টাকা নিয়ে নিলাম।এখন খুব লজ্জা হয় বউমার কাছ থেকে টাকা খুজতে।গতমাসে ঔ’ষুধের টাকা খুজতে গিয়ে অনেক বকা শুনতে হয়েছিল।বলেছিল,
-এত দামী ঔ’ষুধ না খেয়ে অল্প দামী ঔ’ষুধ খেলেই তো হয়।

আমি সেদিনও কিছু বলিনি।কিছু কিভাবে বলব।কাব্যকে বললে সে ভাববে আমি মিথ্যা বলছি।সে তো আর আমার কথা ভাবে না।সে এখন নিজের ঘর সংসার নিয়ে ব্যস্ত।আমি চাই না তার সুন্দর সংসারটাকে ন’ষ্ট করতে।এখন যে ঔ’ষুধগুলো খাচ্ছি সেগুলো খুব সস্তা।

তাতেও ক’ষ্ট নাই।ছেলের সাথে আছি এইটাই যথেষ্ট।তবে বউমা আমাকে একটুও সহ্য করতে পারে না।আমি কিছু বললেই সে বির’ক্ত হয়।কোম’রের ব্যাথাটা বেড়েছে।বউমাকে ডাক্তার দেখাতে যাবো বলে কিছু টাকা চাইতে গেলে বউমা বলে,
-সব ঢং।

তাই আর কিছু বলিনি।বা’ধ্য হয়ে এই মাসের ঔ’ষুদের টাকা’টা বাঁচিয়ে রেখেছি।ডাক্তার দেখাতে যাবো বলে।কালকে বউমা বলেছিল আমি নাকি তাদের সংসারের বোজা।তাই সি’দ্ধান্ত নিয়েছি আজকে ডাক্তার দেখাতে যাবো।সেখান থেকে বাসায় এসে শেষবারের জন্য ছেলের মুখটা দেখে কালকেই বৃ’দ্ধাশ্রমে চলে যাবো।

আমি আর পড়তে পারছিনা।চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে।যেই বাবা আমাকে সামান্য ক’ষ্ট কোনোদিন পেতে দেই নিই।সেই বাবা আজ হাজারো ক’ষ্ট ভোগ করছে।জুই এতটাই নিচ।ছিঃ নিজেকে ওর স্বা’মী বলতেই লজ্জা হচ্ছে।আমি চুপচা’প রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম।কিছুক্ষণ পর বাবা ফিরে আসলো।এসে আমাকে দেখে বলল,

-বাবা আমি একটা সি’দ্ধান্ত নিয়েছি।
-কি বাবা??
-আমি কালকে বৃ’দ্ধাশ্রমে চলে যাবো।আমাকে কি অফিসে যাওয়ার সময় আশ্রমে নামিয়ে দিবি।
-আচ্ছা বাবা।

কথাটি বলে বাবা চলে গেলো।আমাকে কিছু বলার সুযোগ দিল না।আমার পাশে জুই ছিল।সে খুশি হয়েছে।আমাকে বলল,
-যাক এতদিনে আপদ বিদায় হবে বলে মনে হচ্ছে।কি বল কাব্য।
আমি কিছু বললাম না।রাতে জুইকে বললাম,

-এই শোনো কালকে আমরা ছুটিতে যাবো কক্সবাজার।তুমি তোমার কাপড় চোপড় প্যাক করে রাখিও।
-সত্যি বলছো তুমি??
-হ্যা সত্যি।
জুই খুশি হয়ে রান্না করতে চলে গেলো।

বাবা আমাদের সাথে খাইনা অনেক দিন হল।আজকে আসলো খেতে।জুই আব্বার পছন্দের খাবার বানিয়েছে।বাবাতো কাল চলে যাবে তাই।বাবা নিস্তব্ধে খেয়ে চলে গেলো।তার চোখের কোণে অশ্রুগুলো ঠিকই দেখতে পেরেছিলাম।সকালে রেডি হলাম।গাড়িতে আমি,জুই আর বাবা বসে আছি।প্রথমে গেলাম জুইয়ের বাড়িতে।জুইকে বললাম,

-তোমার ব্যাগটা নাও।আর চল একটু তোমার বাবার সাথে দেখা করে আসি।
-কিন্তু ব্যাগ কেনো??
-আরে চলই না।
আমি জুইয়ের বাসায় গেলাম।বাবাও আসলো।বাবাকে নিয়ে এসেছি।সোফায় বসে আছি।জুইয়ের বাবা-মা আমাদের দেখে বলল,

-কিরে জামাই সাহেব অসময়ে যে??
-জ্বি আপনাদের জিনিষ আপনাদের বুঝিয়ে দিতে এলাম।
-আমাদের জিনিষ মানে??

-আপনাদের মে’য়েকে।

পাশ থেকে জুই বলল,

-কি বলছো এসব কাব্য??

-হ্যা ঠিক বলছি।আর শুন তোর মত নিচ মে’য়েকে বউ হিসেবে না রেখে।আমি সারাজীবন বউ ছাড়াই থাকবো।আর আমি ডিভোর্সের পেপার পাঠিয়ে দিব।সাথে তোর পাওনা সব টাকাও।

বাবা পাশ থেকে আমাকে থা’প্পড় দিয়ে বলল,

-ছিঃ কাব্য ছিঃ।তোকে আমি এজন্যেই মানুষ করেছি।নিজের বউয়ের সাথে কেউ এভাবে ব্যবহার করে।মাফ করবেন বেয়ান সাহেব।আমি কাব্যকে বুঝিয়ে বলবো সব।
জুইয়ের আব্বু আম্মু কিছু না বুঝে বলল,
-কাব্য বাবা কি হয়েছে খুলে বল??

বাবা হয়তো টের পেয়েছে।আমি বাবাকে বললাম,
-আব্বু তুমি গাড়িতে গিয়ে বস।আমি আসছি।

আব্বু যেতে রাজি না।বা’ধ্য হয়ে চি’ৎকার দিয়ে বললাম,
-তোমাকে যেতে বলেছি যাও।

-আব্বু চলে গেলো।
তারপর জুইয়ের আব্বু বলল,

-জামাই সাহেব কি হয়েছে??আমার মে’য়ে কি ভু’ল করেছে??
-কাব্য আমি কি করেছি??আমি তো তোমাকে অনেক ভালবাসি।

-চুপ কর তুই।তুর মতো মে’য়ের মুখে ভালবাসি শুনতেই ঘৃণা লাগে।আর হ্যা আপনাদের মে’য়েকে ভু’লেও আমার চোখের সামনে যেনো না দেখি।
-আমার মে’য়েটা কি করেছে সেটাতো বলো,

-কি করেনি সেটা জিজ্ঞেস করেন??যেই বাবা আমাকে এতটা বছর ক’ষ্ট করে বড় করেছে।নিজে হাজারো ক’ষ্ট সহ্য করে আমাকে মানুষ করেছে।নিজের ক’ষ্টগুলোকে লুকিয়ে আমাদের ভাই-বোনের সু’খের জন্য লড়াই করেছে।সেই বাবাকে আপনার মে’য়ে আপদ বলে।বাবা শব্দটা মানে কি সেটা আপনার মে’য়ে জানেনা।

ওকে শিখিয়ে দিবেন।আর হ্যা জুই তুমিও শুনে রাখো,
-আমার বাবা তোমার কাছে আপদ।কিন্তু আমার কাছে সব কিছুর উর্ধে।আমার কাছে সবচেয়ে দামী।সবচেয়ে প্রিয়।

-জুই আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল,
-সরি কাব্য আমাকে ক্ষমা করে দাও।
-আমি পারবো না।ক্ষমা করা আমার পক্ষে সম্ভব না।তুমি বাবাকে আপদ মনে করো তাই না।বাবাকে এত ক’ষ্ট দেওয়ার পর কিভাবে ভাবলে আমি তোমাকে মাফ করবো।

তোমার জায়গা আমার মনেতো দূরের কথা আমার পায়ের নিচেও না।
আমি চলে আসলাম।গাড়ি স্টার্ট দিলাম।বাবা আমাকে বলল,
-কিরে বউমা কয়??

-ও আজকের পর আর আসবে না।বাবা আমাকে মাফ করে দাও।আমি ভু’লে গিয়েছি।ভু’লে গিয়েছি তোমাকে সময় দিতে।তুমিই আমার কাছে সব।
এখন আমি আর বাবা চায়ের দোকানে বসে বসে চা খাচ্ছি।আর আড্ডা দিচ্ছি।হুমম বাবার চোখে খুশির ঝলক দেখতে পাচ্ছি।অনেকদিন পর বাবা হাসছেন।তার হাসিমাখা মুখটা দেখি না অনেকদিন হল।তাকে হাসতে দেখে মনের মাঝে এক আ’নন্দের ঝড় বয়ে যেতে লাগলো।বাবা ভালবাসি।অনেক ভালবাসি তোমায়।।।

ভু’লে যাবেন না আপনি হবেন একদিন বাবা ভু’লে যাবেন না আপনি হবেন একদিন মা আপনার ছেলেকে এই শিক্ষা দিতে পারেন আপনি নিজেই ✌️

————-সমাপ্ত————

💞💞বাবা।💞💞
Collected

একদিনে রেকর্ড পরিমাণে কমলো স্বর্ণের দাম হুমরি খেয়ে কিনছে ক্রেতারা

0

কিছুদিন আগেই শোনা যাচ্ছিল সোনার দাম কমেছে,এবার আরও বড়ো সড়ো দাম পরিবর্তন হলো সোনার বাজারে।এক ধাক্কায় অনেকটাই দামের পতন হল সোনায়।এই খবরে মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফুটেছে।উৎসব এর এই ম’রশুমে

এভাবে সোনার দাম কমায় সোনার দোকানে ভির বাড়তেও শুরু করেছে।এই মাসে বেশ কয়েকবারই পর পর সোনার দামের পরিবর্তন দেখা গেল।বাংলার বাজারে একধাক্কায় কমতে দেখা গেছে সোনার মূ’ল্য। ২৪ ক্যারেটের ১ গ্রাম সোনার দর কমে হয়েছে ৫,১৩০ টাকা(আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে ১৪৭ টাকা)।৮ গ্রামে এই দাম কমে গিয়ে হয়েছে ৪১,০৪০ টাকা।

জানা গিয়েছে কলকাতার বাজারে সর্বনিম্ন সোনার দর হয়েছে প্রতি ১০ গ্রাম ৫১,৩০০ টাকা,যা আগের থেকে কমেছে প্রায় ১,৪৭০ টাকা।একই ভাবে ১০০ গ্রাম সোনার দাম কমে হয়েছে ১৪,৭০০ টাকা।

এমন দাম কমে যাওয়ার পিছনে বিশেষজ্ঞ রা জানিয়েছেন ডলার রের বিপরীতে টাকার দাম বেড়ে যাওয়ায় এই রকম দাম কমে গিয়েছে।এদিন শুধু সোনা ই নয়,সোনার সাথে সাথে রূপা র দাম ও কমেছে অনেকটাই।

অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে সোনার ২৪ ক্যারেটের দাম কমলেও দাম বেড়েছে ২২ ক্যারেট সোনায়।২২ ক্যারেটের সোনা প্রতি ১০ গ্রাম এ এদিন দাম বেড়েছে ৫০ টাকা।বাংলার কলকাতা ছাড়াও দেশের রাজধানী দিল্লী তেও এদিন সোনার দাম প্রায় ৬৩১ টাকা মতো কমে।

তবে যাই হোক কলকাতায় এই ধাতব র দাম কমায়, উৎসব এর ম’রশুমে বাঙালি গিয়ে ভির করছে সোনার দোকান গু’লিতে।মধ্যবিত্ত দের মুখে হাসিও ফুটেছে।